কয়লা খনিতে ‘পর্যটন কেন্দ্র’

শনিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২০

কাগজ ডেস্ক : অতীতে পূর্ব জার্মানির লুজাটিয়ার কয়লাখনিতে ৬৫ হাজার লোক কাজ করত। ১৯৯০-এর দশকে খনি বন্ধের পর হাজার হাজার মানুষ চাকরি হারায়। এই বেকারদের ক্ষতিপূরণ প্রদানে শুরু হয় ওই এলাকায় পর্যটন কেন্দ্র বানানোর কাজ। সেই পথ ধরে সেখানকার প্রায় ৩৭ হাজার একর এলাকা এখন ইউরোপের সবচেয়ে বড় জলকেলির জায়গা। উন্মুক্ত কয়লা খনির ওই জায়গা বর্তমানে জেনফটেনব্যার্গ লেক আর সৈকত ও সূর্যস্নানের জায়গা। এক সময় পূর্ব জার্মানির জ্বালানি খাত কয়লার ওপর নির্ভরশীল থাকলেও ১৯৯০ সালে দুই জার্মানির পুনরেকত্রীকরণের পর পরিস্থিতি পালটে যায়। তখন ডজন ডজন কয়লাখনি বন্ধ হতে থাকলে সেগুলোকে ভিন্ন কাজে ব্যবহারের চিন্তা শুরু হয়। ডয়চে ভেলের খবরে বলা হয় উন্মুক্ত কয়লা খনির ওই জায়গা বর্তমানে জেনফটেনব্যার্গ লেক আর সৈকত ও সূর্যস্নানের জায়গা। লেক গ্রোসব্যাশেন এলাকার উঁচু জায়গায় ইয়োহানিটার ও পিনোটিন জাতের আঙ্গুর ফলান করনেলিয়া ভোবার। ওয়াইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্র্যান্ডেনবুর্গের অ্যাসিড সমৃদ্ধ মাটি ভিটিকালচারের জন্য উপযোগী। সেখানকার আঙ্গুরের তৈরি প্রথম ওয়াইন বাজারে আসে ২০০৮ সালে। কয়লাখনির চুনের কারণেই লেক পার্টভিৎসের পানি এমন ঝলমলে ফিরোজা রঙ ধারণ করেছে। এ পানি উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী না হলেও সাঁতারুদের জন্য নিরাপদ। লোয়ার লুজাটিয়ার গায়ার্সভালডের খনিতে তৈরি করা হয়েছে এই লেক পার্টভিৎস, যেটি ২০১৫ সালে পুরোপুরি বন্যায় ভেসে গিয়েছিল। ২০১৯ সালের শুরুতে কোটবুস এলাকার লেক ওসটজে-তে পানি প্রবাহিত করা শুরু করে জ্বালানি গ্রুপ এলইএজি। এভাবে পর্যটনের জন্য অনন্য সাধারণ এলাকা হিসেবে এটিকে সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করতে সময় লাগবে ২০২৫ সাল পর্যন্ত।

দূরের জানালা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj