খালেদা জিয়ার মুক্তি : করোনা উপেক্ষা করে নেতাকর্মীদের জমায়েত

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২০

কাগজ প্রতিবেদক : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির খবরে করোনা পরিস্থিতি উপেক্ষা করেই গতকাল নেতাকর্মীরা ভিড় জমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) প্রাঙ্গণে। সেখান থেকে খালেদা জিয়াকে গুলশানের নিজ বাসভবন ফিরোজায় নেয়া হলে সেখানেও ভিড় জমান তারা। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষেধাজ্ঞা ও দলের কঠোর নির্দেশনা পরোয়া করেননি কেউ।

বিকাল সোয়া ৪টার দিকে খালেদা জিয়া বিএসএমএমইউয়ের কেবিন ব্লুকের প্রিজন সেল থেকে ৬ মাসের জন্য মুক্তি পান। তার মুক্তির খবরে দুপুর থেকেই সেখানে নেতাকর্মীদের ব্যাপক জমায়েত হতে দেখা যায়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বারবার তাদের নিষেধ করতে থাকেন। পরে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও দলের নেতাকর্মীদের ভিড় না করতে অনুরোধ করেন। এরপরও ভিড় কমেনি। বরং ¯েøাগান আরো বাড়তে থাকে। দলীয় নেতাকর্মীদের এমন শোডাউনে বিরক্তি প্রকাশ করেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা।

এ নিয়ে গতকাল দুপুরে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস গণমাধ্যমকে বলেন, দলীয় প্রধানের মুক্তির আন্দোলন কর্মসূচিতে বারবার আহ্বান জানিয়েও কোনো কর্মীকে পাওয়া যায়নি। এখন হাসাপাতালে ভিড় বাড়িয়ে অন্য রোগীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলার কোনো মানে হয় না। তিনি বলেন, বিএনপি তো ম্যাডামকে মুক্তি করতে পারেনি। তার মুক্তিতে অবশ্যই আমাদের স্বস্তি রয়েছে, তবে অবদান নেই। অন্যদিকে খালেদা জিয়া গুলশানে পৌঁছলেও একই চিত্র দেখা যায়। তাকে বহনকারী গাড়ি ফিরোজায় পৌঁছানো মাত্রই সেখানে তার চিকিৎসক, পরিবারের কয়েকজন সদস্য, বোন সেলিমা ইসলাম, দলের সিনিয়র কয়েকজন নেতা তাকে শুভেচ্ছা জানান। এরপর তাকে হুইল চেয়ারে করে গাড়ি থেকে বের করা হয়। বাসার ভেতরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমানসহ অনেকে ছিলেন। করোনা পরিস্থিতিতে সবার হাতে ও মুখে সুরক্ষা বস্তু থাকলেও নেতাকর্মীদের তা ছিল না। কয়েক হাজার নেতাকর্মীর জটলা লেগে থাকে বাড়িটি ঘিরে।

দ্বিতীয় সংস্করন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj