নৌকার টিকেট চূড়ান্ত ,শরিকদের ৫৫ আসন

আগের সংবাদ

নজিবুল বশরের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ

পরের সংবাদ

শিল্পকলার আয়োজনে ষড়ঋতুর পদাবলি

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ৭, ২০১৮ , ৪:০৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০১৮, ৪:০৪ অপরাহ্ণ

‘আজি নূতন রতনে ভ‚ষণে যতনে’, ‘দোলে নাগর দোলা দোলে ঘুরে ঘুরে, এক বৈশাখে দেখা হলো দুজনার, প্রখর দারুণ অতি দীর্ঘ দগ্ধ দিন’ ‘কেমনে রাখি আঁখি বারি রখিয়া চাঁপিয়া’, ‘অম্বরে মেঘ মৃদঙ্গ বাজে’, ‘আমার রাত পোহালো’, ‘আবার আসিবে ফিরে’, ‘আমার মাইঝা ভাই সাইঝা ভাই’, ‘পৌষ এলো গো, পৌষ এলো গো’, ‘এ কি মায়া লুটাও কায়া জীর্ণ শীতের মাঝে’, ‘পৌষের কাছাকাছি রোদ মাখা সেই দিন’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার সেখানে বসন্ত আমার’, ‘ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান’- এমন সব গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্তের গানে গানে কখনো সম্মেলক গানে, দলীয় নৃত্যে, একক সঙ্গীতে মুগ্ধতা ছড়ালেন মোনালীন আজাদ, আবিদা রহমান সেতু, শারমিন আক্তার, রাফি তালুকদার, সুচিত্রা রানী সূত্রধর, রূপসা, মোহনা দাস, ড. কাজী আসাদুজ্জামান, হীরক রাজা, হিমাদ্রী রায়, সোহানুর রহমান, মোহনা দাস, রোকসানা আক্তার রূপসা। যারা সবাই শিল্পকলা একাডেমির কণ্ঠশিল্পী ও নৃত্যশিল্পী। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজন করা
হয়েছে ছয়টি ঋতুকে নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন গান, নৃত্য ও আবৃত্তি।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রযোজনা বিভাগের আয়োজনে ঋতুভিত্তিক সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি নিয়ে ‘ষড়ঋতুর পদাবলি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, সচিব মো. বদরুল আনম ভূঁইয়া এবং প্রযোজনা বিভাগের পরিচালক ড. কাজী আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন তামান্না তিথি।
স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসব শুরু কাল :
দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশ স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হচ্ছে আগামীকাল শনিবার। শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে এ উৎসব চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বিকেলে উৎসবের উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।
গতকাল বৃহস্পতিবার শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য জানান শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। আরো উপস্থিত ছিলেন একাডেমির সচিব বদরুল আনম ভূঁইয়া এবং নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের সহকারী পরিচালক চাকলাদার মোস্তফা আল মাসউদ।
লিয়াকত আলী লাকী জানান, উৎসবে ৪৮টি স্বল্পদৈর্ঘ্য এবং ২২টি প্রামাণ্যচিত্র মিলিয়ে সর্বমোট ৭০টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। প্রদর্শনীর পাশাপাশি স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য- দুই বিভাগে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বিশেষ জুরি পুরস্কার প্রদান করা হবে। যার অর্থমূল্য যথাক্রমে এক লাখ, ৫০ হাজার এবং ২৫ হাজার টাকা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে চলচ্চিত্র বাছাই করে পাঁচ সদস্যের বিচারকম ণ্ডলী। যার মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক, প্রামাণ্যচিত্র পর্ষদের উপদেষ্টা সাজ্জাদ জহির, শর্ট ফিল্ম ফোরামের পক্ষে এ কে রেজা গালিব, ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক বেলায়াত হোসেন মামুন এবং একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের সহকারী পরিচালক চাকলাদার মোস্তফা আল মাসউদ। পুরস্কার কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- নির্মাতা মোরশেদুল ইসলাম, চলচ্চিত্র গবেষক ফরিদুর রহমান ও অনুপম হায়াৎ এবং একাডেমির সচিব বদরুল আনম ভূঁইয়া।