নীল শুমচা

শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

নীল শুমচা (ইংরেজি : ইষঁব চরঃঃধ) বা আসমানি শুমচা গোত্র বা পরিবারের অন্তর্গত এক প্রজাতির ছোট রঙচঙে বনচর পাখি। সারা পৃথিবীতে প্রায় ১০ লাখ ২০ হাজার বর্গকিলোমিটার জায়গা জুড়ে এদের আবাস। বিগত কয়েক দশক ধরে এদের সংখ্যা কমে গেলেও আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেনি। নীল শুমচার মূল আবাস দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে। বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, চীন, থাইল্যান্ড, লাওস, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনাম জুড়ে এদের বিস্তৃতি। নীল শুমচা ডোরাকাটা পেট ও ঘন নীল পিঠওয়ালা ছোট বনচর পাখি। এর দৈর্ঘ্য কমবেশি ২৩ সেন্টিমিটার, ডানা ১১ সেন্টিমিটার, ঠোঁট ২.৩ সেন্টিমিটার, পা ৪.৪ সেন্টিমিটার ও লেজ ৬ সেন্টিমিটার। ওজন মাত্র ১১০ গ্রাম। পিঠের দিকটা ঘন নীল। কপাল ও মাথার চাঁদির সামনের অংশ সবজে-ধূসর। ভ্রæরেখা, গাল ও গলার অংশবিশেষ হালকা হলুদ বর্ণের। ডানার প্রান্ত পালক কালচে। কাঁধ ঢাকনি, দেহের পেছনের অংশ, ডানা ও লেজ ঢাকনি নীল। সাদা দেহতলের পুরোটায় অসংখ্য ঘন নীল তিল ও ডোরা রয়েছে, যা অনেকটা মাছের আঁশের মতো দেখায়। নীল শুমচা চিরসবুজ বনতলে ঘন গুল্ম, বাঁশঝাড় ও বনের খাদে বিচরণ করে। সচরাচর একা বা জোড়ায় জোড়ায় থাকে। এদের খাদ্যতালিকায় রয়েছে গুবরে পোকা, কীট, স্থলজ শামুক, পিঁপড়া ও অন্যান্য পোকামাকড়। সাধারণত মে থেকে জুলাই নীল শুমচার প্রধান প্রজনন ঋতু। স্থানভেদে প্রজনন মৌসুমে বিভিন্নতা দেখা যায়। এরা ঘন চিরসবুজ বনে বাসা বানায়। বাসার মূল উপাদান বাঁশপাতা, ঘাস বা মূল। বাসা বানানো হয়ে গেলে ৪-৬টি সাদা রংয়ের ডিম পাড়ে।

মুক্তচিন্তা'র আরও সংবাদ
নিতাই চন্দ্র রায়

এই যুদ্ধে জয়ী হতে হবে

ড. মো. তাসদিকুর রহমান

আসুন সরকারের নির্দেশনা মানি

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

ব্যক্তিগত আক্রমণ গ্রহণযোগ্য নয়

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

ঐক্যের বিকল্প কিছু নেই

বিভুরঞ্জন সরকার

আমরা কথা ও কাজে এক হব কবে?

শরদিন্দু ভট্টাচার্য্য টুটুল

করোনায় গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা

মুহম্মদ জাফর ইকবাল

করোনার জন্য প্রস্তুতি

Bhorerkagoj