করোনা ছাড়াও দরকার ডিজিটাল শিক্ষা

রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২০


এখন যেটি করোনা শিখিয়েছে সেটি সরাসরি প্রয়োগ করেছিলাম আমরা সেই ২০১৫ সালে। ২০১৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর নেত্রকোনার পূর্বধলার আরবান একাডেমির প্রথম শ্রেণির ৩৯ জন শিশুর হাতে আট ইঞ্চি আকারের ৫০০ গ্রাম ওজনের ট্যাব তুলে দিয়েছিলাম। ওরা তাদের পাঠ্যবই সেই ট্যাবেই পায়। স্কুল ব্যাগটাতে ভারী ওজনের বই তাদের বহন করতে হয় না। এক বছরের শেষ প্রান্তে ২০১৬ সালের নভেম্বরে আমরা স্কুলটির কর্তৃপক্ষ থেকে একটি প্রতিবেদন পেলাম। সেটি থেকে ধারণা নেয়া যেতে পারে যে, আমরা ব্যাগ ও কাগজবিহীন শিক্ষাব্যবস্থা চালু করতে পারছি কিনা। শিক্ষায় এর প্রভাব কেমন সেটিও তারা প্রকাশ করেছেন।

“প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক শিক্ষায় জ্ঞানসমৃদ্ধ সমাজ বিনির্মাণের অঙ্গীকার নিয়ে ২০১১ সালে নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলায় সম্পূর্ণ বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় নতুন ধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আরবান একাডেমি। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে শুরু থেকেই আরবান একাডেমি সরকার নির্ধারিত কারিকুলামের পাশাপাশি প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক শিক্ষার বিভিন্ন উপকরণ যেমন প্রজেক্টর ও শিক্ষামূলক কনটেন্ট ব্যবহার করে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

প্রাথমিক শিক্ষায় পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ হিসেবে বিজয় ডিজিটালের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও কারিগরি সহায়তায় আরবান একাডেমি ২০১৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম শ্রেণির ৪০ জন শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেয় শিক্ষার অন্যতম আধুনিক উপকরণ মিনি ল্যাপটপ বা ট্যাব। প্রথম শ্রেণিতে বিজয় ডিজিটালের বিষয়ভিত্তিক কনটেন্ট বিজয় প্রাথমিক শিক্ষা-১-এর সহায়তায় ক্লাস পরিচালনা করা হয়ে থাকে। ক্লাসে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে রয়েছে কনটেন্ট সমৃদ্ধ মিনি ল্যাপটপ ও কনটেন্ট উপস্থাপনায় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের জন্য রয়েছে বৃহৎ আকারের ৪০ ইঞ্চি মনিটর ও ল্যাপটপ। ২০১৭ সালের শুরুতে পুরো এক বছরের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে আরবান একাডেমি একটি প্রতিবেদন পেশ করেছে। সেই প্রতিবেদনটির দিকে তাকানো যায়।

“প্রাথমিক শিক্ষায় পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ক্লাসরুম : আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রচলনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। প্রচলিত ও গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ভিন্ন আঙ্গিকে এটা বাস্তবায়ন যেমন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্দোলিত এবং উৎসাহিত করে ঠিক তেমনি এর সফল বাস্তবায়নেও রয়েছে অনেক চ্যালেঞ্জ। আরবান একাডেমির প্রথম শ্রেণির ডিজিটাল ক্লাস পরিচালনার ফলে সবল দিক ও চ্যালেঞ্জসমূহ পর্যালোচনা করে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ নি¤েœ উপস্থাপন করা হলো।

ডিজিটাল শিক্ষার ইতিবাচক দিক : আরবান একাডেমি নিজস্ব উদ্যোগে প্রথম শ্রেণিতে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ক্লাস চালুর ফলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে বেশ কিছু সুবিধার ক্ষেত্র তৈরি হয় যা শিক্ষার সার্বিক মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ডিজিটাল ক্লাস পরিচালনার অভিজ্ঞতায় বিভিন্ন পর্যায়ে এর সবল দিকসমূহ নি¤েœ উপস্থাপন করা হলো।

ক) শিক্ষার্থী পর্যায়ে : ১) অডিও এবং ভিডিও কার্টুন/অ্যানিমেশন সমৃদ্ধ কনটেন্টের সহায়তায় পাঠ উপস্থাপনের ফলে প্রত্যেকটি ক্লাস শিক্ষার্থীদের কাছে বেশ আকর্ষণীয় হয় যাতে করে শিক্ষার্থীরা পাঠে অধিকতর মনোযোগী হচ্ছে। ২) নানান ধরনের মজাদার কনটেন্টের সহায়তায় পাঠ উপস্থাপন করায় ডিজিটাল ক্লাসে উপস্থিতি সাধারণ ক্লাসের চেয়ে অনেক বেশি হয়। ৩) শিক্ষার্থীরা সহজেই প্রাথমিক পর্যায়ের সাধারণ উপকরণ বিষয়ে ধারণা ও ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করতে পারছে। ৪) প্রাথমিক স্তরেই শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ভীতি কমে যাচ্ছে। ৫) সহজেই শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিবিষয়ক নিত্যনতুন ধারণা লাভ করতে পারছে। ৬) সহজবোধ্য কনটেন্টের সহায়তায় শিক্ষার্থীরা অল্প সময়েই পাঠ আয়ত্ত করতে পারে। ৭) শিক্ষক-শিক্ষার্থী মিলে শ্রেণিকক্ষে সব সময় এক আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করে। ৮) শিক্ষার্থীদের সহজেই বাড়ির কাজ, সুন্দর হাতের লেখা ও অন্যান্য সহপাঠ ক্রমিক কাজে উদ্বুদ্ধ করা যায়। ৯) সহজেই শিক্ষক শ্রেণিকক্ষের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারেন। ১০) স্বল্প সময়েই শিক্ষার্থীদের বর্ণ ও শব্দের সঠিক উচ্চারণ এবং শুদ্ধ ভাষায় কথা বলানো শেখানো যায়। ১১) শিক্ষার্থীদের মাঝে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়। ১২) সমভাবে ও অল্পসময়ে পাঠ/বিষয়বস্তু সব শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে যায়। ১৩) শিক্ষার্থীরা নিজেদের মূল্যায়ন নিজেরাই করতে পারে। ১৪) শিক্ষার্থীরা ভিশনারি হচ্ছে। ১৫) সাধারণ ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের শিক্ষার্থীরা অধিকতর মানসম্পন্ন শিক্ষালাভের সুযোগ পাচ্ছে। ১৬) সাধারণ শিক্ষার্থীরাও অল্প সময়ে জড়তাহীনভাবে পাঠ গ্রহণে মনোযোগী হচ্ছে। ১৭) সব কারিকুলাম সহজে বহনযোগ্য। ১৮) শ্রেণি উপযোগী প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত শিক্ষামূলক কনটেন্ট সংগ্রহে রাখা যাচ্ছে। ১৯) ছোট ছোট ইংরেজি শব্দ বলার অভ্যাস বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০) শিক্ষামূলক গেমসের মাধ্যমে মেধাবিকাশের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ২১) অপ্রয়োজনীয় ও বিপথগামী হতে পারে এমন গেইমস থেকে শিক্ষার্থীদের সঠিক পথে রাখার অভ্যাস গড়ে উঠছে।

খ) শিক্ষক পর্যায়ে : ১) শিক্ষক সহজেই বিষয়বস্তু সব শিক্ষার্থীর কাছে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারেন। ২) শিক্ষকরা অধিকহারে প্রাসঙ্গিক উদাহরণ দিয়ে ক্লাস পরিচালনা করতে পারেন। ৩) শিক্ষার্থীর মাঝে প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি করতে পারেন। ৪) সমভাবে ও অল্পসময়ে পাঠ/বিষয়বস্তু শিক্ষার্থীর মাঝে পৌঁছানো যায়। ৫) শিক্ষকদের পাঠ উপস্থাপনা সহজতর হয়। ৬) মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট শিক্ষকের সহায়ক হিসেবে কাজ করে। ৭) অল্প সময়ে সব শিক্ষার্থীকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা যায়। ৮) শ্রেণি উপযোগী অতিরিক্ত শিক্ষামূলক কনটেন্ট সংগ্রহে রাখা যায়। ৯) পর্যাপ্ত কো-কারিকুলাম/সহপাঠক্রমিক ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ১০) শিক্ষক শ্রেণি উপযোগী কনটেন্ট তৈরি করতে পারেন। ১১) সহজেই ক্লাসের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারেন। ১২) নিত্যনতুন আপডেটেট বিষয়সমূহ সহজেই সংগ্রহ করতে পারেন। ১৩) শিক্ষক প্রতিনিয়ত নিজেকে প্রশিক্ষিত করার সুযোগ পান। ১৪) ই-বুক ও ই-কনটেন্ট ব্যবহারে শিক্ষকদের পারদর্শিতা বৃদ্ধি পায়। নিজেরাও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করতে আগ্রহী হন।

গ) প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে : ১) প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী নিজ নিজ পাঠে অধিকতর মনোযোগী হচ্ছে। ২) প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষালাভের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। ৩) প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৫) বিভিন্ন পর্যায়ের পরিদর্শকের আগমনের ফলে নিত্যনতুন ধারণা লাভের সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৬) সংশ্লিষ্টজনদের প্রতিষ্ঠানের প্রতি অধিকতর আস্থার মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে। ৭) প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও কমিউনিটিতে প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। ৮) আরবান একাডেমিকে সার্বিক বিবেচনায় একটি মানসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলবার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ৯) স্থানীয় কমিউনিটিতে প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১০) প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানের বৃহত্তর পরিসরে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

আরবান একাডেমির ইতিবাচক পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জগুলোও রয়েছে। আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ডিজিটাল করতে হলে এই চ্যালেঞ্জগুলোকেও মোকাবিলা করতে হবে।

ঘ) ডিজিটাল স্কুল পরিচালনার চ্যালেঞ্জসমূহ : দীর্ঘদিন ধরে বই-খাতা নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার শিক্ষাব্যবস্থার প্রচলন বাস্তবিক পক্ষেই কষ্টসাধ্য। আরবান একাডেমি একেবারেই বেসরকারি উদ্যোগে প্রথম শ্রেণিতে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ক্লাস পরিচালনার অভিজ্ঞতার আলোকে যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে তা নি¤েœ উপস্থাপন করা হলো। ১) সার্বিক কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন ব্যয়বহুল। ২) ডিজিটাল ক্লাস উপযোগী দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সংকট। ৩) ডিজিটাল শিক্ষা বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন না থাকা সমস্যার তৈরি করে। ৪) নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা না থাকায় উপকরণ ব্যবহারে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। ৫) প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমে অভিভাবক পর্যায়ে সঠিক ধারণার অস্পষ্টতা রয়েছে। ৬) শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সব মহলে স্বচ্ছ ধারণা ও দক্ষতার অভাব আছে। ৭) উপকরণ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। ৮) শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবান্ধব প্রয়োজনীয় কনটেন্টের অপর্যাপ্ততা রয়েছে। ৯) শিক্ষার্থীদের পারিবারিক পর্যায় থেকে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে যথাযথ সহযোগিতা করা হয় না। ১০) ডিজিটাল ক্লাস বাস্তবায়নে অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধার অপর্যাপ্ততা রয়েছে। ১১) সার্বিক বিবেচনায় ডিজিটাল ক্লাসবান্ধব প্রশাসনিক পরিবেশ গড়ে ওঠেনি। ১২) প্রাথমিক শিক্ষায় তেমনভাবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত না থাকায় অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ কম।”

আরবান একাডেমির মূল্যায়নটি যথাযথ। তারা যেসব চ্যালেঞ্জের কথা বলেছে তার প্রতিটি বর্ণে বর্ণে সত্য। তাদের পর্যবেক্ষণ বাস্তবসম্মত এজন্য যে, তারা একেবারে তৃণমূল থেকে চ্যালেঞ্জগুলোকে দেখেছে। শহরে হয়তো এসব চ্যালেঞ্জের সবগুলো পাওয়া যাবে না। তবে কমবেশি এমন চ্যালেঞ্জ আমাদের পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকেই মোকাবিলা করতে হবে।

২০১৭ সালে দেশব্যাপী একটি বিপ্লব ঘটেছে। বিজয়-নেটিজেনের যৌথ উদ্যোগে এই বছরে দেশের প্রায় প্রতিটি জেলা-উপজেলা-বিভাগ পর্যায়ে হাজার হাজার স্কুলে ডিজিটাল কনটেন্ট উপস্থাপন করা হয়েছে। হাজার হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ডিজিটাল উপাত্তের সঙ্গে পরিচিত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে সব স্তরেই এই ধরনের শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি শিক্ষার্থী ও স্কুল কর্তৃপক্ষের ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। ২০১৬-১৭ সালের নতুন অভিজ্ঞতা হচ্ছে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটাল করে শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করা যায়। নেটিজেন আইটিসহ দেশের অনেক সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান স্কুল ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার উন্নয়ন করেছে এবং বিশেষত নেটিজেন হাজারের মতো প্রতিষ্ঠানে এই সফটওয়্যার প্রয়োগও করতে পেরেছে।

২০২০ সালে আমাদের আশার আলো হচ্ছে যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় ডাক ও টেলি যোগাযোগ বিভাগ দেশের সুবিধাবঞ্চিত প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলের ৫১০টি স্কুলে শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। আশা করা যায় এই প্রকল্পের পথ ধরেই পুরো দেশের পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ডিজিটাল হবে।

মোস্তাফা জব্বার : তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, কলাম লেখক।

মুক্তচিন্তা'র আরও সংবাদ
আ ব ম খোরশিদ আলম খান

ঘরে বসে তারাবিহ্র নামাজ পড়ুন

ড. এম জি. নিয়োগী

ধান ব্যাংক

মযহারুল ইসলাম বাবলা

করোনার নির্মমতার ভেতর-বাহির

অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী

শিক্ষা খাতে প্রণোদনা প্যাকেজ প্রয়োজন

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

করোনা যুদ্ধে জয়ী হওয়া

অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী

করোনা ভাইরাস এবং আমাদের যতœ

Bhorerkagoj