ভালো অভিনয়ের ক্ষুধা নিয়ে কাজ করি

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২০


সম্প্রতি আরিফিন শুভ অভিনীত ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমার ট্রিজার মুক্তি পেয়েছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনীভিত্তিক সিনেমায় বঙ্গবন্ধু চরিত্রের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছে। ভোরের কাগজ মেলার সঙ্গে এ বিষয়গুলোসহ খুঁটিনাটি আরো বিষয় নিয়ে কথা বলেন আরিফিন শুভ। সঙ্গে ছিলেন শাকিল মাহমুদ

শাহরুখ খানের সঙ্গে বলিউডের সিনেমায় অভিনয়ের কথা হচ্ছে। বিষয়টির সত্যতা কতটুকু?

আসলে এ বিষয়টি সম্পর্কে আমি নিজেই কিছু জানি না। যারা এটা নিয়ে লিখছে তারা নিশ্চই জানে! আর মুম্বাইতে একা শাহরুখ খানই থাকেন?

বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকে আপনাকে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রের জন্য প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয়। এটা নিয়ে কিছু বলুন…

এটা নিয়ে এই মুহূর্তে কিছু বলার নেই। কর্তৃপক্ষ ১৭ তারিখে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। এখন পরবর্তী সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য।

সম্প্রতি ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমার টিজার মুক্তি পেয়েছে। টিজারটি বেশ প্রশংসিত হচ্ছে। সিনেমাটির একজন অভিনেতা হিসেবে আপনি সিনেমাটি নিয়ে কতটুকু আশাবাদী?

প্রথমত, একজন অভিনেতা হিসেবে মিশন এক্সট্রিমে যে অভিনয় করেছি সেটা নিয়ে আমি তৃপ্ত নই। কেননা আমার মনে হচ্ছে, হয়তো আরো ভালো অভিনয়টা দেয়া হয়নি বা দিতে পারিনি। এটা একজন অভিনেতার সব সময়ই কাজ করে এবং কাজের পর মনে করে আরো ভালো কিছু করতে পারতাম। আমিও তার বাইরে নই। অভিনেতা হিসেবে আমি সব সময় ভালো অভিনয় করার ক্ষুধা নিয়ে কাজ করি। দ্বিতীয়ত, এই সিনেমাটি একটি অন্যমাত্রার সিনেমা। যা এর আগে ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রিতে দেখা যায়নি। সুতরাং সিনেমাটি নিয়ে এর একজন অভিনেতা হিসেবে আশাবাদী যে দর্শক ভালো কিছু দেখতে পাবে।

ঢাকা অ্যাটাক এবং মিশন এক্সট্রিম বলতে গেলে কাছাকাছি ঘরানার সিনেমা। সে ক্ষেত্রে এই সিনেমায় ঢাকা অ্যাটাকের চেয়ে এক্সট্রিম কিছু থাকছে কিনা?

ঢাকা অ্যাটাকের মতো সিনেমা যখন ইন্ডাস্ট্রিতে এলো তখন সিনেমাটি সবার কাছে নতুন একটি ধারা উন্মোচন করল, যা এর আগে কেউ দেখেনি। তেমনই ঢাকা অ্যাটাকে যে বিষয়গুলো দেখা হয়নি সে বিষয়গুলো মিশন এক্সট্রিমে দর্শক পাবে। সে হিসেবে মিশন এক্সট্রিমে অবশ্যই ঢাকা অ্যাটাকের চেয়ে এক্সট্রিম কিছু থাকছে।

সিনেমার ব্যস্ততার ফাঁকেও বিজ্ঞাপনে অভিনয় করছেন। কীভাবে সময় বের করছেন?

আমার শুরুটা কিন্তু মডেলিং দিয়ে। সুতরাং এর প্রতি একটা আলাদা টান আছে। আর বিজ্ঞাপন দিয়ে আমি একেবারে বাড়ির ভেতরের মানুষগুলোর কাছে পৌঁছাতে পারি। আমাদের দেশের এমন অনেক শহর আছে যেখানে আপনি চাইলেই মিশন এক্সট্রিম সিনেমাটি দেখতে পারবেন না। কিন্তু স্টেজ শো বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আমি সে শহরের মানুষগুলোর কাছে, যারা আমাকে পছন্দ করে, আমার ভক্ত- তাদের কাছে পৌঁছাতে পারি। তাই এই মাধ্যমটার জন্য শত ব্যস্ততার পরেও কোনো না কোনোভাবে সময় বের করে নিতে হয়।

নতুন কোনো সিনেমায় যুক্ত হয়েছেন কি?

এই মুহূর্তে দেশের যে পরিস্থিতি তাতে নতুন সিনেমার কাজ হবে? দুটি কাজের কথা হচ্ছিল। ভাইরাস ইস্যুতে সেগুলো নিয়ে কথাবার্তা বলা হচ্ছে না। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠলে সেগুলো নিয়ে অফিসিয়ালি কথা বলব। এরপর জানাতে পারব নতুন কোনো সিনেমায় যুক্ত হচ্ছি কিনা।

ভাইরাস ইস্যুতে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানুষের কাছে কোনো বার্তা দিতে চান?

আমাদের দেশের সরকার যথেষ্ট রকম সচেতনতা অবলম্বন করছে। আমি শুধু দেশের মানুষকে বলব, আপনারা নিরাপদে থাকুন। বেঁচে থাকুন। বেঁচে থাকলেই না আপনি কিছু করতে পারবেন! তাই নিয়মকানুন মেনে সচেতনতা সহকারে থাকুন।

মেলা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj