তারকাদের শোকগাথা

আগের সংবাদ

চুক্তিতে কোন সময়সীমা উল্লেখ নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পরের সংবাদ

যেভাবে হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে পরিচয়

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ২৫, ২০১৭ , ১:০৬ অপরাহ্ণ

 

নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি। হুমায়ূন আহমেদ হাসন রাজার গান নিয়ে কাজ করছিলেন। একদিন সাসটেইন স্টুডিওতে রেকর্ডিংয়ের সময় বিদ্যুৎ চলে যায়। ওইদিন বংশীবাদক হিসেবে ছিলেন বারী সিদ্দিকী। বিদ্যুৎ চলে গেলে সহশিল্পীরা বারী সিদ্দিকীকে গান গাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। পরপর কয়েকটি বিচ্ছেদ গান গেয়েছিলেন তিনি। গান শুনে মুগ্ধ হন হুমায়ূন আহমেদ। তারপর হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনে আমন্ত্রণ জানানো হয় তাকে। বারী সিদ্দিকীকে দু’একটা বিচ্ছেদ গান গাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। সেই রাতে ধানমন্ডিতে হুমায়ূন আহমেদের বাসায় বসার ঘরে ৩৫টা গান গেয়েছিলেন তিনি।

১৯৯৫ সালে হুমায়ূন আহমেদের ‘রঙের বাড়ই’ নামের একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে জনসমক্ষে প্রথম সঙ্গীত পরিবেশন করেন তিনি। এর চার বছর পর হুমায়ূন আহমেদের ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ছবিটি মুক্তি পায়। ওই ছবিতে বারী সিদ্দিকী ছয়টি গানে কণ্ঠ দেন। গানগুলো হলো- শুয়াচান পাখি, পুবালি বাতাসে, আমার গায়ে যত দুঃখ সয়, ওলো ভাবিজান নাও বাওয়া, কেহ গরিব অর্থের জন্যে ও মানুষ ধরো মানুষ ভজো। এরপর আরো সিনেমায় প্লে-ব্যাক করেন বারী সিদ্দিকী। নিয়মিত বিরতিতে প্রকাশ হয় অ্যালবাম। হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে পরিচয় ও গায়ক হয়ে উঠা প্রসঙ্গে তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, কিংবদন্তি লেখকের জোরাজুরিতে গায়ক হয়ে উঠেছেন। তার ভাষ্যে, ‘১৯৯৫ সালের দিকে হুমায়ূন সাহেবের একটি অনুষ্ঠানে সরাসরি গান করেছিলাম। সেটা উনার খুব মনে ধরেছিল। সেজন্য বারবার বলছিলেন ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ছবিতে আমাকে গাইতে হবে। আমি না করছিলাম। এক পর্যায়ে তিনি বলে উঠলেন- আপনি গান না গাইলে সব রেকর্ড আমি বাতিল করে দেব। বাধ্য হয়েই গাইলাম। সেখানেই আমার প্রথম গানের রেকর্ড হয়। বাকিটুকু ইতিহাস।’