টুকি-টাকি

শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ইন্দোনেশীয় মন্ত্রীর প্রস্তাব দারিদ্র্য কমাতে ধনীরা বিয়ে করুন গরিবদের

কাগজ ডেস্ক : দেশে দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনতে গরিবদের বিয়ে করার জন্য ধনীদের প্রস্তাব দিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার এক মন্ত্রী। বুধবার স্থানীয় দৈনিক জাকার্তা পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার সমন্বিত মানব উন্নয়ন ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী মুহাদজির এফেন্ডি বলেছেন, কী হবে (বিয়ের জন্য) গরিব মানুষরা যদি অন্য গরিবদের খোঁজেন? এটা ইন্দোনেশিয়ার জন্য এক ধরনের সমস্যা। মন্ত্রী বলেন, ইন্দোনেশিয়ায় প্রায় ৫০ লাখ গরিব পরিবার আছে; যা দেশের মোট ৫ কোটি ৭১ লাখ পরিবারের ৯ দশমিক ৪ শতাংশের সমান। তিনি বলেন, এর সঙ্গে যদি নি¤œ আয়ের পরিবারগুলো যোগ করা হয়; তাহলে সেই সংখ্যা ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ অর্থাৎ দেড় কোটিতে দাঁড়াবে। জাকার্তা পোস্ট বলছে, মন্ত্রী এফেন্ডি দেশটির ধর্মমন্ত্রী ফখরুল রাজিকে একটি ফতোয়া জারির পরামর্শ দিয়েছেন। এই ফতোয়া জারি হলে ধনী এবং গরিবরা বিয়ে করার জন্য পরস্পরকে খুঁজে নেবেন। এ ছাড়া যেসব তরুণ-তরুণী বিয়ে করতে ইচ্ছুক, কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে পারছেন না তাদের জন্য প্রি-ম্যারিটাল সার্টিফিকেশন নামে একটি কর্মসূচি চালু করারও প্রস্তাব দেন।

১৮৩ টাকার লটারিতে সাড়ে চার কোটির খামারবাড়ি!

কাগজ ডেস্ক : যুক্তরাজ্যের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডের বিলস্টোনের অধিবাসী জেম্মা নিকলিন (২৩)। মাত্র ২৩ বছর বয়সেই সাড়ে ৪ কোটি টাকার একটি খামার বাড়ির মালিক তিনি। তবে পরিশ্রম করেও এই বাড়ি গড়েননি তিনি, পাননি উত্তরাধিকার সূত্রেও। খামার বাড়িটি তার ভাগ্য পরীক্ষায় অর্জিত। স¤প্রতি তিনি ২ ইউরোর (বাংলাদেশি ১৮৩ টাকা) একটি লটারির টিকেট কাটেন। আর তাতেই বাজিমাত! সেই টিকেট তাকে পাইয়ে দিয়েছে পাঁচ লাখ ইউরো মূল্যের ফার্ম হাউস বা খামার বাড়ি। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেই বাড়ির দাম ৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। যুক্তরাজ্যের লুডনোর শ্যাম্পশায়ারের ওই খামার বাড়িটি আগেই পছন্দ করেছিলেন জেম্মা নিকলিন। এটি জেতার জন্য জেম্মার বাবা-মা ও বন্ধু- সবাই লটারির টিকেট কেটেছিলেন। তার বাবা-মা কেটেছিলেন ১০টি টিকেট। তার বন্ধু কিনেছিলেন পাঁচটি টিকেট। জেম্মা কেটেছিলেন মাত্র দুটি টিকেট। আর তাতেই খুলে গেছে তার কপাল।

সন্ত্রাস ছেড়ে কবি

কাগজ ডেস্ক : তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবি উপন্যাসের নিতাই চরিত্রকে বাস্তবে ছাড়িয়ে গেছেন সিয়েরা লিয়নের বাসিন্দা ইউসুফ কামারা। নিচু জাতের নিতাই গ্রামের সবাইকে চমকে দিয়ে কবি হয়েছিল। আর ইউসুফ কামারা তার দেশের রাজধানী ফ্রি টাউনের মানুষদের চমকে দিয়ে সন্ত্রাসী গ্যাংয়ের নেতা থেকে কবি হয়েছেন। ফ্রিটাউনের এক্সোডাস লেনে কিশোর বয়সে কয়েক ডজন সমবয়সীকে নিয়ে জিভারদাম গাজা নামের একটি গ্যাং তৈরি করেছিলেন কামারা। ছয় ফুট লম্বা কামারা বলেন, আপনি যদি কোনো ঠগকে চান…কাউকে পেটাতে, তাহলে স্রেফ এক্সোডাস লেনে গিয়ে জিভারদামের ছেলেদের খুঁজলেই চলবে। রাস্তার জীবনে বিতৃষ্ণ হয়ে এখান থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছিলেন কামারা। সেই পথও মিলে গেল। ২০০৮ সালে এক ইংরেজ সিনেমা নির্মাতা অবহেলিত তরুণদের শিল্পের পথে নিয়ে আসতে একটি মিডিয়া স্টুডিও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

ডাক্তার সেজে চেম্বারে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি, ওষুধও দিলেন

কাগজ ডেস্ক : হাসপাতালে এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি ডাক্তারের চেম্বারের বসে একের পর এক দেখতে থাকলেন রোগী। শুধু তাই নয়, রোগী দেখে লিখে দিলেন ওষুধও! কিন্তু কেউ টের পায়নি। এমন অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের ছত্তরপুরে। খবর অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে ১৭ ফেব্রুয়ারি। ছত্তরপুর জেলা হাসপাতালে প্রচুর রোগীর ভিড়। এ সময়ই সুযোগ পেয়ে নাকি ডাক্তারের চেম্বার ঢুকে পড়েন এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি। হাসপাতাল কর্মীদের নজরের আড়ালে একের পর এক রোগী দেখতেও শুরু করে দেন তিনি। এমনকি, রোগীদের সঙ্গে সুস্থভাবে কথাও বলেন এবং লিখতে শুরু করেন প্রেসক্রিপশন।

জানা গেছে, প্রায় ২০ জন রোগী দেখার পর গোটা বিষয়টি নজরে আসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। সঙ্গে সঙ্গেই ব্যক্তিকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালের অনত্র। হাসপাতালের ভিতরে থাকা ওষুধ বিক্রেতা জানান, এক রোগী প্রেসক্রিপসন নিয়ে আসে ওষুধ কিনতে। প্রেসক্রিপশন দেখেই বিষয়টি সন্দেহের লাগে। তখন খোঁজ নিয়েই জানতে পারি, ওই চেম্বারে যিনি রয়েছেন, তিনি ডাক্তার নন!

দূরের জানালা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj