আজ মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৪তম জন্মবার্ষিকী

আগের সংবাদ

টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

পরের সংবাদ

আজ ভোলায় তোফায়েলের

স্বাধীনতা জাদুঘর উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০১৮ , ১২:০০ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০১৮ , ১২:০৯ অপরাহ্ণ

ভোলায় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের স্বপ্নের স্বাধীনতা জাদুঘর আজ বৃহস্পতিবার উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। দুই দিনের সফরে গতকাল বুধবার ভোলায় এসেছেন রাষ্ট্রপতি। গতকাল তিনি এখানে জ্যাকব টাওয়ার উদ্বোধন করেছেন।

ভোলা সদর উপজেলার বাংলাবাজারে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের মায়ের নামে জাদুঘরটি করা হয়েছে। ২০১৫ সালের মার্চে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জাদুঘরটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ফাতেমা খানম কমপ্লেক্সে তোফায়েল আহমেদ ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

প্রায় এক একর জমির উপর নির্মিত জাদুঘরটির ডিজাইন করেছেন দেশের স্বনামধন্য স্থপতি ফেরদৌস আহমেদ। এ জাদুঘরটির মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।

এখানে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস, ৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২ সালের ছাত্র আন্দোলন, ৬৬ সালের ছয় দফা, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০ এর নির্বাচন, ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে। ভিডিও আকারেও দর্শনার্থীরা তা উপভোগ করতে পারেবেন। রয়েছে ঐতিহাসিক বিভিন্ন দুর্লভ ছবি। মূলত একটি মহৎ উদ্দেশ্য নিয়েই জাদুঘরটি স্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

তোফায়েল আহমেদ ট্রাস্ট্রি বোর্ডের মহাসচিব মইনুল হোসেন বিপ্লব বলেন, তিন তলা বিশিষ্ট জাদুঘরটির প্রথম তলায় প্রদর্শনীর জন্য থাকছে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারাবিহকতায় বঙ্গভঙ্গ, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, দেশ ভাগ ও ৫২ এর ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস। দ্বিতীয় তলাকে সাজানো হয়েছে ভাষা আন্দোলনের পথ বেয়ে স্বাধীনতার ইতিহাসের আলোকে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক-বাহিনীর আত্মসমর্পণসহ সব লড়াই সংগ্রামের ইতিহাসে। এছাড়া তৃতীয় তলায় রয়েছে স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন, সংগ্রাম ও অর্জনের কালের সাক্ষী, জাতির পিতার ঘনিষ্ঠ সহচর জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদের সংগ্রামী অভিযাত্রার কথা।

স্বাধীনতা জাদুঘর সূত্র জানায়, এই জাদুঘরে এসে দর্শনার্থীরা মুক্তিযুদ্ধের বই পড়ার সুযোগ পাবে। নিয়মিত মুক্তিযুদ্ধের চলচিত্র প্রদর্শন ও সেমিনারের আয়োজন করার জন্য রয়েছে অডিও ভিজ্যুয়াল সুবিধাসহ একটি আধুনিক অডিটোরিয়াম। মুক্তিযুদ্ধের একটি আর্কাইভ থাকবে। যার কাজ এখনো চলমান রয়েছে। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশের লক্ষ্যে জনগণকে সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে জাদুঘর সংশ্লিষ্টরা। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি জাদুঘরটি উদ্বোধনের পরেই সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে স্বাধীনতা জাদুঘর।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়