উচ্চ রক্তচাপে ও হৃদরোগে ‘কোভিড ১৯’ সংক্রমণ

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০

অধ্যাপক ডা. লিয়াকত হোসেন তপন

বিশ^জুড়ে সংক্রমিত করোনা বা ‘কোভিড ১৯’ সর্বাগ্রাসী রূপ ধারণ করেছে। আধুনিক জ্ঞান, বিজ্ঞান, অর্থ ভাণ্ডার বা পারমাণবিক অস্ত্র কোনো কিছুই একটি ক্ষুদ্র জঘঅ ভাইরাসের ধ্বংসাত্মক অগ্রযাত্রা বন্ধ করতে পারেনি। তাই এ ভাইরাসকে প্রতিহত করাই এখন উত্তম। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে (যেমন সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, মাস্ক পরা, চোখ/নাক/মুখ স্পর্শ না করা ইত্যাদি) আমরা এই ভাইরাসকে ধ্বংস করতে পারি। যাদের উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগ (ইসকেমিক বা কেইলর) রয়েছে তাদের এসব রোগ জটিল হতে পারে। আবার নতুন করেও উচ্চ রক্তচাপ, হৃদযন্ত্রের প্রদাহ, ইসকেমিন হাট ভিজিজ (অক্সিজেন স্বল্পতা), হার্ট ফেইলর কিংবা অনিয়ন্ত্রিত হৃদস্পন্দন বা এরিদমিয়া হতে পারে।

যারা উচ্চ রক্তচাপের রোগী তাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ চালিয়ে যেতে হবে। উচ্চ রক্তচাপের রোগী ‘কোভিড ১৯’ এ সংক্রমণের পর চঈজ পজিটিভ হলে কিছু ওষুধ (এসিইই/এআরবি) চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে পরিবর্তন করতে হবে।

রোগীদের করণীয়-

১. উচ্চ রক্তচাপ এবং/অথবা হৃদরোগের ওষুধ চালিয়ে যেতে হবে।

২. ফোন অথবা ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বীয় চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে।

৩. কমপক্ষে ১৫ দিনের ওষুধ বাড়িতে মজুদ রাখতে হবে।

৪. সবসময় বাড়িতে থাকতে হবে, সর্বাবস্থায় দৈহিক/সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৫. করোনা প্রতিরোধের সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।

৬. মানসিক দুশ্চিন্তা পরিহারের জন্য ঞঠ, ওহঃবৎহবঃ, মোবাইল ব্যবহার বা লেখালেখি করা যেতে পারে।

৭. বাড়িতেই রক্তচাপ মাপার ব্যবস্থা করতে হবে।

৮. স্বীয় ধর্মীয় নিয়মনীতি পালন করতে হবে।

শেষকথা-

উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগীদের সমস্যা “ঈঙঠওউ-১৯” সংক্রমণের জন্য বেড়ে যেতে পারে, আবার নতুন করেও হতে পারে। তাই এই সংক্রমণ প্রতিহত করতে হবে। বাড়িতে অবস্থান করে নিয়ম মেনে চলতে হবে। মনে রাখতে হবে চৎবাবহঃরড়হ রং ঃযব নবংঃ ধিু.

অধ্যক্ষ

শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ, গোপালগঞ্জ

কনসালটেন্ট, মেডিনোভা মেডিকেল ডায়াগনস্টিক সেন্টার,

উত্তরা শাখা, ঢাকা।

পরামর্শ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj