টমেটো ও পুদিনা পাতায় রূপচর্চা

আগের সংবাদ

জিয়াউর রহমান দেশে রাজাকার আমদানি ও পুনর্বাসনের কাজ করেছেন : ইনু

পরের সংবাদ

সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে সম্মেলনের আহ্বান বিএনএফের

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৭, ২০১৭ , ২:৪০ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০১৭ , ৫:২৬ অপরাহ্ণ

আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব গুলো রাজনৈতিক দলকে নিয়ে একটি জাতীয় সম্মেলনের আহ্বান করতে উদ্যোগী হবার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনালিষ্ট ফ্রন্ট– বিএনএফের প্রেসিডেন্ট আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেছেন, আমরা এই নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নির্বাচন চাই। কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হলে সব গুলো রাজনৈতিক দলের সদিচ্ছা প্রয়োজন। সেজন্য সংলাপে আমরা নির্বাচন কমিশনকে সব গুলো দল নিয়ে একটি সম্মেলন করার দায়িত্ব নেবার আহ্বান জানিয়েছিলাম। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, ‘ আপনি বিএনেএফের প্রধান হিসেবে এ দায়িত্বটি নিন’। আমি সে কথায় সম্মত হয়ে সব গুলো রাজনৈতিক দলকে সম্মেলনের জন্য আহ্বান জানাতে চাই।তবে কবে নাগাদ এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে তার নির্দ্দিষ্ট কোন সময় তিনি জানাতে পারেন নি।
মঙ্গলবাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসি ভবনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব প্রস্তাবনা দেয় দলটি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে বৈঠকে অন্যান্য কমিশনাররা ছাড়াও ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে দলটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এমপির নেতৃত্বে ২৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন। এ নিয়ে ৩৬টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করল ইসি।
বৈঠক শেষে দলটির সভাপতি সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনকালীন একটি সরকার থাকবে সেটা হবে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর আলোকে। পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী সংসদ বহাল রেখে দশম সংসদের প্রতিনিধিত্বকারী দলসমূহকে নিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে। সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নবম সংসদের সংসদ সদস্যদের মধ্য হতে এক দশমাংশ টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে প্রধা্নমন্ত্রী নিয়োগ দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বর্তমান সরকারের সাথে রাজনৈতিক দলগুলো সংলাপের প্রস্তাব করেছি।
তিনি বলেন, আমরা বিএনপির কথাও বলেছি।দলটি দশম সংসদের বাইরে থাকায় তিনি বলেন, এদেরকে নির্বাচনকালীন সরকারে অন্তর্ভূক্ত করা যেতে পারে। তবে সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই না। ইসির অধীনে নির্বাচন হবে। তখনকার সময়ের নির্বাচনী সরকার নির্বাহী কাজে সহযোগিতা করবে।
নির্বাচনে সেনামোতায়েনের বিপক্ষে মত দিয়ে তিনি বলেন, সব কাজে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা ঠিক হবে না, কেননা সব ব্যাপারে সামরিক বাহিনীকে জড়ানোয় তাদের পেশাদারিত্ব নষ্ট হচ্ছে বলে জানান আবুল কালাম আজাদ।
লিখিত প্রস্তাবণা সূত্রে জানা যায়, দলটির ৫টি প্রস্তাবণার মধ্যে রয়েছে- নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রতিশোধের রাজনীতির পরিবর্তে সমঝোতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে, সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে বাৎসরিক আর্থিক সহযোগিতা ( থোক বরাদ্দ) দিতে কমিশনকে উদ্যোগ নেয়া, নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে অভিন্ন পোষ্টার, মঞ্চ ব্যবস্থা করা এবং ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট সবার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা। আগামীকাল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপে বসবে ইসি।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে ইসি। ২৪ অগাস্ট থেকে দলগুলোর সঙ্গে মত বিনিময় শুরু হয়েছে।এরই ধারবাহিকতায় এই বৈঠক হয়। ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ১৬ ও ১৭ অগাস্ট গণমাধ্যম প্রতিনিধির সঙ্গে মত বিনিময় করে ইসি।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়