কমেছে সূচক ও লেনদেন : ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি পুঁজিবাজার

বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

কাগজ প্রতিবেদক : ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগছে দেশের পুঁজিবাজার। ২০১৯ সালের প্রথম থেকে যে পতনের শুরু তা অব্যাহত রয়েছে নতুন বছরের শুরুতেও। কখনো কখনো পতনের মাত্রা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। পতনের মধ্যেও আবার কখনো কখনো উত্থান হয়েছে। চলতি সপ্তাহে প্রথম দুই কার্যদিবস উত্থান হয়েছিল পুঁজিবাজারে। ঠিক পরের কার্যদিবস অর্থাৎ গতকাল মঙ্গলবার আবার পতনে শেষ হয়েছে লেনদেন।

গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪৭৯ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট, ডিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট এবং সিডিএসইটি সূচক ৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১০৩১, ১৫২৬ এবং ৯১৩ পয়েন্ট।

ডিএসইতে গতকাল টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৪৫৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। যা আগের দিন থেকে ৫২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা কম। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৫০৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকার।

ডিএসইতে ৩৫৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩১টির বা ৩৭ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। দর কমেছে ১৭৭টির বা ৫০ শতাংশের এবং ৪৮টি বা ১৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে লাফার্জহোলসিমের শেয়ার। এ দিন কোম্পানিটির ২৫ কোটি ৪৯ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা বিবিএস কেবলসের ১৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকার এবং ১২ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে উঠে আসে সামিট পাওয়ার। ডিএসইর টপটেন লেনদেনে উঠে আসা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে : স্কয়ার ফার্মা, গ্রামীণফোন, ইন্দো-বাংলা ফার্মা, খুলনা পাওয়ার, এডিএন টেলিকম, ওয়াইম্যাক্স এবং ভিএফএস থ্রেড ডাইং। অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এ দিন ৬৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৬৪২ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৪৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৮৮টির, কমেছে ১২৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির দর। গতকাল সিএসইতে ১৮ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

ব্লুক মার্কেটে লেনদেন ১০ কোটি টাকা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লুক মার্কেটে গতকাল ১০টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির ১০ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ব্লুক মার্কেটে অংশ নেয়া কোম্পানিগুলোর ১৮ লাখ ৭৯ হাজার ৭৬৯টি শেয়ার ১৫ বার হাত বদল হয়েছে। এর মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর ৯ কোটি ৮২ লাখ ৪৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ লাফার্জহোলসিমের ৩ কোটি ৯০ লাখ ৬০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩ কোটি ৫৬ লাখ ৫২ হাজার টাকার ব্র্যাক ব্যাংকের এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ৪৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে স্কয়ার ফার্মার।

এছাড়া কনফিডেন্স সিমেন্টের ৪১ লাখ ৪৭ হাজার টাকার, ম্যারিকোর ৪০ লাখ ৭৭ হাজার টাকার, এমএল ডাইংয়ের ৪১ লাখ ৭১ হাজার টাকার, নর্দার্ন জুটের ১৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকার, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ৯ লাখ ২০ হাজার টাকার, সিনোবাংলার ২২ লাখ ৬৮ হাজার টাকার এবং স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের ১৪ লাখ ৬৪ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj