রূপগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি

মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি : রূপগঞ্জ উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিনদিন অবনতি হচ্ছে। পুলিশি তৎপরতা না থাকায় বেড়েছে অপরাধের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ। থানা সূত্রে জানা যায়, এ বছর ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার তারাবো পৌরসভার নোয়াপাড়া এলাকার হায়দার আলী নামে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ডাকাতরা পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারসহ ২ লাখ টাকার মালামাল লুট করে।

১৮ জানুয়ারি রাতে তারাবো ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মৃত আয়াত আলীর বাড়ি থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ ৩ লাখ টাকা ও ৫০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায় ডাকাটদল। এ ঘটনায় মামলা হলেও ডাকাত দলের সদস্যরা রয়ে যায় অধরা। একইভাবে ৬ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে উপজেলার দক্ষিণ রূপসীর দেলোয়ার নামে ব্যক্তির বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ডাকাত দলের সদস্যরা পরিবারের লোকজনকে মারধর করে স্বর্ণালঙ্কারসহ ১ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নেয়। গত ৫ জানুয়ারি রাতে উপজেলার ইছাপুরা বাজারে ৪টি জুয়েলারি দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় স্থানীয় বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক রোমান মোল্লা থানায় ফোন দিয়ে সাড়া না পেয়ে ৯৯৯-এ কল দেন। ততক্ষণে ৪টি দোকানের ৩০ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ নগদ অর্থ লুটে নেয় ডাকাতদল। একইভাবে উপজেলার বরপা এলাকার মাসুম খানের বাড়িতে, ফকির চাঁন, এস এম শাহাদাত, আসলাম মোল্লাসহ বিভিন্ন বাসাবাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এছাড়াও বেড়েছে সাধারণ কৃষক ও খামারির গোয়াল থেকে গরু চুরির ঘটনা। এসব বিষয়ে থানা মামলা দিয়েও প্রতিকার পাচ্ছেন তারা।

সরেজমিন দেখা যায়, অনেকটা আয়োজন করেই চলছে তেল চুরির ঘটনা। রূপগঞ্জের মহাসড়কের পাশে খুপড়ি ঘর করে দীর্ঘদিন ধরে চলছে চোরাই কারবার। অভিযোগ রয়েছে, ওসি মাহমুদুলকে ম্যানেজ করে এসব কারবার চলছে। নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে ওসির বডিগার্ড রবিউল এবং ওসির ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিতি পিরোজপুরের শাহীন। এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, ডাকাতি ও চুরির সংখ্যা তেমন নয়। তবে পুলিশ সব সময় অপরাধ দমনে তৎপর আছে। এ সময় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

সারাদেশ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj