আইসিইউতে কবি আল মাহমুদ

আগের সংবাদ

স্থানীয় সরকারকে আরো শক্তিশালী করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

পরের সংবাদ

গ্রামীন কাঁঁচাবাজারই এখনো ভরসাস্থল সোনাগাজীর ক্রেতা-বিক্রেতাদের

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৯ , ১২:১৭ অপরাহ্ণ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৯ , ১২:১৭ অপরাহ্ণ

ফেনীর সাগর স্নাত সোনাগাজী উপজেলার ঐতিহ্যবাহি ও প্রাচীন বাজার ‘সোনাগাজী কাঁঁচাবাজার’। ধারনামতে ৩শ বছর আগে বঙ্গোপসাগরের উপকুলে জেগে উঠা চর এলাকা নিয়ে গঠিত সোনাগাজী উপজেলা। উপজেলা সদরের চর গনেশে সবচেয়ে বড় প্রায় ৫ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত সোনাগাজী কাঁঁচাবাজার। এছাড়াও উপজেলায় ছোট-বড় আরও ৩৫টি হাট-বাজার রয়েছে। সরজমিনে দেখা গেছে, সোনাগাজী কাঁঁচাবাজারটি ১১টি আলাদা ভাগে বিভক্ত । শাক-সবজি, মাছ, মাংস , শুটকি, ফল, কামার, হাডি-পাতিল, পান, গার্মেন্টস, মনিহারী, চাউল এর আলাদা ভবন করে দিয়েছে প্রশাসন । পছন্দ অনুযায়ী ক্রেতারা যাচ্ছে পছন্দের ভবনে। এখানে খুরচরা বিক্রেতা, পাইকারি বিক্রেতা ও আড়তৎদার রয়েছে। এ বাজারের আড়ৎদারের কাছ থেকে পাইকারি মুল্যে মালামাল ক্রয় করে উপজেলার ছোট ছোট হাট বাজারের বিক্রয় করেন খুচরা বিক্রেতারা। এ বাজারের নিয়মিত ক্রেতা মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হক চাষী (৭৫) বলেন, সুপার শপের এ যুগে নগর, শহর, বন্ধর এলাকায় কাঁঁচাবাজার বন্ধ হয়ে গেছে। অপেক্ষাকৃত অনুন্নত এলাকা গুলোতে ছোট-বড় হাট-বাজার দেখা যায়।

নারী-পুরুষ, আবাল-বৃদ্ধ গ্রামের সকল শ্রেণীর মানুষের এখনো ভরসা গ্রামীন এসব কাঁঁচাবাজার। যেকোন সময় এখান থেকেই ন্যায্য মূল্যে পছন্দের সামগ্রী ক্রয় করা যায়। এ বাজারের সবজী বিক্রেতা সৈয়দ শরীয়ত উল্যাহ (৩২) বলেন, আমার দোকানের বয়ষ আনুমানিক একশত বছর। আমার দাদা সৈয়দ আহম্মদ চাউল ব্যবসার মাধ্যমে এ দোকান চালু করেন। দাদা মারা যাওয়ার পর আমার বাবা সৈয়দ মফিজুর রহমান ব্যাবসার ধরন পরিবর্তন করে সবজী ব্যাবসার চালু করেন । বাবার মৃত্যুর পর আমি এ দোকানের দায়ীত্ব নিই। এখানে স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে সবজী ক্রয় করে সামান্য লাভে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করি। লভ্যাংশ দিয়েই ৬জনের সংসার চলে। বাজারের প্রায় ২ হাজার ব্যাবসায়ীদের নিয়ে গঠিত একটি বনিক সমিতি রয়েছে। বনিক সমিতির বর্তমান সভাপতি ডাঃ নুর নবী বলেন, ২১সদস্যের বনিক সমিতির নেতৃবৃন্দ ব্যাবসায়ীদের মাঝে যেকোন ধরনের বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে । ব্যাবসায়ীদের দেয়া মাসিক চাঁদায় এ সমিতির কর্মকান্ড চলে। সোনাগাজী পৌর মেয়র এডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা রক্ষায় দিনে ও রাতে আনসার বাহিনী রয়েছে। বাৎসরিক ইজারার মাধ্যমে ওই বাজার থেকে রজস্ব আদায় করে পৌরসভা ।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়