বাছুর পরিবার : মাশরুফা বাসার ছড়া

বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২০

ছুটির দিনে আমি পাশের বাড়ি নয়নার সঙ্গে খেলতে যাই। ওদের অনেকগুলো গরু আছে। আর সেই গরু থেকে ওরা অনেক দুধ পায়। আমরা ওদের কাছ থেকে দুধ কিনি। একদিন নয়না আমাকে গরুর দুধ সংগ্রহ করা দেখাতে নিয়ে গেল। তারপর সে সবগুলো গরুর সঙ্গে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিল। সবার আগে পরিচয় দিল বাছুরের। বাছুরটা অনেক কিউট। এই বাছুরের মামণির কাছ থেকেই ওরা দুধ নেয়। কিন্তু মামণিটার মন সবসময় খারাপ থাকে। কারণ বাছুরের নানাভাইকে নাকি গত ঈদে কুরবানির হাটে বেচে দেয়া হয়েছিল। আর বাছুরের একটা খালা আর একটা মামাও ছিল। খালাটা সারাদিন কি যেন চিবিয়ে খেত। খুব পেটুক ছিল বোধহয়। একদিন খেতে খেতেই জিভ উল্টে মরে গিয়েছিল।

নয়নার আম্মুর ধারণা, সে বিষাক্ত কোনো কিছু খেয়ে ফেলেছিল। আর ওই যে, বাছুরের মামাটা; গত সপ্তাহে সেও হাটে বিক্রি হয়ে গেছে। এখন আছে কেবল বাছুর, তার মা আর নানি। বাছুরের মামণির মন খারাপ হলেও বাছুর কিন্তু অনেক খুশি। এটা ওর চোখ দেখেই বোঝা যায়। বড় বড় চোখ ওর। কি সুন্দর দেখতে! আর কি সুন্দর করে তাকায়!

কিন্তু বাছুরটা এত খুশি কেন জানো?

নয়না বলল, আর কিছুদিন পরেই নাকি ওর নানির একটা বাছুর হবে। তখন সে একটা খেলার সাথী পাবে। আর সেজন্যই বাছুরটা খুব খুশি। বাছুরের খুশি দেখে আমিও অনেক খুশি।

য় চতুর্থ শ্রেণি, যশোর ইংলিশ স্কুল এন্ড কলেজ, ক্যান্টনমেন্ট, যশোর

ইষ্টিকুটুম'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj