ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তায় পাঁচ সতর্কতা

আগের সংবাদ

ওলভিও এমএল ১৪ ফোন

পরের সংবাদ

১২ কোটি অ্যাকাউন্টের তথ্য বেহাত

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৪, ২০১৮ , ৩:১৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০১৮, ৩:১৪ অপরাহ্ণ

Avatar

হ্যাকাররা অন্তত ৮১ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ম্যাসেজ ও সে সব অ্যাকাউন্টের তথ্য বিক্রি করেছে। হ্যাকাররা স্বীকার করেছে, তাদের কাছে অন্তত ১২ কোটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য রয়েছে যা তারা বিক্রি করার জন্য চেষ্টা করছে। তবে সংখ্যাটি নিয়ে সন্দেহ রয়েছে বলে বলছে সংবাদ মাধ্যম বিবিসি। ফেসবুক বলছে, তারা নিরাপত্তা বিষয়টিতে কারো সঙ্গে কখনো আপোষ করেননি। এমনকি হ্যাকারদের কাছে যে ডেটা থাকার কথা বলছে, তা কোন ব্রাউজার এক্সটেনশন থেকে নেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে ফেসবুক। তবে ফেসবুক আক্রান্ত অ্যাকাউন্টগুলোর ব্যাপারে সতর্ক পদক্ষেপ নেবে বলেও জানায়। যে তথ্যগুলো হ্যাকাররা তাদের কাছে আছে দাবি করছেন এবং বিক্রি করেছেন সেগুলো মূলত ইউক্রেন ও রাশিয়ার ব্যবাহারকারীদের। তবে এর বাইরেও কিছু যুক্তরাজ্যের, যুক্তরাষ্ট্রের, ব্রাজিল এবং আশেপাশের কয়েকটি দেশের ব্যবহারকারীর তথ্য। হ্যাকাররা প্রতিটি অ্যাকাউন্টে তথ্য আট সেন্টে বিক্রি করার বিজ্ঞাপন দিয়েছে। প্রথমে এমন বিজ্ঞাপন অনলাইনে থাকলেও এখন সেটি অফলাইনে নেয়া হয়েছে। ফেসবুকের একজন নির্বাহী গাই রোসেন বলেন, পরিচিত ব্রাউজার নির্মাতাদের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করছি। তাদের এক্সটেনশন ব্যবহার করে যেন কেউ ফেসবুক থেকে গ্রাহকের তথ্য হাতিয়ে নিতে না পারে সেজন্য তাদের সঙ্গে আমরা কাজ করতে চাই এবং তথ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে চাই।
তিনি বলেন, আমরা স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, হ্যাকাররা যে ওয়েবসাইটে তাদের তথ্য বিক্রির তালিকা ঝুলিয়েছে সেটা সনাক্ত করে যেন তারা ব্যবস্থা নেন। তথ্য হাতানোর এই খবরটি প্রথম জনসম্মুখে আসে গত সেপ্টেম্বর মাসে। তখন ফেসবুকের এক ব্যবহারকারী যার ছদ্মনাম ‘এফবিসেলার’ ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রির জন্য একটি পোস্ট দেন। এটি দেয়া হয় একটি জনপ্রিয় ‘ইংলিশ লার্নিং ইন্টারনেট ফোরামে’। সেখানে ওই আইডি থেকে লেখা হয়, আমরা ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি করতে চাই। আমাদের কাছে ১২ কোটি অ্যাকাউন্টের তথ্য রয়েছে। রাশিয়ার সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল শ্যাডো জানিয়েছে, তারা হ্যাকারদের দেয়া ৮১ হাজার অ্যাকাউন্টের ওই তথ্যগুলো পরীক্ষা করে দেখেছে।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা