দিনাজপুরে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যা, আটক ২ : ভূরুঙ্গামারীতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক ১

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২০

কাগজ ডেস্ক : দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন ২ ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। নিচে এ সম্পর্কে আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

দিনাজপুর : জেলার খানসামা উপজেলায় বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন ২ ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষণ ও হত্যার শিকার বাকপ্রতিবন্ধী আঞ্জু আরা (৩০) খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের আবদুর রহমানের মেয়ে। গতকাল বুধবার দুপুরে খানসামা ডিগ্রি কলেজের পেছনের ভুট্টাখেত থেকে ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতের বাবা আবদুর রহমান বলেন, আমার মেয়ে বাকপ্রতিবন্ধী। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে নিখোঁজ ছিল সে। সন্ধ্যার পর থেকে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। বুধবার বেলা ১১টার দিকে ভুট্টাখেতে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে গ্রামবাসী। আমার সঙ্গে কারো শত্রুতা নেই। আমার বাকপ্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করেছে। আমি বিচার চাই। খানসামা থানার ওসি শেখ কামাল হোসেন বলেন, দুপুরে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় উপজেলার ফারুক হোসেন (৪৫) ও কামাল হোসেন (৪২) নামে দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে কিনা এ বিষয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কুড়িগ্রাম : জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে হায়দার আলী (৫০) নামে ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। শিশুর মায়ের দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে আটক করে পুলিশ।

জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর উপজেলার জয়মনিরহাট ইউনিয়নের শিংঝাড় বগনীরপাড় গ্রামের ৭ বছরের এক শিশু পাশর্^বর্তী মফিজ মোড়ে মুদি দোকানে ডিম আনতে গেলে হায়দার আলী শিশুটিকে দোকানের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। মেয়েটির চিৎকারে তার মাসহ এলাকাবাসী এগিয়ে এলে হায়দার আলী পালিয়ে যায়। পরে শিশুটির মা ভূরুঙ্গামারী থানায় মামলা দায়ের করলে রাতেই পুলিশ ধর্ষককে আটক করে।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj