ইনজুরিতে শারাপোভা

আগের সংবাদ

আফগানি বিরিয়ানি

পরের সংবাদ

ঢাকার লক্ষ্য ১২৮ রান

প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ১, ২০১৯ , ৫:২০ অপরাহ্ণ | আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০১৯, ৫:২০ অপরাহ্ণ

ঢাকার জন্য ম্যাচটি বাঁচা-মরার লড়াইয়ের ম্যাচে টসে জিতে আগে বোলিং করে কুমিল্লাকে ১২৭ রানের বেশি করতে দেয়নি শক্তিশালী ঢাকা ডায়নামাইটস। ইনিংসের শুরুতে তামিম ইকবাল ঝড় তুললেও সাকিব, রুবেল, নারিনদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে খুব বেশিদূর যেতে পারেনি কুমিল্লা। শেষ চারের টিকিট প্রায় নিশ্চিত করতে ঢাকার লক্ষ্য ১২৮ রান।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আলতো ছোঁয়ায় ফাইনলেগ দিয়ে চার, পরের বলে নিয়ন্ত্রিত ফ্লিকে ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে সীমানা পার করেন তামিম ইকবাল। আন্দ্রে রাসেল তৃতীয় ওভারে বোলিং করতে আসলে দারুণ এক পুল শটে স্কয়ার লেগ দিয়ে ছক্কা হাঁকান তামিম।

সুনিল নারিন ও শুভাগত হোমকে জোড়া বাউন্ডারির পর রুবেল হোসেনকে উড়িয়ে পাঠান ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ বাউন্ডারিতে। পরে লংঅফ বাউন্ডারিতে দুর্দান্ত এক ক্যাচ ধরে তামিমের বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দেন এই রুবেলই।

মাত্র ১৯ বল থেকে ৪টি চারের সঙ্গে ২ ছক্কার মারে ৩৮ রানে পৌঁছে যাওয়া তামিম খেলছিলেন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। শুভাগতর করা অষ্টম ওভারের প্রথম বলে লংঅন বাউন্ডারিতে ছক্কা হাঁকানোর চেষ্টা করেন তামিম। কিন্তু পুরোপুরি ব্যাটে-বলে করতে পারেননি।

লংঅন বাউন্ডারি থেকে কয়েক গজ দৌড়ে এসে দুই হাতে সামনের দিকে ঝাপিয়ে পড়ে তালুবন্দী করেন রুবেল। প্রথম দেখায় মনে হচ্ছিলো যেন মাটি খুঁড়ে বলটিকে নিজের হাতের মুঠোয় নিয়েছেন রুবেল। আম্পায়াররা প্রাথমিকভাবে দ্বিধানিত্ব হলেও রুবেল জানান সরাসরিই ধরেছেন তিনি। থেমে যায় তামিমের ২০ বলে ৩৮ রানের ঝড়ো ইনিংসটি।

এক প্রান্তে তামিম ঝড় তুললেও অন্যপ্রান্তে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউ। নিজের আগের ইনিংসেই ঝড়ো সেঞ্চুরি করা এভিন লুইস এদিন আউট হন মাত ৮ রান করে। রানের খাতা খুলতেই ব্যর্থ হন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান এনামুল হক বিজয়।

অধিনায়ক ইমরুল কায়েস (৭), শামসুর রহমান শুভ (২), থিসারা পেরেরা (৯) কিংবা মোহাম্মদ সাঈফউদ্দীনের (২) কেউই পারেননি দুই অঙ্কে যেতে। ধরে খেলার আভাস দিয়ে ১৭ বলে ১৮ রান করে আউট হন শহীদ আফ্রিদি।

ঢাকার অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের এক ওভারে দুই ছক্কা মেরে দলীয় সংগ্রহটা একশ পার করান ওয়াহাব রিয়াজ। রুবেল হোসেন বলে আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ১৬ রান।

শেষদিকে দলকে বলার মতো সংগ্রহ এনে দেন অফস্পিনিং অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান। রুবেল হোসেনের করা শেষ ওভারেই ১টি করে চার-ছক্কার মারে ১৩ রান নেন মেহেদি। ইনিংসের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ২ চারের সঙ্গে ১টি ছক্কার মারে ২০ রান করেন মেহেদি।

ঢাকার পক্ষে বল হাতে একাই ৪ উইকেট নেন রুবেল হোসেন। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান এবং সুনিল নারিন নেন ১টি করে উইকেট। কুমিল্লার পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৮ রান করা তামিমের উইকেটটি নেন শুভাগত হোম।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা