পছন্দের রঙে চুলের রঙ

রবিবার, ২২ মার্চ ২০২০

সুমাইয়া আহমেদ

আহা, ঝলমলে কালো চুল। প্রিয় দীঘল চুলের কালো রঙকে ছাপিয়ে এখন তরুণীদের পছন্দ রঙিন চুল। সেটা বাদামি রঙ হোক, কিংবা সাতরঙে রংধনু হোক। মুলতঃ চেহারায় রাতারাতি পরিবর্তন আনতে পারে চুলের পরিবর্তিত রূপ। নতুন কাটের পাশাপাশি চুলে রং করলেও ব্যক্তিত্বে যোগ হয় আত্মবিশ্বাস। তবে এ সবই ইতিবাচক প্রভাব আনবে যদি চুল রং করার আগেপরের নিয়ম মানা হয় ঠিকভাবে। নয়তো আসবে বিপরীত ফলাফল।

ফ্যাশনে এসেছে অনেক ধারা। চুল রং করার নকশা জানা দরকার। তেমনি চুল রং করার আগে ও পরে চুলের যতœ নেওয়াটাও বাধ্যতামূলক। চুল রঙ করা এখন কিশোরী-তরুণীদের যেমন ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে, পিছিয়ে নেই তরুণ-কিশোররাও।

পছন্দের রঙে চুলের রঙ

১) সুন্দর চুলের স্টাইল আপনাকে অন্য সবার থেকে আলাদা করে তোলে। তবে সঠিক রং বাছাই করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ গায়ের রং, পোশাক, মেকআপ এবং সর্বপরি চেহারার সাথে সামঞ্জস্যতা রেখে চুলের রং বাছাই না করলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

২) এমন একটি রঙ বেছে নিন যা ন্যাচারাল এবং আপনার ত্বকের সাথে মানানসই। প্রাকৃতিক রং হিসেবে ব্রাউন, ব্লুন্ড, ব্রাউনিশ ব্লু্যাক এবং সান-কিসড খুব জনপ্রিয়। এগুলো মোটামুটি যেকোন ধরনের ত্বকের টোনের সাথেও মানিয়ে যায়।

রং মিলিয়ে

চুলে রং করার ফ্যাশনে এসেছে নানা রকম পরিবর্তন। চুল রঙিন করার ধরন ও রং বাছাই দুটিই এখন অনেক রুচিশীল। বয়স, ব্যক্তিত্ব, রুচি সবকিছু মিলিয়েই কিন্তু এখন চুলের রং বেছে নিচ্ছেন সবাই।

রং করার ধারায় যে রংগুলো আছে তা হলো অ্যাশি সিলভার, স্ট্রবেরি হানি, রিচ কপার, মাশরুম ব্রাউন, ক্রিমি ব্লুন্ড, জেট ব্লু্যাক, বেøন্ডেড রুটস। চুল রঙিন করার আগে ত্বকের রঙের বিষয়টি নিয়ে রূপবিশেষজ্ঞ তানজিমা শারমীন মিউনি জানালেন, কোন ত্বকের রঙের সঙ্গে কোন চুলের রং ভালো লাগবে, তা অনেকটা নির্ভর করে চুলে রং প্রয়োগের ওপর। সাধারণত যারা একটু শ্যাম বর্ণের তারা পুরো চুল রং করতে পারবেন না। চুলের গোড়া থেকে চারপাঁচ ইঞ্চি চুল বাদ দিয়ে শেড করে রং করলে ভালো লাগবে। অর্থাৎ গাঢ় রং থেকে হালকা শেডে পুরো চুল রং করা যায়। আবার খুব উজ্জ্বল রংও তাদের ত্বকের সঙ্গে মানাবে না। এ ছাড়া হাইলাইট, স্টিক, ক্যাটস্টিক নকশায় রং করলে বেশ ভালো লাগবে।

তবে যাদের ত্বকের রং একটু উজ্জ্বল তারা পুরো চুলে চাইলে রং করতে পারেন। তবে চুলের ওপরের অংশে নয়, নিচের দিকে এটি ভালো লাগবে। ব্লুন্ড, বারগেন্ডি, গাঢ় বাদামি, মেরুন রং সহজেই মানাবে তাদের।

যতেœ সুন্দর

স্বাভাবিক, শুষ্ক ও তৈলাক্ত রঙিন চুলে প্রথম দুই মাস প্রতিদিন হালকা ও রং প্রতিরোধক শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। রং করা চুল রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের কারণে শুষ্ক হয়ে যায়, তাই স্মুদিং করাতে হবে। এ ছাড়া স্বাভাবিক চুলে ডিমের সাদা অংশ ও মধু ব্যবহার উপকারী হবে। শুষ্ক চুলে গরম তেল মালিশে লেবুর রস ব্যবহার করা যাবে না। তৈলাক্ত চুলে সপ্তাহে এক দিন গরম তেল মালিশ করতে হবে। প্রতিদিন শ্যাম্পু করার আগে খালি হাতে মাথার ত্বক মালিশ করুন। আবার শ্যাম্পুর সঙ্গে হালকা লবণ মিশিয়ে ব্যবহার করলে চুলে ঘনত্ব চলে আসবে, তৈলাক্ত ভাব কমে যাবে এবং চলে যায়। তবে তখন খুব সুন্দর করে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। চুল বাড়লেই রং করা যায়। তবে ব্লিচজাতীয় রং ছয় মাসের আগে না করাই ভালো। তবে পার্লারে গিয়ে শুধু চুল রঙিন করলে হবে না, এর বাড়তি যতেœর বিষয়টিও জেনে নিতে হবে। নয়তো আপনার পছন্দের রঙিন চুল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ

নারীর প্রিয় বাহন স্কুটিগত এক দশকে প্রজন্মের বাহন হিসেবে মোটর সাইকেলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে কয়েক গুণ। চলতি পথে কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো ও গতিময়তার সম্মিলনে প্রিয় বাহন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে মোটর সাইকেল। বর্তমানে কোথাও যেতে হলে পোহাতে হয় যানজটের ঝক্কি, তার ওপর সময়মতো গাড়ি পাওয়া যায় না, আর পেলেও প্রায়ই গুনতে হয় ডাবল ভাড়া। ফলে অফিস কিংবা গন্তব্যে যেতে প্রায়ই দেরি হয়ে যায়, পোহাতে হয় সীমাহীন দুর্ভোগ। এ সব ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে নিজের একটি বাহন এখন বেশ দরকারি। তাই পুরুষের পাশাপাশি আধুনিক অনেক নারীরই বাহন হিসেবে বেছে নিচ্ছেন পছন্দসই একটি মোটর সাইকেল। এ ক্ষেত্রে স্কুটিই এখন অনেক নারীর প্রথম পছন্দ-

Bhorerkagoj