বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর : এক মননশীল ও মানবিক মানুষের বিদায়

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২০

‘করোনা’র কারণে জগৎজুড়েই এখন চলছে মৃত্যুর মহামিছিল। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। আতঙ্কে মানুষ এখন স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি। এই মহামারি বিনাও অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিচ্ছে। মৃত্যু যেভাবেই হোক, যে কোনো মৃত্যুই পৃথিবীর জন্য শোকের, দুঃখের। আর সে মানুষটি যদি হন বোদ্ধা ও বিবেকবান, যার সৃষ্টির সৌহার্দে ও সৌন্দর্যে সৃষ্টিজগৎ উজ্জ্বল ও উৎফুল্ল, তাহলে তো কথাই নেই। এমনই একজন মননশীল ও মানবিক মানুষ ছিলেন বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর। ‘ছিলেন’ কথাটি এজন্যই বললাম, এই তো গত ২৩ মার্চ দুপুরে তিনি দুনিয়া ত্যাগ করে পরপারের পথে পাড়ি জমিয়েছেন। ইন্নালিল্লাহি… রাজিউন।

চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার গুলবাহার গ্রামে ১৯৩৬ সালের ৯ জানুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আশেক আলী খান এবং মায়ের নাম সুলতানা বেগম। তিনি ১৯৫০ সালে ঢাকা সরকারি মুসলিম হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক, ১৯৫২ সালে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক, ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক এবং ১৯৫৬ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সত্তরের দশকে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে তিনি ইংল্যান্ড গমন করেন এবং ১৯৭৪ সালে সে দেশের ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তার অভিসন্দর্ভের বিষয় ছিল- উরভভবৎবহঃরধঃরড়হ, চড়ষধৎরংধঃরড়হ ধহফ ঈড়হভৎড়হঃধঃরড়হ রহ জঁৎধষ ইধহমষধফবংয. তিনি একাধারে ছিলেন বরেণ্য বুদ্ধিজীবী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য, কবি, কথাসাহিত্যিক, শিল্প-সাহিত্য সমালোচক এবং আরো অনেক কিছু। সব কিছু ছাপিয়ে তিনি ছিলেন একজন ক্রিয়েটিভ ব্যক্তিত্ব। তার প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়েছিল ‘নতুন কবিতা’ সংকলনে। সংকলনটির সম্পাদক ছিলেন সম্প্রতি প্রয়াত কবি আশরাফ সিদ্দিকী। ‘ঐ নতুনের কেতন’ উড়িয়ে ‘নতুন কবিতা’ সংকলনটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৫০ সালে, যার সর্বকনিষ্ঠ কবি ছিলেন বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর। সেই সংকলনে স্থান পাওয়া অন্য কবিরা ছিলেন শামসুর রাহমান, হাসান হাফিজুর রহমান, আলাউদ্দীন আল আজাদ। ৮৪ বছর হায়াত পাওয়া এই মননশীল মানুষটি গোটা জীবনে বাংলা-ইংরেজি মিলিয়ে ৮০টি বই লিখেন। স্বীয় কর্মের স্বীকৃতি হিসেবে জীবনে তিনি অনেক পুরস্কার লাভ করেন। তার মধ্যে ছোটগল্পে অবদানের জন্য ১৯৬৯ সালে লাভ করা বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং শিক্ষা ও গবেষণায় অবদানের জন্য ২০০৯ সালে লাভ করা একুশে পদক অন্যতম।

বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীরের লেখার সঙ্গে আমার পরিচয় ঘটে চট্টগ্রাম শহরে আসার পর থেকে। ১৯৭৮ সালে চাকরির কারণে চট্টগ্রাম শহরে এসেছিলাম আমি। নামিদামি পত্র-পত্রিকায় প্রায়ই দেখা যেত তার লেখা। দেখা যেতে যেতে তার নামটিও পরিচিত হয়ে যায়। শুধু পরিচিত হয়েই যায় না, প্রাধান্যও পেয়ে যায়। প্রাধান্য পাওয়ার প্রধান কারণ তার লেখার গুণ। গল্প, উপন্যাস, সাহিত্য সমালোচনা, প্রবন্ধ, কবিতা- সব ক্ষেত্রেই ছিল তার সমান পদচারণা। এক সময় শিল্পকলা পেয়ে বসেছিল আমাকে। বুঝি আর না বুঝি, শিল্পকলা সম্পর্কিত কোনো বই বেরুলেই সেটা সংগ্রহ করা এক ধরনের পাগলামিতে পরিণত হয়েছিল। পত্র-পত্রিকা বা ম্যাগাজিনেও সে সংক্রান্ত কোনো লেখা প্রকাশ পেলে চোখ বুজে কিনে নিতাম। এসব পাগলামি শুধু আমাকেই নয়, মাহফুজুর রহমান (বর্তমানে বার্তা সংস্থা টঘই-এর সম্পাদক) ও সালাউদ্দীন আইয়ুবকেও (বর্তমানে আমেরিকার শিকাগো স্টেট ইউনিভার্সিটির ক্রিমিনাল জাস্টিস বিভাগের প্রফেসর) সংক্রমিত করেছিল। তার লেখা ‘চিত্রশিল্প : বাংলাদেশ’, ‘কামরুল হাসান’, ‘জয়নুল আবেদিনের জিজ্ঞাসা’, ‘মাইকেলের জাগরণ ও অনন্য প্রবন্ধ’, ‘স্বদেশ ও সাহিত্য’, ‘শ্রাবণে আশ্বিনে’, ‘জার্নাল ৭১’, ‘আধুনিকতা ও উত্তর আধুনিকতার অভিজ্ঞতা’সহ কবিতা ও প্রবন্ধের বেশ কিছু বই এখনো আমার সংগ্রহকে সমৃদ্ধ করে রেখেছে। তার লেখা যখন যেখানেই দেখতাম, প্রবল পিপাসা নিয়ে পড়তাম এবং পরিতৃপ্তি পেতাম।

তার মুখের ভাষা ছিল কোমল। ধীর লয়ে ধীমানের মতো কথা বলতেন তিনি। কি প্রবীণ, কি প্রিয়জন, কি পুত্রের বয়সী, কি ছাত্র সবাইকে তিনি ‘আপনি’ বলে সম্বোধন করতেন। অন্যকে আপন করার সহজাত সক্ষমতা ছিল তার। সালাউদ্দীনের কাছে তার এহেন আন্তরিক আচরণের কথা যখন শুনতাম, আমি যুগপৎ অবাক ও আকৃষ্ট হয়ে যেতাম। তার ছাত্র না হলেও সালাউদ্দীনকে তিনি খুব স্নেহ করতেন। সালাহউদ্দীন সে কথা আমাকে প্রায়ই বলত। আমার স্পষ্ট স্মরণে আছে, সালাউদ্দীনের প্রজ্ঞাবান পিতার প্রয়াণ হলে, তাকে শোক ও সমবেদনা জানিয়ে মিরসরাইয়ের মোটবাড়িয়ার ঠিকানায় দরদমাখা একটি দীর্ঘ চিঠি লিখেছেন বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর। সালাউদ্দীন তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আর চিঠির লেখক ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই একজন নামকরা অধ্যাপক। তার সেই চিঠিটি সালাউদ্দীনের সৌজন্যে আমারও তখন পড়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। চিঠিটি সালাউদ্দীনের সংগ্রহে সম্ভবত এখনো আছে।

সালাউদ্দীন যখন ঢাকার ৩৩, নিউ ইস্কাটন রোড, ইসমাইল লেনের বাসায় থাকত, তখন বোরহানউদ্দীন খান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে তার সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হয়েছিল। সালাউদ্দীন তখন আনওয়ার আহমদের ‘কিছুধ্বনি’ (কবিতার কাগজ) ও ‘রূপম’ (গল্প পত্রিকা)-এর সঙ্গে সহযোগী সম্পাদক হিসেবে সম্পৃক্ত ছিল। সালাউদ্দীন ও মাহফুজ তখন থাকত একই বিল্ডিংয়ের দুই কি তিন তলায়, আর আনওয়ার আহমদ থাকতেন একা একই বিল্ডিংয়ের নিচতলায়। বৌয়ের সঙ্গে বনিবনা না থাকায় সেখানে তিনি একাই থাকতেন। তখন ‘কিছুধ্বনি’ ও ‘রূপম’ ছিল নামকরা সাহিত্য পত্রিকা। নামিদামি লেখক থেকে শুরু করে প্রতিভাবান তরুণ লেখক- সবাই পত্রিকা দুটিতে দুহাতে লিখতেন। নামিদামি লেখকদের কাছ থেকে লেখা আদায় কঠিন হলেও, কীভাবে লেখা আদায় করতে হয় সেটা আনওয়ার আহমদ জানতেন। যত নামকরা লেখক হোক না কেন, সবার সঙ্গে তার সানুরাগ সম্পর্ক ছিল। তাছাড়া প্রায়ই তিনি তার বাসা কাম পত্রিকা অফিসে আড্ডার আয়োজন করতেন। আড্ডা মানে অর্থহীন আড্ডা নয়, সাহিত্য আড্ডা। সেসব আড্ডায় শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ, বোরহান উদ্দিন খান, আবদুল মান্নান সৈয়দ থেকে শুরু করে কে না আসতেন! সবাই আসতেন। বোরহান উদ্দীন খান জাহাঙ্গীর যখন আসতেন, তখন সেই আড্ডায় বয়সের ব্যবধান বিলীন হয়ে যেত, বন্ধুর মতো ব্যবহার করতেন তিনি সবার সঙ্গে। সালাউদ্দীনের কাছে যখন সেসব আড্ডার গল্প শুনতাম, আমি নিজেও আনন্দিত ও আন্দোলিত হয়ে উঠতাম। উল্লেখ্য, সালাউদ্দীনের সৌজন্যে তখন আনওয়ার আহমদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। তিনি আমার উত্তর পতেঙ্গার অফিসের ঠিকানায় চিঠিও লিখেছিলেন। মাঝে মাঝে ফোনও করতেন লেখা পাঠাবার জন্য। তার কবিতার কাগজ ‘কিছুধ্বনি’তে কবি আবুল হোসেন ও কবি শহীদ কাদরীর ওপর আমার দুটি প্রবন্ধ এবং কিছু কবিতাও ছাপা হয়েছিল সে সময়ের কয়েকটি সংখ্যায়। সেসব স্মৃতি এখন পোহায় রোদ্দুর।

আরেকটি স্মৃতির কথা বলে আলবিদা। তখন ‘উপমা’-আল মাহমুদ সংখ্যার জন্য লেখা সংগ্রহের কাজ নিয়ে আমি এক রকম উন্মাদ। খবর পাই, ১৯৭৩ সালে দৈনিক বাংলার সাহিত্য পাতায় ‘লোকজ বাস্তবে আল মাহমুদের কবিতা’ শিরোনামে একটি লেখা লিখেছিলেন বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর। ‘উপমা’য় রিপ্রিন্ট করার জন্য লেখাটি আমার চাই, কিন্তু কীভাবে পাই! এত পুরনো পত্রিকা, তাও দেশ স্বাধীন হওয়ার দুই বছর পরের পত্রিকা, পাব কিনা অনিশ্চয়তা ছিল। সেই অনিশ্চয়তা নিয়ে যাই ঢাকায়। লেখাটি সংগ্রহ করতে ঢাকা যাওয়ার সেই স্মৃতি দিনলিপির (২৯ ডিসেম্বর ১৯৯১) পাতা থেকে এখানে হুবহু তুলে ধরছি-

‘সকাল ১০টায় সালাউদ্দীনসহ (আইয়ুব) যাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে। যাওয়ার উদ্দেশ্য- ১৯৭৩ সালে দৈনিক বাংলায় ড. বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীরের ‘লোকজ বাস্তবে আল মাহমুদের কবিতা’ শীর্ষক যে প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছিল, তা কপি করে আনা। কিন্তু দুর্ভাগ্য আর কাকে বলে! সেখানকার পত্র-পত্রিকার তাক আজই অন্যত্র সরানো হচ্ছে। আর পত্র-পত্রিকাগুলো কাকের বাসার মতো এতই এলোমেলো করে পড়ে আছে যে, প্রয়োজনীয় পত্রিকার কপিটি খুঁজে বের করা অসম্ভব। সেখান থেকে যাই মহসিন হলে। ইশারফ হোসেনকে বলি আল মাহমুদের কবিতার ওপর লেখা ড. সুমিতা চক্রবর্তীর প্রবন্ধটি নিয়ে সে যেন আগামীকাল অবশ্যই সালাউদ্দীনের বাসায় আসে। লেখাটি ‘উপমা’র জন্য প্রয়োজন। আল মাহমুদও লেখাটি ‘উপমা’য় ছাপাতে বলেছেন। সেখান থেকে যাই পাবলিক লাইব্রেরিতে বোরহানউদ্দিন খানের ওই লেখাটি সংগ্রহ করতে। লাইব্রেরির একজন কর্মকর্তা অনুসন্ধান শেষে জানালেন, দৈনিক বাংলার ১৯৭৩ সালের কোনো ফাইল তাদের সংরক্ষণে নেই। পোড়া কপাল আর কাকে বলে! ব্যর্থ হওয়া ব্যথিত মন নিয়ে দ্রুত রিকশায় উঠি এবং বাংলা একাডেমিতে যাই। পুরনো পত্র-পত্রিকা যেখানে সংরক্ষণ আছে সে কক্ষের কর্মকর্তা জানালেন, পুরনো পত্র-পত্রিকা দেখতে হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি লাগবে। অবশেষে লিখিত অনুমতি নিয়ে অনুপ্রবেশ করলাম কাক্সিক্ষত কক্ষে। অনেকক্ষণ তালাশ শেষে কাক্সিক্ষত লেখাটি পাওয়াও গেল। ভেবেছিলাম, সঙ্গে নেয়া ফুলস্কেপ কাগজ দুটিতেই হয়ে যাবে। কিন্তু লেখার পরিধি দেখে মনে হলো কাগজ আরো লাগবে। কিন্তু এখন কাগজ কোথায় পাই! বের হয়ে আশপাশে দেখলাম, কোথাও নেই। হায়রে ঢাকা! শেষে সালাউদ্দীনকে পাঠালাম যেখান থেকেই হোক দ্রুত কাগজ কিনে আনতে। সে রিকশায় করে গিয়ে আধ মাইল দূরে থেকে কাগজ কিনে আনে। একটি-দুটি নয়, পুরো এক দিস্তা। তার কাণ্ড দেখে আমি হাসলাম। অবশেষে কাক্সিক্ষত লেখাটি দ্রুত কপি করতে শুরু করলাম। সালাউদ্দীন পাশে বসে কী যেন পড়ছিল। সেখানকার একজন কর্মকর্তা জানালেন, সাধারণত আড়াইটার আগে লাইব্রেরি বন্ধ হয় না। কিন্তু আজ তাদের ৩ জন কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হবে বিধায় দুপুর ১টায় তারা সবকিছু বন্ধ করে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান যেখানে হবে সেখানে চলে যাবেন। এভাবে মাঝপথে মাথায় বাজ পড়বে ভুলেও ভাবিনি। শেষে সালাউদ্দীনসহ ভাগাভাগি করে কপি করতে লেগে গেলাম। বাইরে তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের গোলাগুলির আওয়াজ। আমাদের পাশের চেয়ারে বসা ছিল এক সুন্দরী তরুণী। সে গায়ে পড়ে বারবার আমাদের সঙ্গে কথা বলার কোশেশ করছিল। দুয়েকটি কথাও হয়। এদিকে সময় প্রায় শেষ, কিন্তু কপি করা কিছুটা বাকি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অনুরোধ করে আরো ১০ মিনিট বাড়িয়ে নিই এবং বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীরের লেখাটি সম্পূর্ণ কপি করতে সমর্থ হই।

মুহাম্মদ নিযামুদ্দীন : লেখক, সম্পাদক ও গবেষক।

মুক্তচিন্তা'র আরও সংবাদ
ড. মো. তাসদিকুর রহমান

আসুন সরকারের নির্দেশনা মানি

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

ব্যক্তিগত আক্রমণ গ্রহণযোগ্য নয়

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

ঐক্যের বিকল্প কিছু নেই

বিভুরঞ্জন সরকার

আমরা কথা ও কাজে এক হব কবে?

শরদিন্দু ভট্টাচার্য্য টুটুল

করোনায় গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা

মুহম্মদ জাফর ইকবাল

করোনার জন্য প্রস্তুতি

Bhorerkagoj