টিপস ট্রিকস : জ্বালানি সাশ্রয়ের ৮টি কৌশল

রবিবার, ২২ মার্চ ২০২০

শুভ্র সেন

দেশে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ চালু হবার পর থেকে বেড়েছে বাইকের গ্রাহক সংখ্যা। এছাড়াও রাজধানীর জ্যাম এড়িয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরার বাহন হিসাবেও বাইকের জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। প্রিয় এই বাহনটিকে তাই আরো সাশ্রয়ী করে তুলতে নজর রাখতে হবে এর জ্বালানির ব্যবহারের ওপরও। এখানে জ্বালানি সাশ্রয়ের ৮টি উপায় রয়েছে যেগুলো আপনাকে জ্বালানি এবং অর্থ দুটোই বাঁচাতে সাহায্য করবে।

১. বাইকের ব্যবহার করুন সীমিত:

যানবাহন যাত্রার শুরুতে এবং স্বল্প দূরত্বের যাত্রায় বেশি জ্বালানি খরচ করে এবং দূষণ ঘটায়। এর একটি কারণ হতে পারে ক্যাটালাইটিক কনভার্টার (অনুঘটক রূপান্তরক) সঠিকভাবে কাজ করছে না। সাধারণত ৫ কিলোমিটারের কম দূরত্বে ইঞ্জিন এদের সর্বোচ্চ পরিচালন তাপমাত্রায় পৌঁছাতে দেয় না। অনেকগুলো ভ্রমণের পরিবর্তে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণগুলোর জন্য একটি পরিকল্পনা করুন যাতে সেগুলো এক ভ্রমণে করা যায় এবং সময় ও জ্বালানি উভয়ই বাঁচানো যায়। হাঁটা বা সাইকেলের সাহায্যে কাছের ভ্রমণগুলো সম্পন্ন করুন।

২. গিয়ার বুঝে বাইক চালান :

আপনার প্রয়োজনের চেয়ে নিচের গিয়ারে বাইক চালালে জ্বালানির অপচয় হয় এবং কোনায় কিংবা পাহাড়ে ওঠার সময় ইঞ্জিনের সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করলেও জ্বালানির অপচয় হয়। যখন বাইক উপরে গিয়ারের জন্য প্রস্তুত হবে যত দ্রুত সম্ভব গিয়ার উপরে তুলুন কিন্তু স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গতি বৃদ্ধি করে নয়।

৩. বাইক চালান সঠিক পরিচর্যায়:

থামা বা চলা এভাবে বাইক চালালে বাইক কম জ্বালানি সাশ্রয়ী ও দূষণীয় হয়। ব্যস্ত সময়ে ভ্রমণ পরিহার করুন এবং জ্যাম যুক্ত রাস্তা যত সম্ভব পরিহার করুন। একটি পরিষ্কার স্পার্ক প্লাগ ও অয়েল ফিল্টারের মাধ্যমে আপনি নিজেই তেলের খরচ ২০% কমিয়ে ফেলতে পারেন। এছাড়া আপনার বাইককে ভালোভাবে ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করুন। উৎপাদকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত সার্ভিসিং করান।

৪. গতি বাড়ান ধীরে ধীরে :

ইঞ্জিনের বেশি ঘূর্ণন মানেই বেশি পেট্রলের ব্যবহার। আপনার সামনের গাড়ির চেয়ে নিরাপদ দূরত্বে চালান এতে আপনি যানজটের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারবেন। এটা অপ্রয়োজনীয় গতি বৃদ্ধি এবং যত্রতত্র ব্রেক করা কমাবে যেটা জ্বালানির অপচয় কমাবে।

৫. বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে জ্বালানির অপচয় হ্রাস:

যদি আপনার ইঞ্জিন বন্ধ করা সম্ভব হয় তাহলে এক বা দুই মিনিটের কেনাকাটার সময় ইঞ্জিন বন্ধ রাখুন। আধুনিক বাইকসমূহ কার্যত কোনো জ্বালানির অপচয় করে না তাই ফিরে এসে ইঞ্জিন চালু করলে আপনার জ্বালানির বেশি অপচয় হবে না।

৬. গতি কমিয়ে সাশ্রয় করুন :

যখন সম্ভব অতিরিক্ত গতি পরিহার করুন। ৮৫ মাইল বেগে বাইক চালালে সেটি ২৫% বেশি জ্বালানি খরচ করে যখন আপনি ৭০ মাইল বেগে বাইক চালাবেন।

৭. নিয়মিত টায়ারের চাপ পরীক্ষা করুন :

প্রতি মাসে অন্তত একবার এবং দীর্ঘ ভ্রমণের আগে টায়ারের চাপ পরীক্ষা করুন। কম চাপের টায়ার শুধুমাত্র বিপজ্জনক নয় এটা আপনার জ্বালানির ব্যবহারও বাড়াবে। যখন টায়ারের চাপ পরীক্ষা করা হবে তখন এর ফোলা অংশের গভীরতাও মাপা উচিত এটা জানার জন্য যে এগুলো আইনত উপযোগী।

৮. কম ওজন নিয়ে ভ্রমণ করুন :

বাইক যত বেশি ওজন বহন করবে তত বেশি জ্বালানি ব্যবহার করবে। আপনার বাইককে গাড়ির মতো ব্যবহার করবেন না এবং দুজনের বেশি যাত্রী বহন করবেন না।

সূত্র : রাইডার ডট কম ও বাইক বিডি

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ

নারীর প্রিয় বাহন স্কুটিগত এক দশকে প্রজন্মের বাহন হিসেবে মোটর সাইকেলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে কয়েক গুণ। চলতি পথে কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো ও গতিময়তার সম্মিলনে প্রিয় বাহন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে মোটর সাইকেল। বর্তমানে কোথাও যেতে হলে পোহাতে হয় যানজটের ঝক্কি, তার ওপর সময়মতো গাড়ি পাওয়া যায় না, আর পেলেও প্রায়ই গুনতে হয় ডাবল ভাড়া। ফলে অফিস কিংবা গন্তব্যে যেতে প্রায়ই দেরি হয়ে যায়, পোহাতে হয় সীমাহীন দুর্ভোগ। এ সব ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে নিজের একটি বাহন এখন বেশ দরকারি। তাই পুরুষের পাশাপাশি আধুনিক অনেক নারীরই বাহন হিসেবে বেছে নিচ্ছেন পছন্দসই একটি মোটর সাইকেল। এ ক্ষেত্রে স্কুটিই এখন অনেক নারীর প্রথম পছন্দ-

Bhorerkagoj