ছুটির দিনের কাজ

রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২০

আমাদের সমগ্র জীবন ব্যস্ততায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এখন। সপ্তাহের পুরোটা সময়েই সারাদিন

ব্যস্ত থাকতে হয়। এ জন্য ছুটির দিনটা সম্পূর্ণ আরাম ও আনন্দের সঙ্গে কাটানো উচিত। কিন্তু সে ক্ষেত্রে দেখা যায় ছুটির দিনটা ঘুমিয়ে, টেলিভিশন দেখে কিংবা অলসভাবে পার করে দেই আমরা।

অথচ এটি মোটেই বাস্তবসম্মত ও বুদ্ধিসম্পন্ন কাজ নয়-

বিভিন্ন রকম গুণের চর্চা করুন

নিজের গণ্ডি থেকে একটু বেরিয়ে আসুন। সারা সপ্তাহ যে কাজগুলো করার সুযোগ পান না, সেগুলো চর্চা করুন। চাইলেই আপনি গান, আবৃত্তি, বাদ্যযন্ত্র বাজানো, বাগান করা, ছবি আঁকা, লেখালিখি করা, বিশেষ কিছু রান্না করা এসব সৃজনশীল ব্যাপার চর্চা করতে পারেন। ভ্রমণপিপাসু হলে তো কথাই নেই, বেড়িয়ে আসতে পারেন কাছে বা দূরে যে কোনো জায়গা থেকেই।

প্ল্যান করুন

সারা সপ্তাহ কী কী কাজ করবেন, কেমন খাবার মেনুতে রাখবেন এমনকি কি পোশাক পরবেন সেটির একটা তালিকা তৈরি করে ফেলতে পারেন খুব সহজেই। এতে করে পুরো সপ্তাহ আপনাকে কোনো ধরনের চিন্তা করতে হবে না। তাড়াহুড়ো না করে স্বস্তিতে থেকেই সব কাজ সম্পাদন করতে পারবেন। হাতের কাছে নোটবুক নিয়ে বসে ছুটির সকালেই টুকে ফেলুন পরিকল্পনাগুলো।

ছুটির রাতে আনন্দ

ছুটির পুরো দিন তো নিজের জন্য কাটালেন। রাতটা রাখুন পরিবার এবং বন্ধুদের জন্য। তাদের বাসায় ডেকে আড্ডা, গল্প ও খাওয়া দাওয়ায় দারুণ সময় ব্যয় করতে পারেন।

সকালে দ্রুত ঘুম থেকে উঠুন

ছুটির দিনের সকালটা আমরা খুব গড়িমসি করি। কিন্তু দ্রুত যদি ওঠা যায় ঘুম থেকে আপনি দেখবেন অনেকটা সময় হাতে পাচ্ছেন আপনি। দ্রুত উঠে নাস্তা সেরে হাতের কাজগুলো করে ফেলুন। পুরো দিনটা নিজের মতো করে কাটাতে পারবেন।

পারিবারিক ঐতিহ্যের সৃষ্টি

প্রত্যেক পরিবারের নিজস্ব কিছু ঐতিহ্য ও সামাজিকতা থাকে। দেখা যায় যে, সামগ্রিক ব্যস্ততার কারণে সেগুলো খুব একটা পালন করা হয়ে ওঠে না। অন্তত ছুটির দিনগুলোতে সেগুলোর দিকে মনোযোগ দিতে পারেন। পরিবারের সবার সঙ্গে মিলেমিশে বাইরে কোথাও খেতে যেতে পারেন, ধর্মীয় কোনো স্থানে যেতে পারেন কিংবা সবাই মিলে রান্না করে পিকনিকের মতো আয়োজন করতে পারেন। এগুলো একেকটি স্মৃতি হিসেবে জমা হবে হৃদয়ের মণিকোঠায়।

বাজারসদাই করে ফেলুন

ছুটির দিনে খানিকটা সময় বের করে সাপ্তাহিক বাজারসদাইয়ের কাজ সেরে ফেলতে পারেন। খুব একটা সময় খরচ হবে না এতে। এ কাজটাকে বোঝা মনে না করে আনন্দময় মনে করুন।

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ

নারীর প্রিয় বাহন স্কুটিগত এক দশকে প্রজন্মের বাহন হিসেবে মোটর সাইকেলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে কয়েক গুণ। চলতি পথে কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো ও গতিময়তার সম্মিলনে প্রিয় বাহন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে মোটর সাইকেল। বর্তমানে কোথাও যেতে হলে পোহাতে হয় যানজটের ঝক্কি, তার ওপর সময়মতো গাড়ি পাওয়া যায় না, আর পেলেও প্রায়ই গুনতে হয় ডাবল ভাড়া। ফলে অফিস কিংবা গন্তব্যে যেতে প্রায়ই দেরি হয়ে যায়, পোহাতে হয় সীমাহীন দুর্ভোগ। এ সব ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে নিজের একটি বাহন এখন বেশ দরকারি। তাই পুরুষের পাশাপাশি আধুনিক অনেক নারীরই বাহন হিসেবে বেছে নিচ্ছেন পছন্দসই একটি মোটর সাইকেল। এ ক্ষেত্রে স্কুটিই এখন অনেক নারীর প্রথম পছন্দ-

Bhorerkagoj