পুঁজিবাজারে সক্রিয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা

বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০

কাগজ প্রতিবেদক : বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সহায়তা দেয়ার পর পুঁজিবাজারকে গতিশীল অবস্থায় ফিরে এসেছে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছিল ৩৪০ কোটি। এদিন রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকগুলোর ২০০ কোটি টাকার ফান্ড গঠনের সুযোগ প্রদানের সার্কুলার জারি করে। এর পরেরদিন থেকেই অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ?পুঁজিবাজারের পুরো দৃশ্যপট পাল্টে যায়। ৩৪০ কোটি টাকা দৈনিক লেনদেন থেকে ৫০০ কোটি টাকা অতঃপর মাত্র ৬ কার্যদিবসের মধ্যেই লেনদেন আজ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাই আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। গত মঙ্গলবার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন সিকিউরিটিজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করলে তারা জানান, পুঁজিবাজারকে গতিশীল করতে নীতি নির্ধারণী দায়িত্বশীল আচরণ করছে।তাই এখন দায়িত্ব হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের বিশেষ করে পুঁজিপতিদের হাতে। এক্ষেত্রে পুঁজিপতি তথা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে আসলে বাজারের মন্দের চিত্র পাল্টে যাবে মনে করেন তারা। তারা জানান, পুঁজিপতি বিনিয়োগকারী অর্থাৎ যারা বড় অঙ্কের লেনদেন করেন, তাদের জন্য বেশিরভাগ সিকিউরিটিজ হাউস এবং মার্চেন্ট ব্যাংকে আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। বিগত সময়ে ধারাবাহিক মন্দা বিরাজ করায় পুঁজিপতি বিনিয়োগকারীরা বাজারবিমুখ ছিলেন। ফলে অধিকাংশ হাউজ এবং মার্চেন্ট ব্যাংকের সংরক্ষিত আসনগুলো ফাঁকা ছিল।

বিগত দিনগুলোর ধারাবাহিক পতনে পুঁজিপতি বিনিয়োগকারীরা প্রায় অনুপস্থিত হয়ে পড়েছে। তবে বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর ফলে বিনিয়োগকারীরা পুনরায় সক্রিয় হতে শুরু করেছেন। সরগরম হচ্ছে সিকিউরিটিজ হাউস।

অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj