সাক্ষাৎকার > শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী : আমাদের অনেক সৌভাগ্য আমরা মুজিববর্ষ পেয়েছি

মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

কাগজ প্রতিবেদক : এবারের মেলা একেবারে অন্যরকম সাজে সেজেছে। এর স্টল বিন্যাস থেকে শুরু করে পুরো প্রাঙ্গণ একেবারে সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো হয়েছে। এমনকি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও দেখেছি বেশ জোরদার করা হয়েছে। ধুলোবালি ও কম। আমার কাছে তো এবারের বইমেলাকে ইদানীংকালের সবচেয়ে সেরা মেলা মনে হচ্ছে। গতকাল বইমেলা প্রসঙ্গে ভোরের কাগজের এক প্রশ্নের জবাবে শহীদজায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে বইমেলা সেজেছে অন্যরকম সাজে, এবারের বইমেলাও বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করা হয়েছে, কেমন লাগছে? এর জবাবে তিনি আরো বলেন, আমাদের খুব সৌভাগ্য যে আমরা মুজিববর্ষ পেয়েছি। তরুণরাও তো এই মুজিববর্ষকে খুব ভালোভাবে নিয়েছে। আমারো বেশ ভালো লাগছে, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে চারদিকের এ আয়োজন। এতে করে আমাদের ভেতরে যে দুঃখটা ছিল নতুন প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুকে চিনল না, জানল না, বইপত্রে নাই। সেই দুঃখটা এবার দূর হবে। আমার বিশ্বাস তারা বঙ্গবন্ধুকে অনেক বেশি করে চিনবে এবার। বিভিন্ন স্কুল কলেজের অনুষ্ঠানে মাধ্যমে ছোট ছোট বাচ্চারা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে যা লিখছে এবং যা বলছে তাও সত্যি খুবই আশাব্যঞ্জক।

তিনি বলেন, আমরা চাই, প্রত্যেকের মাথার মধ্যে যেন বঙ্গবন্ধু যেন গেঁথে যায়। বঙ্গবন্ধুর আদর্শই তো বাঙালির জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা। তিনি আমাদের বাংলাদেশ দিয়েছেন। সেই মানুষটার আদর্শ আর নীতি তো সর্বশ্রেষ্ঠ এবং অতুলনীয়। সেটা যদি আমাদের ছেলেমেয়েরা ভেতরে আত্মস্থ করে তাহলে আমাদের আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। দুঃখ থাকবে না। ফেলে আসা মেলার স্মৃতিচারণ করে এই শহীদজায়া বলেন, তখন তো খুব ছোট পরিসরেই মেলা ছিল। এই মেলার সঙ্গে সেই মেলার কোনো তুলনাই হয় না। তবে সেটাও কম ছিল না। আমাদের অন্যরকম একটা আবেগের জায়গা ছিল। যে আসন অনেক বড় জায়গাজুড়ে আছে এখনো।

শেষ পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj