ডুমুরিয়ায় খুলনা এডিসির চিংড়ি ঘের পরিদর্শন

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া(খুলনা) থেকে : খুলনার ডুমুরিয়ায় চিংড়ি চাষের বড়ডাঙ্গা মডেল ঘের পরিদর্শন করেছেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সারোয়ার আহমেদ সালেহীন। সম্প্রতি তিনি এটি পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগের উপপ্রকল্প পরিচালক, সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন প্রজেক্টেরসরোজ কুমার মিস্ত্রি, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্জীব দাশ, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু বকর সিদ্দিকসহ মৎস্যচাষিরা। বড়ডাঙ্গা মডেল মৎস্য ঘেরে বাগদা চিংড়ি, গলদা চিংড়ি দেখে তিনি সন্তুষ্ট প্রকাশ ?করেন। তিনি চিংড়ি চাষ সম্পর্কে চাষিদের কথা শোনেন ও চিংড়ি চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পরামর্শ দেন।

জানা যায়, মৎস্য অধিদপ্তরের ক্লাস্টার পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ সম্প্রসারণ কাজের সফলতায় এ মডেল সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় চাষিরা সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদ ত্যাগ করে আধুনিক, উন্নত চাষ প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছেন। ফলে তাদের উৎপাদন বেড়েছে আগের তুলনায় দ্বিগুণ। সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষে হেক্টরপ্রতি গলদা ও বাগদা চিংড়ির গড় উৎপাদন ছিল যথাক্রমে প্রায় ৪০০-৫০০ কেজি এবং ২০০-৩০০ কেজি। কিন্তু পরিকল্পিত চাষাবাদে চাষের ঝুঁকি যেমন কমে যায় তেমনি গলদা, বাগদা ও কার্প জাতীয় মাছের হেক্টরপ্রতি গড় উৎপাদন প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে।

মডেলটি ইতোমধ্যে বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তরসহ দেশি-বিদেশি সংশ্লিষ্ট সবার কাছে বিশেষ প্রশংসা লাভ করেছে। জুন-জুলাই থেকে বাগদা চিংড়ি আহরণ ও বিক্রি শুরু হয়। অধিকাংশ চাষি বছরে ১-২ বার মজুত পুকুরে বাগদা চিংড়ির জুভেনাইল মজুত করেন। এপ্রিল-মে মাসে নার্সারি পুকুরে গলদা চিংড়ির পিএল মজুত করা হয় এবং ৪০-৫০ দিন লালন-পালন করার পর জুন-জুলাইয়ে গলদা চিংড়ির জুভেনাইল মজুত পুকুরে ছাড়া হয়। এ সময়কার্পজাতীয় মাছের পোনা মজুত করা হয়। বছরের প্রথমে মজুত করা গলদা চিংড়ি জুলাই-আগস্ট থেকে আহরণ ও বিক্রি শুরু হয়। ডিসেম্ব^র-জানুয়ারিতে ঘের সেচ দিয়ে সব মাছ, চিংড়ি আহরণ করা হয়।

সারাদেশ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj