আজিজ পাইপস্ : মালামাল বিক্রি কম হওয়ায় লোকসানে

বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

কাগজ প্রতিবদেক : আজিজ পাইপস্ লিমিটেডের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) কমেছে। কোম্পানিতে গত বছরের তুলনায় লেনদেনের হার (অর্থ প্রবাহ) কম হওয়ায় আয়ও কমেছে বলে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। একই সঙ্গে কোম্পানির পণ্য বিক্রি কম হওয়ার চলতি মূলধনের অভাব রয়েছে। যে কারণে কোম্পানির উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে না পারার আশঙ্কাও রয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়বেসাইটে প্রকাশিত তথ্যানুসারে, অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৮ সালে ইপিএস ছিল ০.১৮, চলতি বছরে একই সময়ে তা কমে লোকসান হয়েছে ০.০১। ২০১৮ সালে জুলাই-ডিসেম্বর ছিল ০.২৯, যা জুলাই-ডিসেম্বরে হয়েছে ০.২১। একই সঙ্গে ২০১৯ সালে এনওসিএফপিএস ছিল জুলাই-ডিসেম্বরে ৭.২২, যা আগের বছরে ছিল ১২.৪৮। ৩১ ডিসেম্বর শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএনভি) ১৭.২৩, যা ২০১৯ সালের ৩০ জুন হয়েছে ১৬.৭৪। লোকসানের কারণ হিসেবে আজিজ পাইপস্ লিমিটেড জানায়, গত বছরের তুলনায় লেনদেন কম হওয়ায় ইপিএস কমেছে। এনওসিএফপিএস হ্রাসের কারণ হিসেবে পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ পরিশোধ করা হয়। অন্যদিকে কোম্পানির বিক্রয় করা পণ্যের অর্থ আদায় কম হওয়ার প্রভাব পড়েছে কোম্পানিটিতে। কোম্পানির বিশেষ একটি সূত্র জানায়, ব্যাংকের ঋণ পুনঃতফসিলিকরণে বাংলাদেশ ব্যাংকে সার্কুলার-৫ অনুযায়ী আবেদন করে। ইতোমধ্যে তা ব্যাংকের বিধিবিধানের জটিলতায় পুনঃতফসিলিকরণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে কোম্পানিটি চলতি মূলধনের অভাবে উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে না পারার আশঙ্কা রয়েছে।

বাকিতে কাঁচামাল সরবরাহকারীরা তাদের বকেয়া পরিশোধে কোম্পানির অপারগতার জন্য নিয়মিত কাঁচামাল সরবরাহ না করায় গত অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে উৎপাদন ও বিক্রয় কার্যক্রম খুব ধীর গতিতে চলে।

উৎপাদন এমনভাবে চলতে থাকলে গত ৩ বছরে কোম্পানি যে লাভের ধারাবাহিকতায় ফিরে এসেছিল তা ধরে রাখতে পারবে না। ফের লোকসানে যাওয়া আশঙ্কা করেছেন অনেকে।

অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj