এশিয়ায় বাজারে ঊর্ধ্বমুখী এলএনজির দাম

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২০

কাগজ ডেস্ক : নভেল করোনা ভাইরাসের প্রকোপে এশিয়ার বাজারে এলএনজির (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) চাহিদা কমতে পারে বলে মনে করছিলেন খাতসংশ্লিষ্টরা। ফলে এ অঞ্চলে জ্বালানি পণ্যটির দাম কমতির দিকে থাকবে বলেই ধারণা করা হয়েছিল। তবে ঘটেছে উল্টোটা। পণ্যটির দাম না কমে বরং বাড়তে শুরু করেছে। এর পেছনে মূল প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে পণ্যটির সরবরাহস্বল্পতা। চলতি সপ্তাহে আগামী এপ্রিলে সরবরাহ চুক্তিতে এশিয়ার বাজারে এলএনজি সরবরাহ করা কার্গোর সংখ্যা কমে গেছে। তবে জাপানে পণ্যটির দাম কমতির দিকে রয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় আগামী এপ্রিলে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট এলএনজির গড় দাম দাঁড়িয়েছে ২ ডলার ২০ সেন্ট, গত সপ্তাহের তুলনায় যা ২০ সেন্ট বেশি। তবে পণ্যটির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় বাড়লেও এখনো রেকর্ড কম দামের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। নভেল করোনা ভাইরাসের প্রভাবে চাহিদা কমে যাওয়ার আশঙ্কায় এশিয়ায় জ্বালানি পণ্যটির দাম স¤প্রতি রেকর্ড কমে যায়। একই পরিস্থিতি বজায় রয়েছে মে মাসে সরবরাহ চুক্তিতে এলএনজি কার্গোর ক্ষেত্রেও। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এশিয়ার বাজারে মে মাসে সরবরাহ করা চুক্তিতে কার্গো পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাড়ছে দাম। সিঙ্গাপুরভিত্তিক একজন ব্যবসায়ী জানান, নভেল করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় এশিয়ার বাজারে কোনো এলএনজি বহনকারী কার্গো ঢুকতে চাচ্ছে না, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের কার্গোগুলো। ফলে সরবরাহ সংকটে এ অঞ্চলে পণ্যটির দাম বাড়ছে।

এদিকে স্পট মূল্য কমে যাওয়ায় এশিয়ার কতিপয় দেশ বাড়তি এলএনজি আমদানির দিকে ঝুঁকছেন। চলতি সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারতের কয়েকটি সংস্থা পণ্যটির আমদানি বাড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়া চীনের ক্রেতারাও পণ্যটির ক্রয় বাড়িয়ে দিয়েছেন। চাহিদা বাড়ায় সুযোগ বুঝে এলএনজির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে রপ্তানিকারকরাও।

অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj