ছুটি শেষে প্র্রাথমিকের পরীক্ষা : সংসদ টিভিতে পাঠদান সূচির পরিবর্তন

রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২০

কাগজ প্রতিবেদক : করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে যে সাধারণ ছুটি চলছে- তা শেষ হওয়ার পর প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ। এদিকে, আজ রবিবার থেকে সংসদ টেলিভিশনে পাঠদানের যে সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত প্রাথমিক ও ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত মাধ্যমিকের পাঠদান করা হবে।

গতকাল শনিবার মো. ফসিউল্লাহ বলেন, করোনার কারণে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ঘোষিত ছুটিতে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে। এ অবস্থায় প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা নেয়ার সুযোগ নেই। তবে ছুটি না বাড়লে ছুটি শেষে ঈদের পর প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হবে। প্রথম সাময়িক পরীক্ষা বাতিল করা হয়নি জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ছুটির কারণে পরীক্ষাটি নেয়া যাচ্ছে না। পরিস্থিতি বিবেচনা করে ছুটির পর পরীক্ষা নেব। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আজ (রবিবার) সকাল ৯টা থেকে সংসদ টেলিভিশনে প্রাথমিকের পাঠদান সম্প্রচার হবে। ‘ঘরে বসে শিখি’ শিরোনামে আগে প্রাথমিকের ক্লাস দুপুর ২টা থেকে শুরু হতো।

সংসদ টিভিতে মাধ্যমিকের ক্লাস শুরু সকাল ১১টায় : গত ২৯ মার্চ থেকে সংসদ টিভিতে ‘আমার ঘরে আমার স্কুল’ শিরোনামে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের ক্লাস সম্প্রচার শুরু হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে এ ক্লাস প্রচার করা হলেও সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টা থেকে শুরু হবে সংসদ টিভিতে মাধ্যমিকের ক্লাস সম্প্রচার। এর আগে গতকাল শনিবার সংসদ টিভিতে আজ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত ক্লাসের রুটিন প্রকাশ করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। ষষ্ঠ থেকে নবম এ চারটি শ্রেণির মোট আটটি ক্লাস সম্প্রচার করা হবে।

উল্লেখ্য, করোনার প্রভাবে ক্লাস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে টিভিতে পাঠদান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে সে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। সহযোগিতা করছে এটুআই, ব্যানবেইসসহ অন্যরা।

টিভিতে প্রচারিত প্রতিটি ক্লাসের পর দেয়া হচ্ছে বাড়ির কাজ। আর প্রতিটি বিষয়ের আলাদা খাতায় সেই বাড়ির কাজ শেষ করতে হবে। করোনার তাণ্ডব শেষ হলে যখন স্কুল খোলা হবে তখন শিক্ষকদের সেই বাড়ির কাজের খাতা দেখাতে হবে। বাড়ির কাজের প্রাপ্ত নম্বর ধারাবাহিক মূল্যায়নের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে। দীর্ঘসময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে বাসায় অবস্থান করেই ছাত্রছাত্রীরা যাতে ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারে সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সংসদ টেলিভিশনে রেকর্ড করা শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রচার করা হচ্ছে।

দ্বিতীয় সংস্করন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj