বগুড়া-বোনারপাড়া-সান্তাহার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু

আগের সংবাদ

মোংলা ও বুড়িমারী স্থলবন্দরে শতভাগ দুর্নীতি: টিআইবি

পরের সংবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৮ , ৫:০৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৮, ৬:০৮ অপরাহ্ণ

Avatar

গত ৯ সেপ্টেম্বর,২০১৮ ইং তারিখের ভোরের কাগজের অনলাইন এডিসনে “ভূয়া কাগজ বানিয়ে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের পায়তারা” শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে অন্যান্যদের সাথে আমার নামও উল্লেখ করা হয়েছে। যাহা আমার দৃষ্টিতে এসেছে। খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তীহীন ও মিথ্যা। প্রতিবেদনে প্রকাশিত খতিয়ান ও দাগের জমির মালিক নগেন্দ্র নাথ বন্দোপাধ্যায় গংদের ছিল। ওই জমি ১৯৫৮ সালে নিলাম হলে আমার পিতৃ পুরুষগণ আমি সহ অন্যান্যদের নামে ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৮ সালে নিলাম খরিদ মূল্য বাবদ ১১০ টাকা পরিশোধ করে ক্রয় করেছেন। প্রতিবেদক নিলাম ও ক্রয়ের খবরটি অনুসন্ধান না করেই আমাদেরকে প্রতারক চক্র বলে অভিহিত করেছেন। যাকা অনভিপ্রেত। আমি উক্ত সংবাদের প্রতিবাদ করছি।
মাহাফুজুর রহমান খান

প্রতিবেদকের বক্তব্য

উল্লেখিত জমির ব্যাপারে একই এলাকার জনৈক মো. সোহাগ সিকদার গত ০৯/০৯/১৮ ইং তারিখ অফিসের অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের সহায়তায় ৭০৯/৮ নং ভূঁয়া পর্চা প্রস্তুত করে ৫৮ নং মমিনপুর মৌজার খাস খতিয়ানভূক্ত ৩৬৪০ নং দাগের ৪.৫৮ একর খাস জমি মাহাফুজুর রহমান খান গং গণ বেআইনীভাবে আতœসাত করার পায়তারা করছেন বলে বাউফল উপজেলা ভূমি অফিসের দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একখানা অভিযোগ পত্র দায়ের করেন। যাহা বর্তমানে তদন্তাধীন। অপরদিকে বাউফল উপজেলা ভূমি অফিস ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে উল্লেখিত জমি এখনো খাস খতিয়ানভূক্ত অর্থাৎ সরকারি সম্পত্তি হিসেবে রয়েছে। ১৯৬৯ সালে নিলামমূলে জমি ক্রয় করা হয়েছে দেখানো হলেও অদ্যাবধি উপজেলা কিংবা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নথিতে কোন সংশোধন করানো হয়নি। এক্ষেত্রে প্রতিবেদক অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা ভূমি অফিস ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খোঁজ-খবর নিয়েই সংবাদ প্রকাশ করেছেন।

অতুল পাল
বাউফল প্রতিনিধি
পটুয়াখালী