সংসদে শাহাব উদ্দিন : ২০১৬-১৯ সালে বায়ুমান বেশি খারাপ ছিল

সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

কাগজ প্রতিবেদক : শুষ্ক মৌসুমে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত বাষুদূষণের মাত্রা ক্রমান্বয়ে বেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

গতকাল রবিবার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মনজুর হোসেনের প্রশ্নের লিখিত জবাবে শাহাব উদ্দিন বলেন, ২০০২ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বায়ুমানের ডাটা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০১৯ এই তিন বছর বায়ুমান বেশি খারাপ ছিল।

তিনি বলেন, এ সময় বিভিন্ন বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণ কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় এমনটি ঘটেছে।

মন্ত্রী জানান, পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য বিভাগীয় ও শিল্পঘন শহরগুলোতে সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরিবীক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে বায়ুর গুণগতমান পরিমাপ করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, পরিবেশ অধিদপ্তর ইটভাটাকে জ্বালানি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব উন্নত প্রযুক্তিতে রূপান্তরের কাজ করছে। পরিবেশ দূষণকারী ইটভাটার বিরুদ্ধে ২০১৫ সাল থেকে অভিযান পরিচালনা করে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৭ কোটি ৯৯ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সারাদেশে প্রায় ৬০০ অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করা হবে।

পরিবেশমন্ত্রী জানান, ২০১৫ সালের মধ্যে শতভাগ ব্লুক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে গেজেট প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সব বেসরকারি কাজে ইটের বিকল্প ব্লুক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য শাহে আলমের প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন জানান, পরিবেশের জন্য চরম ক্ষতিকর নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন বন্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে পলিথিন জব্দ ও জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj