বদরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা সংকট : রোগীদের ভরসা আয়া ও দারোয়ান!

বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ফেরদৌস আহমেদ, রংপুর থেকে : নানা সংকটে ভুগছে বদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ৫০ শয্যার ভবনটিতে অপারেশন থিয়েটারসহ সব সুযোগ-সুবিধা থাকলেও সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন রোগী ভর্তি হয় হাসপাতালে। গাইনি বিভাগে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এবং ১ জন শিশু বিশেষজ্ঞ আছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসারের ১৯টি পদ থাকলেও বর্তমানে আছেন ১৬ জন। কোনো কোনো ভবনে ৩য়/৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী বসবাস করছেন। রোগীদের ড্রেসিং ও সেলাই করেন আয়া ও পিয়নরা। বিষ খাওয়া রোগীর ওয়াশ করেন পিয়ন-দারোয়ান। অপরদিকে এক্সরে মেশিনটি দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ে থাকলেও সেটি মেরামত করার উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। ফলে মুমূর্ষু রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিকের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। আল্ট্রা সনোগ্রাম মেশিন থাকলেও অপারেটর না থাকায় তার সেবা পাচ্ছে না বদরগঞ্জবাসী। এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আউটডোরে রোগী দেখেন মেডিকেল এসিসটেন্টরা। মেডিকেল অফিসাররা সপ্তাহে একদিন নাইট ডিউটি করেন। প্রতিদিন অফিস করার বিধান থাকলেও মেডিকেল অফিসাররা তা করেন না। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ অফিসার ও আবাসিক মেডিকেল অফিসারের বাধ্যতামূলক আবাসিক ভবনে অবস্থান করার বিধান থাকলেও কেউ আবাসিক ভবনে থাকেন না। সবাই রংপুর থেকে আসেন। এতে কোটি টাকার আবাসিক ভবনগুলো অযতœ-অবহেলায় নষ্ট হতে বসেছে। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. আরশাদ হোসেন সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

সারাদেশ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj