বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানি অ্যাপল!

আগের সংবাদ

গ্যাস্ট্রাইটিস দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে

পরের সংবাদ

মেদ ভুঁড়ির হাত থেকে বাঁচার ডায়েট চার্ট

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ৬, ২০১৮ , ৪:১০ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ৬, ২০১৮, ৪:১০ অপরাহ্ণ

এখনও যদি আপনার শরীরে মেদ না জমে থাকে তাহলে এখনি শরীরের ফিটনেস বজায় রাখার জন্য এবং মেদ ভুঁড়ির হাত থেকে বাঁচার জন্য নিচের খাদ্য তালিকা অনুযায়ী খাবার গ্রহণ করুন।

প্রথমেই দেখে নিন কোন কোন খাবারগুলো আপনার প্রাত্যাহিক খাবারের তালিকা থেকে একবারে ছেঁটে ফেলতে হবে।

  • অধিক মিষ্টি যুক্ত খাবার বাদ দিতে হবে।
  • কোমল পানীয়সহ সব ধরনের তেলে ভাজা খাবার, চর্বিযুক্ত মাংস, তৈলাক্ত মাছ, বাদাম , ঘি , মাখন ইত্যাদি একেবারে পরিহার করা প্রয়োজন।

ডায়েট চার্টঃ

সকালঃ দুধ ছাড়া চা অথবা কফি, দুটো আটার রুটি, ১ বাটি সবজি সিদ্ধ, ১ বাটি শশা। মনে রাখবেন শসা ওজন কমাতে জাদুর মতো কাজ করে।

দুপুরঃ ৫০ থেকে ৭০ গ্রাম চালের ভাত। মাছ বা মুরগির ঝোল ১ বাটি। এক বাটি সবজি ও শাক, শসার সালাদ , এক বাটি ডাল এবং ২৫০ গ্রাম টক দই।

বিকালঃ দুধ ছাড়া চা বা কফি, মুড়ি বা বিস্কুট ২ টা।

রাতঃ আটার রুটি ৩ টি, এক বাটি সবুজ তরকারি , এক বাটি ডাল, টক দই দিয়ে এক বাটি সালাদ, এবং মাখন তোলা দুধ।

এবার যাদের মেদ ভুঁড়ি আছে তাদের জন্য সাধারণ কিছু নিয়ম

  • আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমিত খাবার সুষম খাবার গ্রহণ করুন। অতিরিক্ত খাদ্যাভ্যাস ত্যাগ করুন।
  • অতিরিক্ত লবণ ও চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার করুন। প্রতিদিন কিছু শাকসবজি ও ফলমুল খান।
  • ফাস্টফুড ও কোল্ড ড্রিংক পরিহার করুন। পর্যাপ্ত পরিমান বিশুদ্ধ পানি পান করুন।
  • বিভিন্ন আচার  অনুষ্ঠানে পরিবেশিত রিচ ফুড যথাসম্ভব পরিহার করুন।
  • কম দূরত্বের জায়গাগুলোতে হেটে চলাচল করুন।
  • পারতপক্ষে লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন।
  • একটানা অধিক সময় বসে কাজ করবেন না , কাজের ফাঁকে ফাঁকে উঠে দাঁড়ান এবং কিছুক্ষন পায়চারী করুন।
  • অলসতা দূর করতে সংসারের টুকিটাকি কাজ নিজেই করুন। সুযোগ থাকলে বাগান করুন, খেলা ধুলা করুন কিংবা সাঁতার কাটুন।
  • সপ্তাহে ৩-৪ দিন ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করুন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী আপনার উপযুক্ত ব্যায়াম নির্বাচন করুন। কারণ সব ব্যায়াম সবার জন্য নয়।
  • কোমরে চওড়া বেল্ট ব্যবহার করুন এতে মেদ দ্রুত বাড়তে পারবে না।
  • প্রচলিত বিজ্ঞাপনের চমকে আকৃষ্ট হয়ে দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ বা যন্ত্র ব্যবহার করতে যাবেন না। কারণ এতে আপনার অমঙ্গলের আশঙ্কাই বেশি।
  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা