কিটসের সংকট নেই : জ¦র নিয়ে দক্ষিণ কোরীয় নাগরিক হাসপাতালে

বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০

কাগজ প্রতিবেদক : দেশে এখনো পর্যন্ত প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের কোনো রোগী পাওয়া যায়নি। দেশিও ২ হাজার কিটস থাকার পাশাপাশি চীন থেকে আরো ৫০০ কিটস আসায় করোনা ভাইরাস শনাক্তে দেশে কিটসের আর কোনো সমস্যা থাকবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এই ভাইরাসটির চিকিৎসা করতে দেশের ট্রিটমেন্ট প্রটোকলের পাশাপাশি চীনের ট্রিটমেন্ট প্রটোকল হাতে আসায় করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় আর ভয়ের কিছু থাকবে না।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ট্রিটমেন্ট প্রটোকল গাইড বই ও করোনা ভাইরাস পরীক্ষার জন্য ৫০০ কিটস স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা প্রমুখ।

এদিকে দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে আইইডিসিআরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক জানান, দেশে করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। সিঙ্গাপুরে করোনা আক্রান্ত ৫ বাংলাদেশির অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। তিনি জানান, শরীরে জ্বর নিয়ে বাংলাদেশে আসার পর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার একজন নাগরিক। সতর্কতা হিসেবে তাকে একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শরীরে জ্বর থাকলেও করোনা ভাইরাস বা ভয় পাওয়ার মতো কিছু এখনো পাওয়া যায়নি। ওই বিদেশি নাগরিকের শরীরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, পরীক্ষা করলেই সব নিশ্চিত হওয়া যাবে। দেশে এখন পর্যন্ত ৯০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, তবে কারো মধ্যে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস পাওয়া যায়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বরাত দিয়ে আইইডিসিআর পরিচালক জানান, এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর অবস্থা যদি মাইল্ড কেস হয়, তবে দুই সপ্তাহে ভালো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, আর সিভিয়ার কেস হলে ভালো হতে ৬ থেকে ৭ সপ্তাহ সময় লাগে।

প্রথম পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj