চট্টগ্রাম রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের বিদায়

আগের সংবাদ

উন্নতির রকমফের

পরের সংবাদ

আওয়ামী লীগের ইশতেহার : প্রসঙ্গ ঋণখেলাপি

প্রকাশিত হয়েছে: জানুয়ারি ২৯, ২০১৯ , ৯:০৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০১৯, ৯:১৫ অপরাহ্ণ

শেখর দত্ত

রাজনীতিক ও কলাম লেখক।

দল-মত নির্বিশেষে দেশবাসী চাইবে অর্থমন্ত্রীর এই সব কথা সত্যে পরিণত হোক। কেননা অর্থ মন্ত্রণালয় ঠিক তো দেশ ঠিক। শপথ গ্রহণের পর অর্থমন্ত্রী ইশতেহার বাস্তবায়নের ব্যাপারে আশ্বস্ত করার জন্য বক্তব্য যেমন দিয়েছেন, কিছু পদক্ষেপও দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ইশতেহার বাস্তবায়নে অর্থমন্ত্রী কতটা সফল হন, তা দেখার জন্য দেশবাসী গভীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করবে।

আওয়ামী লীগের ইশতেহার প্রণয়ন উপকমিটির সদস্য হিসেবে জানি, ইশতেহারে যখন অন্য সব বিষয়ের সঙ্গে ‘সামষ্টিক অর্থনীতি : উচ্চ আয়, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন’ হেডিংয়ে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের লক্ষ্য ও পরিকল্পনার লেখা হচ্ছে, সেই সময়ে ৭ ডিসেম্বর দৈনিক প্রথম আলো ‘১০ বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে সাড়ে ৪ গুণ’ প্রধান হেডিং দিয়ে ব্যাংক খাতের দুরবস্থা নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে।

৯ ডিসেম্বর সিপিডি ‘বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে আমাদের করণীয় কি?’ সেমিনার করে। পরদিন প্রথম আলো হেডিং করে ‘দশ কেলেঙ্কারিতে লোপাট ২২,৫০২ টাকা।’ স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচনের আগে এসব রিপোর্ট প্রকাশিত হলে গণমনে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

প্রসঙ্গত, এটা নিয়ে কোনো বিতর্ক করা বোধকরি ঠিক হবে না। রাষ্ট্র ও সমাজ জীবনে যদি দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিপরীতে ক্ষতিকর কাজ সংঘটিত হয়, তবে সেই খবর প্রকাশিত হওয়া দেশ ও জনগণের স্বার্থরক্ষার জন্যই প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ভুল বা উদ্দেশ্যমূলক বিশেষত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তা যদি ব্যবহৃত হয়, তবে তা চরম ক্ষতিকর।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপরাধও বটে! উল্লেখ্য, বিগত ১০ বছরে আওয়ামী লীগ শাসনামলে সংবাদপত্রের মাধ্যমে যত খবর দেশবাসী জানতে পেরেছে, এর মধ্যে সরকার ও সরকারি দলের জন্য সবচেয়ে বিব্রতকর হচ্ছে খেলাপি ঋণ বা অর্থ জালিয়াতি নিয়ে প্রকাশিত খবরসমূহ।

এটা তো ঠিক যে, সরকার বিশেষ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নয়। সহজেই ধারণা করা চলে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজস্বার্থে ব্যাংক জালিয়াতি বা লুটপাট করে। এ ক্ষেত্রে কোনো সরকার বিশেষত যে সরকার দেশ ও জনগণের জীবন-জীবিকার উন্নয়ন চাইছে, সেই সরকার কোনোক্রমেই চাইতে পারে না ব্যাংক জালিয়াতি ও লুটপাট।

কেননা আর্থিক ও ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা একান্ত ও বিশেষভাবে প্রয়োজন উন্নয়ন অব্যাহত রাখার জন্য। তদুপরি অর্থনীতির আকার যত বড় হচ্ছে, ততই ব্যাংক ও আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার বিষয় জরুরি হয়ে উঠছে।

উন্নয়ন বেগবান রাখতে ব্যাংকের সুদ কমানোর জন্যও তা একান্ত প্রয়োজন। তবুও ব্যক্তি ও গোষ্ঠী নিজস্বার্থ চরিতার্থ করতে চরম ক্ষতিকর ও গর্হিত অপরাধমূলক কা- ঘটায়। এরা জনদ্রোহী। জনগণ এদের চিহ্নিত করে বিচার ও শাস্তি চায়।

আগামী ৫ বছর উন্নয়ন অব্যাহত ও ত্বরন্বিত করতে বিশেষত স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী পালনের সময় রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের দিনগুলোতে ব্যাংক ও আর্থিক খাত নিয়ে যেন কোনো জালিয়াতি ও কেলেঙ্কারির ঘটনা না ঘটে, সেই দিক লক্ষ্য রেখে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা বিষয়ে ইশতেহার লেখার সময় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শ ও নির্দেশ মাথায় রেখে গভীরভাবে চিন্তা করা হচ্ছিল।

এখানে বলতেই হয় যে, প্রথম আলো ও সিপিডি নির্বাচনের আগে পর পর এসব খবর প্রকাশ করতে থাকলে আওয়ামী লীগ দল এবং নৌকার পক্ষে জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। ক্ষোভের কারণ হচ্ছে, এসব খেলাপি ঋণ নিয়ে খবর আগেও প্রকাশিত হয়েছে এবং জনগণ তা জানে।

সরকারি দল ইশতেহারে এ নিয়ে কিছু বলবে, সে বিষয়েও সচেতন মানুষ অনেকটাই নিশ্চিত ছিল। তবুও নির্বাচনের আগে এই দুই প্রতিষ্ঠান একই সময়ে সরকারি দলের বিরুদ্ধে এই ইস্যু নিয়ে মাঠ গরম করতে গেল কেন?

সচেতন জনগণ কোন সমালোচনা গঠনমূলক আর কোন সমালোচনা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপূর্ণ তা ভালো করেই বুঝে। এই বুঝ থেকে প্রথম আলো ও সিপিডির সম্মিলিত ওই প্রচারণাকে জামায়াত-বিএনপি-ঐক্যজোট কথিত ‘নীরব ভোট বিপ্লব’-এর সহায়ক তথা ওই ত্রিভঙ্গমুরারীরূপী জোটকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য অপচেষ্টা তথা পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নিউজ হিসেবে মনে করেছে।

বিগত ১০ বছরে নিরপেক্ষ বলে পরিচিতি পেতে ইচ্ছুক ওই দুই প্রতিষ্ঠানের প্রচার-আক্রমণ এটা মনে করার ভিত্তি জুগিয়েছে। বলাই বাহুল্য, কোনো গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিংবা সংবাদপত্রের জন্য আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বিবেচনায় এমন সুপরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যমূলক অবস্থান দেশের আর সেই সঙ্গে ওই দুই প্রতিষ্ঠানের জন্যও যথার্থ ও মঙ্গলজনক নয়।

এই দিকটি লক্ষ রেখে জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আগামী ৫ বছর নিরপেক্ষ দাবিদার সব প্রতিষ্ঠান ভূমিকা রাখুক, এটাই জনগণের একান্ত কামনা।

প্রসঙ্গত একটা বিষয় লক্ষণীয় যে, আজ নিরপেক্ষ দাবিদার অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকার যারা ব্যাংক ও আর্থিক খাত বিশেষভাবে খেলাপি ঋণ নিয়ে বিগত ১০ বছরের সমালোচনায় পঞ্চমুখ, যারা সরকারকে বড় বড় উপদেশ দিয়ে যাচ্ছেন, তারা ব্যতিক্রম বাদে সবাই এক সময় আর্থিক ও ব্যাংকের নীতিনির্ধারণ ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাই প্রশ্নটা ওঠা স্বাভাবিক যে, তারা যখন ছিলেন তখন ব্যাংক ও আর্থিক খাত তথা খেলাপি ঋণ কী অবস্থায় ছিল? কী কী পদক্ষেপ তারা নিয়েছিলেন?

খেলাপি ঋণ কী আজকের সৃষ্টি নাকি এটা সংস্কৃতি হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে? এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন দেশে ঘুষ-দুর্নীতি ছিল এবং তা অসহনীয় অবস্থায় পৌঁছালে সরকার আর্মি নামাতে বাধ্য হয়েছিল। শাসকদল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও দুর্নীতি প্রতিরোধ দিবসসহ নানা কর্মসূচি পালন ও পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল।

কিন্তু দেশে খেলাপি ঋণ সংস্কৃতি দাঁড়ায় প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়া ‘মানি ইজ নো প্রবলেম’ ও ‘রাজনীতি রাজনীতিকদের জন্য ডিফিকাল্ট’ করার নীতি-কৌশল বাস্তবায়ন করার ভেতর দিয়ে। প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সামরিক শাসনের আমলে ‘লুটপাটের অর্থনীতি’ আমদানি হয়েছিল সরকারি আশ্রয়-প্রশ্রয় পেয়েই।

এই সংস্কৃতি থেকে বের হওয়া সহজ কাজ নয়। সংস্কৃতি গড়ে ওঠা মানেই তো হলো ঋণগ্রহীতা, ব্যাংকার ও ক্ষমতাভোগীদের মধ্যে ‘নেকসাস’ আর সেই সঙ্গে চেইন তৈরি হওয়া। সর্বোপরি টাকা যদি কারো পকেটে যায়, তবে ব্যাংক যায় আটকে, বলির পাঁঠার মতো হয় অবস্থা।

তখন রি-শিডিউল করা, পুনরায় আরো টাকা দেয়া, শ্রেণিকৃত ও অবলোপন করা, মামলা দেয়া, মামলার খরচ জোগান দেয়া, ইঞ্জাঙ্কশন প্রভৃতির চক্করে পড়া ব্যাংকের নিয়তি হয়ে দাঁড়ায়। এসব কারণেই পুরো আর্থিক ও ব্যাংক ব্যবস্থা আজ ওই সংস্কৃতির রাহুগ্রাসে নিপতিত।

অভিজ্ঞতা থেকে এ কথা বলা যায়, এই কালচারের ভিত্তি গড়ে ওঠার পর থেকে যেসব ঋণ অনুমোদন ও প্রদান করা হয়েছে, তার একটা অংশ যেমন শ্রেণিকৃত ও অবলোপনকৃত হয়েছে, তেমনি কালচার বহাল থাকলে এখন যে সব ঋণ অনুমোদন ও প্রদান করা হচ্ছে, তার একটা অংশও তেমনটাই হবে এবং ‘নেকসাস’ ও চেইন কার্যকর থাকায় আরো বেশি পরিমাণে হবে।

মাঝে মাঝেই ভাবি, যারা আর্থিক ও ব্যাংকের বড় পদে ছিলেন এবং এখন সুশীল সমাজের অংশ হয়ে খেলাপি ঋণ নিয়ে অনেক সমালোচনা করছেন বা উপদেশ দিচ্ছেন, তারা কি ভেবে দেখেছেন, যেসব ঋণ অনুমোদন ও প্রদান করে এসেছিলেন তারা, সেগুলোর অবস্থা কি!

মাঝে মাঝে মনে হয় একটা গবেষণা হওয়া প্রয়োজন, যারা এখন বড় বড় সমালোচনা ও উপদেশ দিচ্ছেন, তারা ব্যাংকে সংশ্লিষ্ট থাকতে যেসব ঋণ দেয়া হয়েছিল, সেগুলোর অবস্থা এখন আসলে কি! মনে তো হয় কেঁচো খুঁড়তে সাপই বের হবে।

উদাহরণ হিসেবে বলি, সোনালী ব্যাংকে হলমার্ক কেলেঙ্করি হয়েছে, লোকের বিল পারচেজ করার ভেতর দিয়ে। কেলেঙ্কারি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গোড়াতেই অর্থাৎ ওই বিল পারচেজ করার নিয়মনীতিতেই ছিল শুভঙ্করের ফাঁকি।

এর সঙ্গে ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং ও অডিটে বিশাল ত্রুটি তো ছিলই। দুর্নীতির চেইন থাকার ফলে ঘটনা একে একে ঘটে যাওয়া অর্থাৎ টাকা বের হয়ে যাওয়ার অনেক পরে তা ধরা পড়ে। ফাঁকফোকড় বন্ধ করার জন্য হলমার্ক ঘটনার প্রেক্ষাপটে ওই নিয়মনীতির সংস্কার করা হয়েছিল।

কিন্তু তাতেও যে ফাঁক বের হবে না কে বলতে পারে! প্রশ্নটা হলো ব্যবস্থাপনা, মনিটরিং ও অডিটে গুরুত্ব দেয়া এবং সময়ের ব্যবধানে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নিয়মনীতির সংস্কার করা। আরো উল্লেখ করার মতো বিষয় হচ্ছে, সুশীল-মঞ্চে আইনজীবী যারা নীতির পক্ষে কথা বলেন, দেখা যায় তারাও পেশার নামে চিহ্নিত ঋণখেলাপিদের পক্ষে আদালতে দাঁড়ায়।

এ ক্ষেত্রে আইন আদালত নিয়ে আর কথা বাড়ানো হলো না। এ ছাড়া আছে তদবির। বিরল ব্যতিক্রম বাদে সুশীল-সাধারণ সবাই তা করেন। একটা সিস্টেম ও কালচার দাঁড়িয়ে গেছে। তাই বলা যত সহজ, কাজটা করা তত সহজ নয়।

এসব দিক লক্ষ রেখে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ব্যাংক ও আর্থিক খাতে উন্নয়নের বিষয়ে কি বলা হয়েছে, সেদিকটি বিবেচনায় নেয়া যাক। এ প্রসঙ্গে প্রথমেই বলতে হয় যে, ইশতেহারে আর্থিক ও ব্যাংক খাত নিয়ে যেমন সুনির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে, তেমনি সামগ্রিক রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সামাজিক লক্ষ্য ও পরিকল্পনার সঙ্গে তা যুক্ত করা হয়েছে।

সার্বিক বিবেচনায়ই এসেছে দুর্নীতি ও সন্ত্রাস বিষয়ে জিরো টলারেন্স বিষয়টি। কেননা দেশব্যাপী তৃণমূলে যদি সাভারের রানা ও নারায়ণগঞ্জের নূরুর মতো মাফিয়া গং গড়ে ওঠে, তারা যদি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক প্রতিরোধ ছাড়া সমাজ তথা অর্থনীতির উচ্চাসনে প্রতিষ্ঠিত হয় কিংবা ব্যাংক জালিয়াতি বা ঋণ কেলেঙ্কারি করে কেউ যদি পার পেয়ে যায়, তবে তা থেকে উত্তরণ অসম্ভব।

বিগত ১০ বছরে বর্ষীয়ান ও শ্রদ্ধেয় আমলা-রাজনীতিক আবুল মাল আবদুল মুহিত অর্থমন্ত্রী থাকা অবস্থায় দেশের অর্থনীতির বিস্ময়কর উন্নয়ন হয়েছে, যা দেশে-বিদেশে স্বীকৃত। তবে ব্যাংকসহ কোনো কোনো ক্ষেত্রে যে বড় সমস্যা ছিল তাও স্বীকৃত।

৭ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী হিসেবে মোস্তফা কামালের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি বলে দিয়েছেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয় আগের মতো চলবে না। এখানে আগামীকাল থেকে আপনারা নতুন সব দেখতে পাবেন। সেখানে অনেক বড় ও বিশালতা এবং অনেক নতুনত্ব দেখতে পাবেন।

এটা আমার সাবজেক্ট। মিথ্যা আশ্বাস দিব না। ফেইল করব না।’ বলাই বাহুল্য, দল-মত নির্বিশেষে দেশবাসী চাইবে অর্থমন্ত্রীর এই সব কথা সত্যে পরিণত হোক। কেননা অর্থ মন্ত্রণালয় ঠিক তো দেশ ঠিক।

মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর অর্থমন্ত্রী মোস্তফা কামাল ইশতেহার বাস্তবায়নের ব্যাপারে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করার জন্য বক্তব্য যেমন দিয়েছেন, তেমনি বেশ কিছু পদক্ষেপও দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ইশতেহার বাস্তবায়নে অর্থমন্ত্রী কতটা সফল হন, তা দেখার জন্য দেশবাসী গভীর আগ্রহে নিয়ে অপেক্ষা করবে।

শেখর দত্ত : রাজনীতিক ও কলাম লেখক।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা