একটু হাসো

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২০

সদ্য গ্রাম থেকে আসা এক ভিক্ষুক গত বছর পহেলা বৈশাখে ভিক্ষা করতে গিয়েছিল রমনা বটমূলে। শহরে প্রথমবার আসায় নববর্ষের ঐতিহ্য সম্পর্কে তার কোনো ধারণাই ছিল না। পান্তা চত্বরে গিয়ে তো তার চক্ষু চড়কগাছ! সবাইকে গণহারে পান্তা খেতে দেখে সে ভাবতে লাগল, ‘আমি শহরে এলাম আচ্ছামতো ভিক্ষা করতে আর শহরে কিনা আকাল পড়ল!’ তো সেখানের এক ভদ্রলোকের সঙ্গে তার কথোপকথন :

ভিক্ষুক : (কৌত‚হলে) স্যার, আপনেরা সব্বাই পান্তা খাইতাছেন কেন? শহরে আকাল লাগল নাকি!

ভদ্রলোক : (ক্রুদ্ধ হয়ে) এখানের কেউ ফকির হয়নি। আমরা আমাদের পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য ভুলে যাইনি, তাই…

ভিক্ষুক : (খুশি হয়ে) বুচ্ছি স্যার, আপনেরা বড়লোক হইলেও আপনেগো বাপ-দাদারা আমগোর মতো ফকিন্নি আছিল!

২.

১ম বন্ধু : দোস্ত, গলায়, কাঁটা বিঁধছে।

২য় বন্ধু : ক্যামনে?

১ম বন্ধু : পান্তা আর ইলিশ একসঙ্গে গিলছিলাম। তো পান্তা পেটে গেছে। আর মাছের কাঁটা গলায় আটকে গেছে। এখন কী করব?

২য় বন্ধু : একটা বিড়াল খেয়ে ফ্যাল, ও সব কাঁটা খেয়ে ফেলবে!

৩.

পহেলা বৈশাখের দিন বাসার বাইরে ভিক্ষুক দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে এলাকার দানবীর রহিম সাহেব এগিয়ে গেলেন। ভিক্ষুক কাঁচুমাঁচু মুখে বলল, ‘আজ আনন্দের দিন, একটু পান্তা ভাত দিবেন। দুই দিন না খায়া আছি।’

রহিম সাহেবের বাসায় আবার দামের চোটে পান্তা-ইলিশ নাই। তাই তিনি লজ্জিত মুখে বললেন, ‘এই ধরো পঞ্চাশ টাকা। হাফ প্লেট বিরিয়ানি খেয়ে নিও। পান্তা খাওয়ানোর সামর্থ্য আমার নাই।’

৪.

প্রথম বন্ধু : আচ্ছা, পহেলা বৈশাখ আমরা জানি কত তারিখে পালন করি, মনেই করতে পারছি না। তোর মনে আছে?

দ্বিতীয় বন্ধু : ইসস এটা তো আমি জানতাম। কিন্তু এখন মনে পড়ছে না। ইংরেজি কী মাসের কয় তারিখ যেন সেদিন…

৫.

মাছ বাজারে গিয়ে ক্রেতা : ইলিশ মাছের জোড়া কত?

বিক্রেতা : স্যার মাত্র তিন হাজার টাকা।

ক্রেতা : হাজার টাকায় দিবা? ওই দেখো, তোমার দাম শুইন্না মাছ তো হার্ট ফেল করল।

বিক্রেতা : স্যার, মাছ হার্ট ফেল করছে কথা সত্য। তয় আমার চাওয়া দাম শুইন্না না, আপনারটা শুইন্না।

ইষ্টিকুটুম'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj