হিলিতে বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম

বুধবার, ৪ মার্চ ২০২০

কাগজ প্রতিবেদক : দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে বেশ কিছুদিন স্থিতিশীল ছিল চালের দাম। তবে সম্প্রতি খাদ্যপণ্যটির দাম বাড়তে শুরু করেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে মোটা ও চিকন উভয় ধরনের চালের মূল্য কেজিপ্রতি সর্বোচ্চ ৪ টাকা থেকে সর্বনি¤œ ২ থাকা পর্যন্ত বেড়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, ধানের দাম বাড়ায় বাজারে চালের দামও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাজারে চাল সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। সব দোকানেই সব ধরনের চালের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। এরপরেও খাদ্যপণ্যটির দাম ক্রমে বাড়ছে। গতকাল মোটা জাতের ২৮ চালের প্রতি কেজি ৩৬ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এক সপ্তাহ আগে যা ৩২ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। একই দিনে স্বর্ণা জাতের চাল বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ৩২ টাকা করে। এক সপ্তাহ আগে এ জাতের প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা করে বিক্রি হয়েছিল। এদিকে গতকাল গুটি স্বর্ণা জাতের প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২৬ টাকা। আর মিনিকেট জাতের চাল বিক্রি হয়েছে ৪৮ টাকা করে। এ জাতের চালের আগের দাম ছিল কেজিপ্রতি ৪৪ টাকা।

এদিকে কেজিপ্রতি দাম বাড়ায় চালের বস্তার দামও বেড়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) চালের দাম প্রকারভেদে সর্বনি¤œ ১০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

হিলি বাজারের ক্রেতারা বলেন, পেশায় তারা ভ্যানচালক ও রিকশাচালক। চালের দাম বাড়তির দিকে থাকায় তাদের মতো নি¤œ আয়ের মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। ধাপে ধাপে চালসহ নানা ধরনের ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ছে। সে তুলনায় বাড়ছে না তাদের আয়। চালের দাম ফের কমে এলে তাদের জন্য ভালো হয় বলে জানান তারা। এছাড়া সরকার কর্তৃক ন্যায্যমূল্যে পণ্যটির বিক্রি হলেও তাদের জন্য সুবিধা হবে বলে মনে করছেন তারা।

চাল কিনতে আসা সেতারা খাতুন বলেন, এবার দেশে আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবুও বাজারে চালের দাম বাড়তে শুরু করেছে। সপ্তাহে পণ্যটির দাম বাড়ছে। এর পেছনে ব্যবসায়ীদের কারসাজি রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj