স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক : তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত ১৫ লাখেরও বেশি মানুষ

শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২০

কাগজ প্রতিবেদক : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ২০১৮ সালের ‘দি ইকোনোমিক কস্ট অব টোবাকো ইউজারস ইন বাংলাদেশে হেলথ কস্ট অ্যাপ্রোচ’ শিরোনামে ২০১৮ সালের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশে ১৫ লাখেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষ তামাক সেবনের কারণে এবং ৬১ হাজারেরও অধিক শিশু পরোক্ষভাবে তামাকের প্রভাবে প্রাণঘাতী বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বেগম শামসুর নাহারের (নারী আসন-১৩) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, এ রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে- তামাকজনিত রোগব্যাধি ও অকাল মৃত্যুর কারণে দেশে প্রতি বছর ৩০ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা ব্যয় হয় যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জাতীয় আয়ের ১ দশমিক ৪ শতাংশ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণকে তামাকজাত রোগের হাত থেকে রক্ষার জন্য যানবাহন, রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন জনসমাগমস্থল ও গণপরিবহনে ধূমপানে নিষেধাজ্ঞা আছে তা কার্যকর করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ট্রান্সফোর্স কমিটি গঠন করে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ২০১৯ সালে ৮৬৬টি ঘটনায় বিপরীতে ৬ লাখ ৭২ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

সিলেট ৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে জাহিদ মালেক বলেছেন, ২০১৯ সালে সারাদেশে নকল-ভেজাল ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রির দায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ হাজার ১৪৫টি মামলা দায়ের করে ১২ কোটি ৪১ লাখ ৬ হাজার ৪৮৪ টাকা জরিমানা, ৩৯ জনকে কারাদণ্ড, ৪৪টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়েছে এবং আনুমানিক ৩১.৭৬ কোটি টাকা মূল্যের নকল ভেজাল ওষুধ জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে। এ ছাড়া আদালতের নির্দেশে আনুমানিক ৪৬.৬২ কোটি মূল্যের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করা হয়।

তিনি বলেন, গত বছর এ কারণে ৪১টি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল, ৩টি প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের ওষুধ উৎপাদন স্থগিত এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৯টি ওষুধের উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে।

দ্বিতীয় সংস্করন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj