বদলে যাওয়া সময়ে

রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২০

সংকটকালীন সময়ে কোনো কিছু বাস্তবায়নে প্রয়োজন একটি সঠিক দিক নির্দেশনা ও নেতৃত্ব!

এস এম নাজমুল আহসান

সিনিয়র ম্যানেজার (সিএসআর)

ইপিলিয়ন গ্রুপ

করোনা সংকট মোকাবেলায় রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইপিলিয়ন গ্রুপ বেশ তৎপর?

ইপিলিয়ন গ্রুপ এর সিএসআর কার্যক্রম মূলত: ইপিলিয়ন ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে হয়ে থাকে। তাইতো সামাজিক দায়বোধ থেকে করোনা প্রতিরোধে প্রথমেই ইপিলিয়ন ফাউন্ডেশন পাশে দাড়িয়েছে দেশের সেসকল হাসপাতালগুলোর যেখানে করোনার চিকিৎসা চলছে। পিপিই, ইনফ্রারেড থার্মোমিটার, কেএন ৯৫ মাস্কসহ প্রয়োজনীয় ৭০ হাজার ইকুইপমেন্ট আনা হয়েছে করোনা প্রতিরোধে। ঢাকা ছাড়াও পিপিই সরবরাহ করা হচ্ছে বিভিন্ন জেলার চিকিৎসাকেন্দ্র গুলোতে। নির্ধারিত হাসপাতালের চিকিৎসকদের পাশাপাশি পিপিই সরবরাহ করা হয়েছে মিডিয়া ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ব্যক্তিবর্গকে। পাশাপাশি জনসমাবেশ এড়িয়ে বঞ্চিত, দিনমজুর, নি¤œআয়ের অতি দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে খাদ্য সামগ্রী তাদের ঘরের দরজায় পৌঁছে দিয়ে। এছাড়াও সমমনা সেবাদানকারী স্বেচ্ছাসেবক প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে একযোগে জনগণকে সচেতন করার জন্য বাংলাদেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ইপিলিয়ন ফাউন্ডেশন বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও সুবিধাবঞ্চিতদের খাদ্য বিতরণের কাজ করে যাচ্ছে।

তবে যৌথভাবে যে কাজ গুলো করছেন সেগুলি কী ?

ইপিলিয়ন ফাউন্ডেশন পুরো বাংলাদেশকে মাথায় রেখেই উদ্যোগগুলো গ্রহন করছে। যৌথভাবে সিএসআর উইন্ডো বাংলাদেশ, বিদ্যানন্দো ফাউন্ডেশন, হুইলচেয়ার ক্রিকেট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন বাংলাদেশ ছাড়াও নারায়ণগঞ্জের সিটি করপোরেশনের সাথে এক যোগে কাজ করছে। এছাড়াও জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জনদের উপদেশ নিয়ে উপজেলাসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে কিভাবে ডাক্তারদের সহযোগিতা করা যায় তার কাজ চলছে।

সার্বিক পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবিলায় আপনাদের মাঠ পর্যায়ের মূল্যায়ন তাহলে কেমন?

সংকটকালীন সময়ে কোনো কিছু বাস্তবায়নে প্রয়োজন একটি সঠিক দিক নির্দেশনা ও নেতৃত্ব! ইপিলিয়ন এর মজবুত লিডারশীপের পিছনে আছেন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন আল-মামুন। আমরা তার নির্দেশনায় করোনা মোকাবেলায় নিজেদের মতো চেষ্ঠা করে যাচ্ছি। তবে, আমি মনে করি সরকারি, বেসরকারি কিংবা সেচ্ছাসেবক যারা মাঠে আছেন তাদের দরকার সঠিক ও দূরদর্শী নেতৃত্বের। পাশাপাশি কমিউনিটি ক্লিনিক লেভেলে করোনার নমুনা সংগ্রহ নিয়ে কাজ করা গেলে শনাক্ত করার প্রক্রিয়া সহজ হবে। এসংকটে দিনমজুর মানুষের দোড়গোড়ায় সুষ্ঠভাবে খাবার পৌঁছানোও দরকার। দেশজুড়ে বেসরকারি হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা ব্যবস্থা বাড়ানো দরকার। দরকার সচেতনতা। মূলত: করোনা মানুষের সামগ্রিক যাপিতজীবনে প্রভাব ফেলছে। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে সকল পেশাজীবি মানুষ। তাই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন সেক্টরে কাজের গতিশীলতা বজায় রাখতে হবে। বদলে যাওয়া সময়ে সমাজের প্রতিটি সেক্টরের অগ্রজদের এগিয়ে আসতে হবে। সঠিক পরিকল্পনা বিন্যাসে বিস্তৃত করতে হবে মানুষের পাশে দাড়ানোর প্রত্যয়।

:: সুমাইয়া আহমেদ

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj