নতুন নির্মাতায় নজর

আগের সংবাদ

প্রিন্টিং ই-কমার্স রুবিক প্রিন্ট

পরের সংবাদ

পয়সা থাকলেই কি সব পাওয়া যায়!

প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৯ , ৩:২৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৯, ৩:২৫ অপরাহ্ণ

Avatar

পয়সা থাকলেই কি সব পাওয়া যায়! ধনীরা জানেন, পয়সা ফেললে সবই পায়ের কাছে এসে লুটোতে থাকে। কিন্তু এই মুহূর্তে এই মনোভাবকে সম্বল করে রীতিমতো ঝামেলায় পড়েছেন ‘টাইটানিক’র হিরো লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও। এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, ডাইনোসরের ফসিল কিনতে চেয়ে ঝঞ্ঝাট পাকিয়েছেন এই কোটিপতি হলিউড স্টার। তার উপরে বেজায় চটেছেন বিজ্ঞানীরা।
সম্প্রতি লিওনার্দো ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরনো অ্যালোসরাসের কঙ্কাল কিনতে চান বলে জানান। এই কঙ্কালটির বিশেষত্ব এখানেই, এটি এক সঙ্গে ডাইনো মা ও শিশুর কঙ্কাল। এর প্রতœতাত্তি¡ক ও বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব অসামান্য। সেই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখেই বিজ্ঞানীরা প্রশ্ন তুলেছেন, শুধু পয়সা থাকলেই কি ডাইনোসরের কঙ্কাল কেনা যায়? ডাইনোসরের কঙ্কালের প্রতি একটা বিশেষ টান রয়েছে লিওনার্দোর। ২০০৭-এ তিনি এক নিলাম থেকে ৬৭ মিলিয়ন বছরের পুরনো টিরানোসরাসের খুলির একটি ফসিল কেনেন ২৭৬,০০০ মার্কিন ডলারে। ভারতীয় অর্থমূল্যে যা ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকারও কিছু বেশি। এই নিলামে তার সঙ্গে আর এক হলিউড হিরো নিকোলাস কেজের রীতিমতো লড়াই হয় বিডিং নিয়ে।
পরে জানা যায়, এই খুলিটি চোরাই। এটাও পরে জানা গেছে যে, হলিউড স্টার রাসেল ক্রোকে লিওনার্দো নাকি ৬৫ মিলিয়ন বছর আগেকার এক জলজন্তুর খুলি বিক্রি করেছিলেন।
হলিউড স্টারদের পয়সার কোনো লেখাজোখা নেই। কিন্তু তাই বলে ডাইনোসরের জীবাশ্মের মতো দুষ্প্রাপ্য এবং বৈজ্ঞানিক প্রয়োজনে সংরক্ষণযোগ্য বস্তুকে নিজেদের ব্যক্তিগত সংগ্রহে রাখাটা কতটা নৈতিক? এই প্রশ্ন তুলছেন বিজ্ঞানীরা। এ সব ‘বড়লোকের’ দাপটে বিশ্বজুড়ে ফসিলের চোরাই ব্যবসা রমরমিয়ে চলছে বলে দাবি তুলছেন অনেকেই। সোসাইটি ফর ভার্টেব্রেট প্যালিওন্টোলজির তরফে প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়েছে, ডাইনোসর বা প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর ফসিল কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি হতে পারে না। ফসিল উদ্ধারে বিপুল শ্রম জড়িত থাকে বিশেষভাবে। সে কারণে এর মূল্য নিলামে নির্ধারিত হতে পারে না। পয়সা থাকলেই সব কিছু হাতে পাওয়া যায় না, এটা এসব মানুষের বোঝা উচিত।