মহাদেশের মতো এক দেশে : কামরুল হাসান

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২০

কেননা ৮ ঘণ্টার বেশি ট্রানজিট হলেই তা পাওয়া যায়। একই রুট ধরে যাওয়া আমাদের আরেক বন্ধু তা পেয়েছে, তাহলে আমরা পাব না কেন? রৌশনির ধারণা আমাদের ট্রাভেল এজেন্ট জিংহুয়া বাংলাই এর জন্য দায়ী, বিশেষ করে ওর বদ্ধমূল ধারণা বুকিং অফিসার রুমি নামের মেয়েটিই এই গাফিলতির জন্য দায়ী। তার সঙ্গে টিকেটের বকেয়া পেমেন্ট নিয়ে রোশনির মৃদু মনকষাকষি হয়েছিল, নারীদের প্রকৃতিগত পারস্পরিক বিকর্ষণও কাজ করে থাকতে পারে। হংকংয়ে বিমান পৌঁছাবে মধ্যরাতে, পরদিন মধ্যদিনে আমাদের পরবর্তী ফ্লাইট, তাই লাউঞ্জ সুবিধা বিলাস নয়, প্রয়োজন। রৌশনির প্রতি উষ্মা থাকলেও রুমি নামক যুবতি আমার প্রতি দয়ার্দ্র, কেননা বিলেত যাবার সময়েও আমি এখান থেকেই টিকেট কিনেছিলাম। ফোন করার পরে প্রথমেই সে ভাবল ভুলটা তারই হয়েছে, একজনকে ‘শাস্তি’ দিতে গিয়ে অন্যজনকেও দেওয়া হয়ে গেছে, অপ্রিয়র বিরাগ গিয়ে প্রিয়র রাগে ঠেকেছে। পরে আমার রাগের মুখে সে ক্ষমা চাইল, ক্ষণিকবাদে ফোন করে জানাল ভুলটা তার নয়, ক্যাথে প্যাসিফিক এয়ারলাইন্সের। তারাই লাউঞ্জ সুবিধা দিতে নারাজ। আমি তখন রুমির কাছ থেকে ক্যাথে প্যাসিফিকের লোকাল ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে জবাবদিহিতা চাই। সে তার পেশাগত নিষ্ঠার সঙ্গে মার্জনা চাইলেও দৃঢ়তার সঙ্গেই বলে লাউঞ্জ সুবিধা পেতে হলে অতিরিক্ত চার্জ দিতে হয়। আমরা কি তবে কমদামে টিকেট কিনেছি নাকি আমাদের কোনো ডিসকাউন্ট দেওয়া হয়েছে? তার সঙ্গে বাকযুদ্ধের পর স্বভাবতই রণেভঙ্গ দিতে হয়, কেননা বিনয়ী হলেও সে মূল প্রশ্নে অমীমাংসিত, উপরন্তু বিমানে চড়ার নির্দেশনা ভেসে উঠেছে ইলেকট্রনিক বোর্ডে। ক্যাথে প্যাসিফিকের মুণ্ডুপাত করতে করতে তাদেরই বিমানে চড়ার জন্য পা বাড়াই। অসাম্যমূলক আচরণ মনকে তাতিয়ে রাখে, রোশনি তেতে থাকে আরও, তার ধারণা হিংসুটে মেয়েটির জন্যই আমরা অধিকারবঞ্চিত। আর কখনও ক্যাথে পাসিফিকে চড়ব না এমন একটি প্রতিজ্ঞা নিয়ে অসন্তুষ্ট পদক্ষেপে এগুই।

বলাকার সুশীতল অঞ্চল থেকে বেরুতেই মুজতবা, হেনা আর ওদের ছোটো মেয়ে তাসনিমের সঙ্গে দেখা। ওরা যারে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সে, কুয়ালালামপুর হয়ে। ওদের বলাকা উড়বে আরও রাতে, তাই তাড়াহুড়ো নেই, ধীরে এগুচ্ছে খাদ্য ও পানীয় ঠাসা এমেক্স লাউঞ্জের দিকে। আমাদের দেখে খুশি হলো ভারি (নিজের লোক পেলে কে না খুশি হয়), ব্রিসবেনে দেখা হবে এই আশা চোখেমুখে মেখে ওরা চলে যায়, আমরা সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামি।

২.

ঢাকা থেকে ক্যাথে প্যাসিফিকের বিমান ছাড়ল রাত ৯:৩০ মিনিটে। ঢাকা-হংকং রুটে তার নাম ড্রাগন এয়ারলাইন্স। তা চীন দেশে যাচ্ছি যখন, তখন ড্রাগনে চড়ে যাওয়াই ভালো। দুই ঘণ্টার উড্ডয়নপথে অন্ধকার রাত্রিরে মুখগহŸর থেকে সে কোনো আগুন উগড়ে দিল তা দেখতে পেলাম না। ম্যাপে এমন সব নাম ভাসছিল যেগুলোর সঙ্গে পরিচয় নেই আমার। চীনা চেহারার যে বিমানবালারা খাবার পরিবেশন করে তাদের সঙ্গেও কোনো পরিচয় নেই আমার, তবে তাদের মুখে আমি আগুনের আভা দেখতে পাই, হলুদরঙা ত্বকে লাল আগুনের আভা।

বিমানে প্রশান্তি নিয়ে যখন বসেছি, তখন ভীষণ ব্যস্ততাঠাঁসা বিকেলটির কথা মনে পড়ছিল। তাড়াহুড়ো করে ব্যাগ গুছিয়েছি, লুবনা গিয়েছিল আড়ং থেকে কিছু হস্তশিল্প সামগ্রী, যা আমি উপহার হিসেবে নিয়ে যাব অস্ট্রেলিয়ায়, তা কিনতে। এয়ারপোর্ট যাবার সময় পার হয়ে যাচ্ছে, অথচ লুবনার দেখা নেই। টেনশন আরও বেড়ে গেল রোশনির ফোন পেয়ে, ওরা নাকি ইতোমধ্যে পৌঁছে গেছে। আমার চেয়ে বেশি টেনশন করছিল আমার যমজ ছেলেদের একজন- প্রান্ত, তখন বুঝিনি, পরে বুঝলাম, আমি যেহেতু বিমানবন্দরের দিকেই যাচ্ছি, প্রান্ত ৩০০ ফুট রাস্তায় বন্ধুদের একটি আড্ডায় নেমে যাবার পরিকল্পনা সাজিয়ে ফেলেছিল। সে চাচ্ছিল আমি যেন প্রথমে উড়ালসেতু বেয়ে তাকে নামিয়ে দিয়ে আসি। তুলনায় শান্ত অধিকতর বিবেচনাবোধ দেখাল, সে বলল, ‘না, বাবার দেরি হয়ে যাবে।’

টেনশন করছিলেন আমার মা, যদি আমি প্লেন মিস করি, যেমনটা হয় স্বপ্নে, কিছুতেই বিমানবন্দরে যাওয়া হয় না, স্বপ্নের প্লেন সর্বদাই হতভম্ব যাত্রীকে বিমানবন্দরে বা পথের কোনো জটাজালে ফেলে চলে যায়। মা ও প্রান্তের মিলিত অনুরোধে লুবনার জন্য অপেক্ষা না করে সুটকেসসমেত নিচের গ্যারেজে নেমে এসেছিলাম, কিছু সময় বাদে লুবনা এলে গ্যারেজেই উপহারগুলো বড়ো সুটকেসটায় ভরে নেই। এখন যখন বিমানের সিটে নিশ্চিতমনে উড়ে চলেছি তখন সন্ধ্যার সেই উত্তেজনাঠাঁসা ছবিগুলো স্মৃতিতে ফিরে আসছিল। কিছুটা অপরাধবোধে ভুগি, অতটা তাড়াহুড়োর কোনো দরকার ছিল না। আমাকে নামিয়ে দিয়েই শান্ত-প্রান্ত চলে গিয়েছিল ৩০০ ফুট রাস্তার পাশে কোনো এক রেস্তোরাঁয়, যেখানে ওদের স্কুল বন্ধুরা আড্ডায় মেতেছিল।

রাতের বিমানযাত্রা দিনের তুলনায় ফ্যাকাশে, কেননা নিচের কিছুই দেখা যায় না প্রায়, কোথাও ঘন সন্নিবদ্ধ বাতিমালা দেখলে বোঝা যায় জনপদের চিহ্ন, সে জনপদ ছোটো শহর নাকি বড়ো শহর- তা বোঝা যায় বাতিমালার ঔজ্জ্বল্য ও বিস্তৃতি দেখলে। পৃথিবীর গ্রামগুলো এখনও প্রায় বাতিহীন, আকাশের ওই ৩০-৪০ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে তাই প্রতীয়মান হয়। আমার ছবি দেখার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু একটি পূর্ণ ছবি দেখার সময় নেই বলে অনেকগুলো ছবির কিছুটা করে (শুরুটা) দেখি, হলিউডের ছবির বৈচিত্র্য আর নির্মাণকৌশল অনুধাবনের প্রয়াস পাই।

রৌশনি, বাবুলভাই আর আনিকা প্লেনে ওঠার পর থেকেই চোখের আড়াল, তাদের সঙ্গে ফের দেখা হলো উড়ন্ত ড্রাগনটি হংকং বিমানবন্দরে অবতরণের পর। সূর্যের গতির বিরুদ্ধাচরণ করে উড়েছে প্লেন, দণ্ড হলো দুই ঘণ্টা ঘড়ি থেকে উধাও, ঢাকায় তখন রাত ১২টা হলেও হংকংয়ে রাত দুটো। প্রকৃত ঘুমের সময়, বিমানবন্দরসহ গোটা হংকংই ঘুমিয়ে পড়েছে, ঘুমাচ্ছে দৈত্যাকার চীন, যার এক বিন্দুতে এই বিপুলা বাণিজ্যনগর। রাতের প্রভাবে বুঝিনি কী বিশাল এই আন্তর্জাতিক হাবটি। ইস্তানবুল যেমন টার্কিস এয়ারওয়েজের হোমগ্রাউন্ড, তাসখন্দ যেমন উজবেক এয়ারের, তেমনি হংকং হলো ক্যাথে প্যাসিফিকের হোমগ্রাউন্ড। রাত দুটো বলেই জনবিরল বিমানবন্দরটি, দুটি-একটি লোক দেখা যায়, যারা আমাদের মতোই ট্রানজিট প্যাসেঞ্জার। নামে ভারিক্কি শোনালেও ট্রানজিট প্যাসেঞ্জার আসলে উদ্বাস্তু, তার কোনো ঘর নেই, সে একপ্রকার বন্দি, কেননা সে না পারবে বিমানে উড়তে না পারবে বিমানবন্দর ছেড়ে বাইরে বেরুতে। তাকে আপ্যায়নের জন্য কোনো লাউঞ্জও খোলা নেই। অত্যাধুনিক নগরে গৃহহীন মানুষ যেভাবে ফুটপাথে ঘুমায় অত্যাধুনিক বিমানবন্দরে তার ঘুমাবার স্থান হলো বসবার চেয়ার কিংবা ফ্লোর। আমরা চারজন এদিক-সেদিক ঘুরি, কখনও কোনো বেঞ্চের উপর গিয়ে বসি। ঘুমের আবেশ মাধ্যাকর্ষণ শক্তির নিয়ম মেনে চলে, সে ভূপাতিত হতেই পছন্দ করে। ফলশ্রæতি বিভিন্ন ভঙ্গিমায় চিৎ, কাত, উপুর ও পিঠের উপর শোয়া, হেলান কিংবা আধশোয়া হয়ে থাকা। এখানে একটা মস্ত সুবিধা হলো লাগেজ হারাবার ভয় কম।

যখন অস্বস্তি লাগে, তখন হাঁটতে বের হই, আর হাঁটার জন্য কি চমৎকারই না এই সুসজ্জিত বিমানবন্দর। আমরা যেখানটায় ছিলাম, তার কাছেই এক বিরাট স্ট্যাচু, তিনদিকে পথ গেছে, আমি একটি দিক, জানি না সেটা উত্তর না দক্ষিণ, হাঁটতে থাকি, তখন দেখি বিমানবন্দরটি কী বিশাল! দুপাশে বসার আসনগুলো ছাড়াও অস্থায়ী প্রদর্শনীর মতো বিভিন্ন স্টল, যেন এক বাণিজ্যমেলা, কিংবা এক জাদুঘর, তৈজসপত্র, হস্তশিল্প, শিল্পপণ্যের বিবিধ সম্ভার রাত্রিকালীন পর্যটকের মুগ্ধতা বা কৌত‚হল- যাই বলি না কেন, ছড়াতে দণ্ডায়মান। কোথাও কৃত্রিম সব টার্ফ দেখি, বর্ণের ম্যাজিক; আর দেখি একপ্রকার পাতা যার রং লাল ও সবুজের মিশোল।

এমনি করতে করতে ভোর নামে হংকং বিমানবন্দরে। আলোর সঙ্গে ফুটে ওঠে বিস্ময়ের পর বিস্ময়, একদিকে সমুদ্র বা উপসমুদ্র, অন্যপাশে পাহাড়। পাহাড়ের পাদদেশে হংকং নগরীর কিছু বহুতল ভবন, ম্যাচবাক্সের মতো গোচরিভূত হয়। দূরে শহরটির কিছুটা অংশ পরিস্ফুট হলে শহরটি দর্শনের আকাক্সক্ষা তীব্রতর হয়। দুপাশেই রানওয়ে, উত্তরপার্শ্বে বিমানবন্দরের টাওয়ার আর বিবিধ স্থাপনা, দক্ষিণ পার্শ্বে কেবলই রানওয়ে, যার সংলগ্ন হংকং বে। দুপাশেই অনেকগুলো বিমান নোঙর করে রাখা, যেন বন্দরে ভিড়ে আছে জাহাজের সারি। সেই যে প্লেনে চড়ে পেটে কিছু দানাপানি পড়েছিল, ভোরবেলাতক আমরা আর কোনো খাবারের সন্ধান পাইনি। রৌশনি, বাবুলভাই, আনিকা ও আমি ত্রিমাথার স্ট্যাচুটির কাছেই সিঁড়ি বেয়ে দোতালায় উঠি, নিচ থেকেই দেখেছিলাম দু-একটি আন্তর্জাতিক ব্রান্ডের ফুডচেইনের মুখদেখানো সাইনবোর্ড। উঠে দেখি ওটাই ফুডকোর্ট, সঠিক জায়গাতেই আমরা এসে পড়েছি। বিমানবন্দরটির স্থাপত্য অপূর্ব, তাতে প্রচুর ধাতুর ব্যবহার, বিশেষ করে স্টিল। আর যে ধাতুতে নির্মিত বিমানগুলো সেই অ্যালুমিনিয়ামের ব্যবহারও দেখবার মতো। আমার মনে হয় প্রত্যেক বড়ো স্থাপত্যবিদই একজন শিল্পী, একজন কবি। রড-সিমেন্ট, লোহা আর কাচ দিয়ে তারা সৃষ্টি করেন শিল্প, সৃষ্টি করেন কবিতা। মুগ্ধ হয়ে সেসব দেখি। একটি সারি বেঁধে দোকানগুলো আর সমুখের উন্মুক্ত জায়গায় চেয়ার-টেবিল পেতে রাখা। আমরা সেসবের একটি অংশে বসে হালকা স্ন্যাকস খাই, আনিকা কিনে আনে খাবারগুলো। পরিবেশের আশ্চর্য প্রভাবে সুস্বাদু লাগে, অন্য সময় হলে সাদামাটা লাগত খাবারগুলো।

ততক্ষণে কর্মব্যস্ত একটি দিন শুরু হয়ে গেছে, সুবেশা চীনা নর-নারীরা পাশ্চাত্য ঢঙের পোশাক পরে চলে এসেছে বিমানবন্দরে, যাদের অনেকেরই, অনুমান করি, কর্মস্থল এই বিমানবন্দরই। তারা অনেকেই ঘুম ভেঙে পোশাক পরে প্রস্তুত হয়ে সরাসরি চলে এসেছে ফুডকোর্টে প্রাতরাশ পর্ব সম্পন্ন করতে। অনেকেই প্রভাতের কোনো ফ্লাইট ধরে উড়ে যাবে মেইনল্যান্ড চীনে।

নিচে নেমে দেখি আলোয় আলোময় হয়ে উঠেছে হংকং। পাহাড়শীর্ষে রোদের কণা, সমুদ্রবুকে রোদের পাত। টানেলের মতো টারমাকের দুপাশের পুরোটাই স্বচ্ছ ও ভারী কাচে নির্মিত। তাদের ভেতর দিয়ে হংকং বে, তার বুকে ভেসে থাকা জাহাজসমূহ, কাছের একটি দ্বীপ চোখে পড়ে। রানওয়ের উপর গতিশীল বিমানগুলো দক্ষিণ পাশ থেকে উত্তর পাশে গিয়ে আকাশে উড়ছে, গিয়ে চড়ছে পাহাড়ের অনেক উপরে। উত্তরের কাচ দিয়ে ওই পাহাড়শ্রেণির পাশ ঘেঁষে নেমে আসছে অবতরণে ইচ্ছুক বিমানগুলো। মুগ্ধ হয়ে দেখি, প্লেনের প্রতি আশৈশব একটি মুগ্ধতা আছে আমার, যে মুগ্ধতা আমাকে বিমান প্রকৌশলবিদ্যা অধ্যয়নে অনুপ্রাণিত করেছিল, যে মুগ্ধতা আমি ধরে রাখতে পািরনি, যে মুগ্ধতার অপর পিঠে রয়েছে মনোবেদনার অপার ভার।

৩.

হংকং বিমানবন্দরটি বিশাল, এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত যেতে অনেক সময় লাগে। যাত্রীসংখ্যার বিচারে এটি পৃথিবীর অষ্টম বৃহত্তম বিমানবন্দর, কার্গোর বিচারে প্রথম। ২০১৫ সালে এ বিমানবন্দরে ৬৮.৫ মিলিয়ন যাত্রী উঠানামা করেছিল। পাঁচটি হংকংভিত্তিক এয়ারলাইন্সের হাবটিতে ১০০টি এয়ারলাইন্স তাদের ফ্লাইট পরিচালনা করে, তারা উড়ে যায় পৃথিবীর ১৮০টি গন্তব্যে। পিক আওয়ারে প্রতি ঘণ্টায় ৬৮টি বিমান এ বিমানবন্দরে হয় অবতরণ করে, না হয় উড়ে যায়। বিমানবন্দরটি যে দ্বীপের উপর অবস্থিত তার নাম চেক ল্যাপ কক (মনে হবে তিনটি ইংরেজি শব্দ ঈযবপশ, খধঢ় ধহফ ঈড়পশ)। বিমানবন্দরটি যেখানে সেখানে আসলে এককালে সমুদ্র ছিল, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ভূমি অধিকার করে বানানো হয়েছে। অবরুদ্ধ লৌহশাসিত (ওৎড়হ ডধষষ) চীনের উদার ও গণতন্ত্রী গেটওয়ে এই হংকং। সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির পুঁজিবাদী দরোজা।

(চলবে)

সাময়িকী'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj