নতুন ফোরজি স্মার্টফোন

আগের সংবাদ

ভুয়া প্রশ্নপত্র দিয়ে অর্থ সংগ্রহ করার অভিযোগে আটক ১

পরের সংবাদ

একসময় বইয়ের নেশায় ডুবে থাকতাম: ফারজানা ছবি

প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৯ , ৩:৪৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৯, ৫:১৫ অপরাহ্ণ

Avatar

ফেব্রুয়ারির বইমেলা বাঙালির প্রাণের মেলা। নতুন বইয়ের ঘ্রাণে যেন মনের মধ্যে অন্যরকম এক ভালোলাগা কাজ করে। অভিনেত্রী ফারজানা ছবি জানালেন বইকে ঘিরে তার আবেগ-অনুভূতির কথা

স্মৃতিপটে প্রথম বই
বই পড়তে ভালো লাগে। ছোট থেকেই গল্প কিংবা উপন্যাসের প্রতি আমার বিশেষ দুর্বলতা। একসময় আমি বইয়ের নেশায় ডুবে থাকতাম। আমার এক বড় ভাই আমার জন্মদিন উপলক্ষে ‘ঈশপের গল্পসমগ্র’ দিয়েছিল। তা দিয়েই আামার প্রথম বই পড়া শুরু; গল্পগুলোতে বিভিন্ন ধরনের নীতিকথা লেখা থাকত। গল্পগুলো পড়তে যেমন মজা লাগত তেমনি ছিল শিক্ষণীয়।

রবীন্দ্রনাথ-নজরুল কিংবা জীবনানন্দ
কবিতা পড়ি, তবে কম। গল্প কিংবা উপন্যাস বেশি পড়া হয়। কবিতা পড়ার মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম; তাদের কবিতা পড়েছি একসময়। জীবনানন্দ দাশ পড়েছি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ ‘সঞ্চয়িতা’ ইত্যাদি কাব্যগ্রন্থ পড়েছি। রবীন্দ্রসঙ্গীত-নজরুলসঙ্গীত শুনতে পছন্দ করি।

উপন্যাসে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
অনেকের লেখাই প্রিয়। তাদের উপন্যাস, গল্প কিংবা সাক্ষাৎকার সবকিছুই পড়তে বেশ ভালো লাগে। তার মধ্যে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা অসম্ভব ভালো লাগে। তার বই পড়তে গিয়ে উপন্যাসের চরিত্রগুলোর দিকে লক্ষ করি। গল্প কিংবা উপন্যাস পড়ার সময় দৃশ্যপটগুলো আমার চোখে ভাসে। তা ছাড়া হুমায়ূন আহমেদের লেখাও ভালো লাগে। এক সময় প্রচুর হুমায়ূন আহমেদের লেখা পড়তাম। এখনো মাঝেমধ্যে পড়ি।

বইয়ের জগৎ
এক সময় প্রচুর পড়তাম। কিন্তু দিন দিন পড়াশোনার অভ্যাসটা কমে যাচ্ছে। তবুও যতটুকু পারি পড়ার চেষ্টা করি, জানার চেষ্টা করি। কিছু বইয়ের কথা উল্লেখ করতে পারি; ইয়েস্তান গার্ডারের ‘সুফির জগৎ’ ম্যাক্সিম গোর্কির ‘মা’ শওকত আলীর ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ গজেন্দ্র কুমার মিত্রের ‘কলকাতার কাছেই’ এই বইগুলোকে আমার প্রিয় বই বলা যায়। এ ছাড়া সমরেশ মজুমদার, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, বিভ‚তিভ‚ষণ ভালো লাগে।

লেখালেখির অভ্যাস
হ্যাঁ, সময় পেলে মাঝেমধ্যে লেখালেখি করি। অভিনয়ের পাশাপাশি লেখার চেষ্টা করি। তবে গল্প কিংবা উপন্যাস কোনোটাই এ পর্যন্ত লিখতে পারিনি, চিত্রনাট্য রচনা করেছি এবং সেগুলোর নাট্যরূপও দিয়েছি। যদিও খুব বেশি কিছু এখন পর্যন্ত লিখতে পারিনি, তবে সামনের দিনগুলোতে লেখার চেষ্টা থাকবে। ভবিষ্যতে নিজের জীবনবোধ নিয়ে যেসব অভিজ্ঞতা রয়েছে সেগুলোকে লেখায় রূপ দেয়ার ইচ্ছে আছে। কিন্তু কতটুকু পারা যায় তা জানি না।