চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : বানিয়াচংয়ে একই রাস্তার নাম বদলে ৪ বার নির্মাণ বরাদ্দ!

বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০

জীবন আহমেদ লিটন, বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) থেকে : জেলার বানিয়াচং উপজেলার কাগাপাশা ইউনিয়নে একটি গ্রামীণ রাস্তায় ৪ বার নাম পরিবর্তন করে সরকারি বরাদ্দ নিয়ে পুরো ২০ লক্ষধিক টাকাই ইউপি চেয়ারম্যান পকেটস্থ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত রবিবার বিকাল ৩টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে এ সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই ইউনিয়নের বাগহাতা গ্রামের আব্দুর রহমান মিয়ার ছেলে আব্দুর রউফ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কাবিটা প্রকল্পের আওতায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আনন্দ বাজার থেকে সরালিয়া হাটি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণে বরাদ্দ দেয়া হয় ২ লাখ ৯৯ হাজার ১৪৫ টাকা। কর্মসৃজন প্রকল্প থেকে একই রাস্তার নাম পরিবর্তন করে একই অর্থবছরে আনন্দ বাজার উকিল মিয়ার দোকান থেকে চমকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণে ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। একই রাস্তার নাম পরিবর্তন করে আগের বরাদ্দ কর্মসৃজন প্রকল্প ২০১৭-১৮ অর্থবছরে আনন্দ বাজার থেকে সরালিয়া হাটির জামে মসজিদ হয়ে সরালিয়া হাটির পূর্ব মাথা পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের জন্য ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ হয়। একই রাস্তার নাম পরিবর্তন করে চমকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সরালিয়া হাটির জামে মসজিদ পর্যন্ত রাস্তা পুনর্নির্মাণে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে টিআর প্রকল্পের ৬১ হাজার ৯২৭ টাকা বরাদ্দ হয়। ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে একই রাস্তার ৪ বার নাম পরিবর্তন করে মোট ২০ লাখ ৮১ হাজার ৭২ টাকা বরাদ্দ নিয়ে ওই রাস্তায় কোনো রকম কাজ না করে সব টাকা আত্মসাৎ করেন বানিয়াচং ৬নং কাগাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. এরশাদ আলী।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান এরশাদ আলী জানান, তিনি বরাদ্দ পেয়ে ভিন্ন ভিন্ন রাস্তায় কাজ করিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মামুন খন্দকার জানান, অভিযোগে কেউ দোষী হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সারাদেশ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj