ব্রিটেনে সারাবছর ধরে বিধিনিষেধ বহাল : বিশ্বে আক্রান্ত ২৬ লাখ, মৃত ১ লাখ ৮৬ হাজার

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২০

কাগজ ডেস্ক : কোভিড-১৯ এর বিপদ মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের চলতি বছরের বাকি সময়েও নানান সামাজিক বিধিনিষেধ ও নিয়ম-কানুনের বেড়াজালে থাকতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন সরকারের প্রধান চিকিৎসা উপদেষ্টা। জীবনযাপন শিগগিরই আগের মতো স্বাভাবিক হবে, এমনটা আশা করা ‘একেবারেই অবাস্তব’ হবে বলেও মন্তব্য করেছেন অধ্যাপক ক্রিস উইটি।

কার্যকরী কোনো টিকা কিংবা কোভিড-১৯ সারানোর সুনির্দিষ্ট ওষুধ আবিষ্কারই দীর্ঘমেয়াদে প্রাণঘাতী এ ভাইরাস মোকাবিলার সেরা উপায় বলে জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছেন, আগামী বছরের আগে এগুলো পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তিনি বলেন, এই রোগটি নির্মূল হবে না, এটি বিলুপ্ত হবে না। আমাদের মেনে নিতে হবে, আমরা এমন একটি রোগ নিয়ে কাজ করছি, এটিকে সঙ্গে নিয়েই বিশ^ব্যাপী আমাদের চলতে হচ্ছে, প্রত্যাশিত ভবিষ্যতের আশায়। হালনাগাদ তথ্যে যুক্তরাজ্যের হাসপাতালগুলোতে কোভিড-১৯ রোগে আরো ৭৫৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সবমিলিয়ে দেশটিতে নতুন করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ১০০ জনেরও বেশি। এ সময়ে বিশে^ আক্রান্তের সংখ্যা উঠেছে ২৬ লাখ ৫৮ হাজারে। এর মধ্যে মারা গেছেন ১ লাখ ৮৬ হাজার। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন প্রায় সাড়ে ৭ লাখ মানুষ।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে এ সময়ে আক্রান্ত সাড়ে ৮ লাখে উঠেছে, মারা গেছেন প্রায় ৪৮ হাজার। স্পেনে আক্রান্ত ২ লাখ ১৩ হাজার, মারা গেছেন ২২ হাজারের বেশি। ইতালিতে আক্রান্ত ১ লাখ ৮৭ হাজার, মারা গেছেন ২৫ হাজারের বেশি। ফ্রান্সে আক্রান্ত ১ লাখ ৬৫ হাজার, মারা গেছেন ২১ হাজারের বেশি। জার্মানিতে আক্রান্ত দেড় লাখ, মারা গেছেন ৫ হাজারের বেশি। তুরস্কে আক্রান্ত প্রায় ১ লাখ, মারা গেছেন আড়াই হাজারের মতো। ইরানে আক্রান্ত ৮৭ হাজার এবং মারা গেছেন প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মানুষ। এছাড়া রাশিয়াতে ৬৩ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন ৫ হাজার ৫৫ জন। ব্রাজিলে ৪৬ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন প্রায় ৩ হাজার। বেলজিয়ামে ৪৩ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন প্রায় সাড়ে ৬ হাজার। কানাডায় ৪০ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন প্রায় ২ হাজার। নেদারল্যান্ডসে ৩৬ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন ৪ হাজারের বেশি। সুইজারল্যান্ডে ২৮ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন প্রায় দেড় হাজার। পর্তুগালে ২২ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন ৭৮৫ জন। ভারতে ২২ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন ৬৮১ জন। পেরুতে ২০ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন ৫৩০ জন। সুইডেনে ১৬ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন ২ হাজার। আয়ারল্যান্ডে ১৭ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন ৭৬৯ জন। অস্ট্রিয়ায় ১৫ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন ৫২২ জন। ইসরায়েলে ১৫ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন ১৯১ জন। সৌদি আরবে ১৩ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন ১১৪ জন। জাপানে ১২ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন ৩০০ জন। ইকুয়েডরে ১১ হাজার আক্রান্তে মারা গেছেন ৫৩৭ জন।

প্রথম পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj