অবহেলায় ধামইরহাটের জগদল মহাবিহার

আগের সংবাদ

দুর্ভোগে দুই উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ

পরের সংবাদ

পুরোদমে অনুশীলন শুরু করেছে টাইগাররা

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮ , ১:৩৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮, ১:৩৯ অপরাহ্ণ

দুয়ারে কড়া নাড়ছে এশিয়া কাপ ক্রিকেট। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে টুর্নামেন্টটির ১৪তম আসরের খেলা শুরু হচ্ছে। এবারের এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হবে মরুর দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে। সে হিসাবে কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে টাইগার ক্রিকেটারদের। তবে টাইগারদের জন্য স্বস্তির বিষয় এবারের এশিয়া কাপ হচ্ছে ওয়ানডে ফরম্যাটে, যা ক্রিকেটে বাংলাদেশের সবচেয়ে পছন্দের সংস্করণ হিসেবে পরিচিত। ২০১২ সালে খুব কাছে গিয়েও শিরোপা জিততে না পারার হতাশা এবার কাটাতে চায় বাংলাদেশ। তাই কঠোর অনুশীলন করছেন মাশরাফি-তামিমরা।

গতকাল টাইগারদের অনুশীলনে উপস্থিত ছিলেন কোচিং স্টাফের সব সদস্যই। হেড কোচ স্টিভ রোডস, ব্যাটিং কোচ নেইল ম্যাকেঞ্জি, পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ, স্পিন কোচ সুনিল যোশি ও স্ট্রেনথ এন্ড কন্ডিশনিং কোচ মারিও ভিল্লাভারায়ান উপস্থিত ছিলেন এদিন মাশরাফিদের অনুশীলনে।

স্লগ ওভারে টাইগারদের বেশ দুর্বলতা রয়েছে। এশিয়া কাপে যেন টাইগার ব্যাটসম্যানরা এই দুবর্লতা কাটিয়ে উঠতে পারেন তা নিয়ে কাজ করছেন ব্যাটিং কোচ নেইল ম্যাকেঞ্জি। দলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো পাওয়ার হিটার নেই, তবে সমস্যা সমাধানের জন্য অন্য পথ বেছে নিতে চান টাইগারদের ব্যাটিং কোচ। এ বিষয়ে ম্যাকেঞ্জি বলেন, টেকনিক্যালি আরো ভালো পজিশনে যাওয়া সম্ভব। আমরা কোনো বিভ্রমে থাকছি না।

আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানদের সঙ্গে লড়াই করছি না, ওরা যেভাবে শট খেলে ওভাবে খেলে সেভাবে শট খেলা হয়তো সম্ভব নয়। তবে স্কিল হিটিংয়ে আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় করতে পারি। বৃত্তের ভেতর চার ফিল্ডারকে টার্গেট করতে পারি, কাভারের ওপর দিয়ে বা পয়েন্ট, মিড উইকেট, শর্ট ফাইন লেগের ওপর দিয়ে শট খেলতে পারি। এ সময় তিনি আরো বলেন, বিগ হিটার যে আমাদের দলে একদমই নেই তা কিন্তু নয়। রিয়াদ সিপিএলে তার টি-টোয়েন্টি দলকে জিতিয়েছে ১১ বলে ২৮ করে।

তবে যেটি বলছিলাম, টেকনিক্যালি আমরা আরো ভালো হতে পারি। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানদের মতো স্টেডিয়াম পার করতে হবে না। এটার জন্য বাড়তি রান নেই। ছয় রানই মিলবে। সীমানা পার করলেই চলবে। তো টেকনিক্যালি আরো ভালো পজিশনে যেতে হবে। আর এজন্য মানসিকভাবে স্কিল হিটিংয়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।

ওয়েস্ট সফরে ভালো খেলার পুরস্কারটা এশিয়া কাপের দলে সুযোগ পাওয়ার মাধ্যমে পেয়েছেন পেসার আবু হায়দার রনি। গতকাল গণমাধ্যমে কথা বলেছেন তিনি। মাশরাফি, মোস্তাফিজ ও রুবেল দলে রয়েছেন। তাই মূল একাদশে সুযোগ পাওয়াটা কঠিন হবে আবু হায়দারের জন্য। কিন্তু সুযোগ পেলে তা কাজে লাগাতে চান তিনি।

গতকাল সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ম্যাচ খেলবো কিনা এখনো নিশ্চিত না, এটা টিম ম্যানেজমেন্টের ব্যাপার। এখন অনুশীলন চলছে, অনুশীলনে নিজেকে ভালোভাবে প্রস্তুত করা আমার লক্ষ্য এবং যদি সুযোগ পাই তাহলে সেটা ভালোভাবে কাজে লাগতে চাই। এ সময় বাঁ-হাতি এ পেসার আরো বলেন, বোলিংয়ে বৈচিত্র্য আনা নিয়ে কাজ করছি। কাটার আয়ত্তের চেষ্টা করছি, পাশাপাশি চেষ্টা করছি ভালোভাবে আয়ত্ত করার। এ ছাড়া ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে কোনো অংশেই বাংলাদেশের পেসাররা পিছিয়ে নেই বলেও জানান রনি।

তবে গতকাল গণমাধ্যমের আলোচনায় প্রাধান্য পেয়েছে আইসিসির পিচ পরামর্শক অ্যান্ডি অ্যাটকিনসনের ঢাকা সফর। গতকাল সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানান, কোনো সিরিজ বা টুর্নামেন্ট আসলে এ দেশে যে কয়টি আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু রয়েছে সেগুলো ঠিক করার প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। কিন্তু এটা দীর্ঘমেয়াদি কোনো সুফল আনার জন্য উপযোগী নয়। তাই স্বল্প মেয়াদি নয়, আন্তর্জাতিক মানের মাঠ তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন অ্যাটকিনসন।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা