পেঁয়াজবৃত্তান্ত

শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে ইরান, পশ্চিম কিংবা মধ্য এশিয়াকে পেঁয়াজের উৎপত্তিস্থল বলে দাবি করা হয়। তবে এর ব্যবহার যে প্রাচীন তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। খ্রিস্টের জন্মের ৫ হাজার বছর আগে চীনে এর ব্যবহার ছিল। প্রাচীন মিসরেও রাজার দেহ মমি করার আগে চোখের কোটরে পেঁয়াজের বিচি ঢুকিয়ে দেয়া হতো বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে পেঁয়াজের উপকারিতা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

ভেষজ-শাস্ত্রে পেঁয়াজের গুণগান করা হয়েছে। এটি যৌন-ক্ষমতা এবং কাম-বৃদ্ধি করতে পারে বলে এর নানা রকমের ওষুধি ব্যবহার রয়েছে। একই কারণে দেহ শীতল রাখার স্বার্থে হিন্দু বিধবাদের জন্য পেঁয়াজ-রসুন পরিহার করার উপদেশ দেয়া হয়েছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আইনুন নাহার বিবিসি বাংলাকে বলেন, রান্নায় পেঁয়াজের ব্যবহার নেই, বাঙালি একথা ভাবতেই পারে না। এটা আমাদের খাদ্য-সংস্কৃতির একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কেননা, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ব্যবহারের ফলে বিশেষ গোলাকৃতি এই সবজিটি বাঙালির রান্না একটি বাধ্যতামূলক উপাদানে পরিণত হয়েছে। অভ্যস্ততার বিষয়টি ব্যাখ্যা করে অধ্যাপক নাহার বলেন, ‘তরকারিতে পেঁয়াজ ব্যবহার করা হয়নি, এটা বলে না দিলে আপনি সহজে টের পাবেন না।

দূরের জানালা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj