যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সামরিক নির্ভরশীলতা কমানোর সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

আগের সংবাদ

চীনকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাবে ভারত

পরের সংবাদ

বিএসএমএমইউর প্রকল্প বাস্তবায়নে সন্তুষ্ট স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১০, ২০১৮ , ৯:৩৩ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০১৮ , ৯:৩৩ অপরাহ্ণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বিএসএমএমইউ) সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণতকরণের দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকল্পের কার্যক্রম শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে।

এ প্রকল্পের আওয়তায় ইতোমধ্যে কেবিন ব্লকের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, পাঁচতলা পর্যন্ত দুটি সর্বাধুনিক বহির্বিভাগ নির্মাণ, পাঁচতলা বিশিষ্ট ডক্টরস ডরমেটরি নির্মাণ, সর্বাধুনিক মেডিক্যাল কনভেনশন সেন্টার এবং পাঁচতলা বিশিষ্ট অনকোলজি ভবন নির্মাণ কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। শুধু বর্জ্য অপসারণ প্ল্যান্টের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ কার্যক্রমও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

বুধবার বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এ প্রকল্পের আওতাধীন হোটেল শেরাটনের বিপরীতে অবস্থিত আন্তর্জাতিক মানের মেডিক্যাল কনভেনশন সেন্টার পরিদর্শন করেন। সব কিছু দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম যথাসময়ে আন্তর্জাতিক মানের মেডিক্যাল কনভেনশন সেন্টার সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আশা করি, আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কনভেনশন সেন্টারটির উদ্বোধন করবেন। এ ধরনের একটি মেডিক্যাল মেডিক্যাল কনভেনশন সেন্টারের খুবই প্রয়োজন ছিল। বিভিন্ন সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়ামে যোগ দিতে প্রতিনিয়ত বিদেশিরা আসছেন। তাদের জন্যও এটা কাজে লাগবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত আন্তরিক। বাংলাদেশ সরকার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও কোরিয়ান সরকারের অর্থায়নে বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে মাল্টি ডিসিপ্লিনারি অ্যান্ড সুপার স্পেশালাইজড হসপিটাল। এর লক্ষ্য হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করার সাথে সাথে স্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করা।

এর আগে বিকেল ৪টায় মন্ত্রী সর্বাধুনিক মেডিক্যাল কনভেনশন সেন্টারে পৌঁছালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান মন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

মেডিক্যাল কনভেনশন সেন্টারের বিষয়ে বিস্তারিত মন্ত্রীকে অবহিত করেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ও সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণতকরণ দ্বিতীয় পর্যায় প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু নাসার রিজভী।

এ প্রকল্প ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে শুরু হয়েছে। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। নির্ধারিত সময়েই এ প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় হলো ৫২৫ কোটি ৫৭ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। এর মধ্যে গত বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই প্রায় ২০ টাকা সাশ্রয় সাপেক্ষে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ব্লকের নীচে স্থাপিত জাতির জনকের ম্যুরালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানের নেতৃত্বে শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, কর্মকর্তা, নার্স, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট ও কর্মচারীরা পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়