স্বল্প সুদে ঋণ দিতে পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন

আগের সংবাদ

শেয়ারবাজারে মূল্য সূচক বৃদ্ধি অব্যাহত

পরের সংবাদ

কথায় কথায় চোখে জল-রয়েছে বিশেষ গুণ

প্রকাশিত: নভেম্বর ১৯, ২০১৭ , ৪:০২ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ১৯, ২০১৭ , ৪:০২ অপরাহ্ণ

এক কথায় এঁরা খুবই সংবেদনশীল এবং আবেগপ্রবণ হন। কিন্তু সমাজের বড় অংশটাই এঁদের দুর্বল বলে মনে করে। মনোবিদরা আবার অন্যরকম মনে করেন।

মানুষ মাত্রই তাঁর অনুভূতি ও আবেগ থাকা স্বাভাবিক। কারওর বেশি থাকে, কারও বা কম। কেউ আবার আবেগপ্রবণ হলেও তা সবার সামনে প্রকাশ করতে পারেন না। আবার অনেকেই আছেন, যাঁদের অন্যের দুঃখ দেখেও চোখে জল আসে। এক কথায় এঁরা খুবই সংবেদনশীল এবং আবেগপ্রবণ হন। কিন্তু সমাজের বড় অংশটাই এঁদের দুর্বল বলে মনে করে।

মনোবিদরা আবার অন্যরকম মনে করেন। এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি একটি গবেষণার মাধ্যমে মনোবিদরা জানতে পেরেছেন, যাঁরা অতিরিক্ত মাত্রায় কাঁদেন তাঁদের মধ্যে কয়েকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকে।

• মনের মধ্যে কোনও কষ্ট জমে থাকলে তা খুবই ক্ষতিকারক। উল্টোদিকে যারা কেঁদে নিজের কষ্ট বের করে ফেলতে পারেন, তাঁদের পক্ষে সেই কষ্ট থেকে বেরিয়ে আসাও তুলনামূলক ভাবে সহজ। জীবনে বড় কোনও ধাক্কা খাওয়ার পরে মুহূর্তের জন্য কাঁদলেও, এরা সেই কষ্ট থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন সহজে।

• অনেকের ধারণা যারা কাঁদেন তারা ভীতু হন। কিন্তু মনোবিদরা উলটো মনে করেন। তাঁদের মতে, যারা কাঁদেন, তারা সাহসী হন। নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে তারা ভয় পান না। অনেকে কান্না চেপে রাখেন নিজেকে দুর্বল হিসেবে লোকের সামনে দেখাতে চান না তাই। কিন্তু যারা সমস্ত দুঃখ-কষ্টকে মেনে নিয়ে কাঁদতে ভয় বা লজ্জ্বা পান না তারাই সাহসী।

• যারা বেশি কাঁদেন তারা জীবনে সমতা বজায় রাখতে সক্ষম হন। এরা জানেন কেঁদে মনের ভার হালকা করলে জীবনের পথে চলতে তাদের সুবিধাই হবে। উল্টোদিকে যারা না কেঁদে, কষ্ট ভিতরে আটকে রাখেন তাদের মাথায় ও জীবনে সেই কষ্ট বেশি প্রভাব ফেলে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়