এডিপি পর্যালোচনা সভায় শিল্প প্রতিমন্ত্রী : বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন পরিস্থিতি অনুসন্ধানে কমিটি গঠনের নির্দেশ

শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২০

কাগজ প্রতিবেদক : শিল্প মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হবে কিনা সেটি অনুসন্ধানের জন্য মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশনা প্রদান করেছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। এ সময় তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় ও ব্যয় বাড়ানোর প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতাধীন প্রকল্পগুলোর গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ নির্দেশনা দেন। সভায় শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিম সভাপতিত্ব করেন। শিল্প মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর সংস্থাগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং পরিকল্পনা কমিশন, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারের দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য গৃহীত ৩৪টি বাফার গোডাউন দেশীয় স্টিল ম্যানুফেকচারিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নির্মাণ করা হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।

তিনি চিনিকলগুলোতে সঠিকভাবে ইক্ষু সরবরাহ করা হচ্ছে কিনা সেটি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সারপ্রাইজ ভিজিটের মাধ্যমে তদন্তেরও নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর অব্যবহৃত জমিতে আগামী অর্থবছরে বাস্তবায়ন শুরুর লক্ষ্যে নতুন প্রকল্প নিতে হবে। প্রতিমন্ত্রী এ সময় দেশের সর্বত্র মানসম্মত পণ্য ও কারিগরি প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে সব জেলায় বিএসটিআই ও বিটাকের কার্যালয় সম্প্ররসারণের জন্য প্রকল্প গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় জানানো হয়, বর্তমানে দেশে ১২ লাখ টন সার মজুদ আছে এবং বিদ্যমান গোডাউনগুলোর ধারণক্ষমতা ৩ লাখ টন। নির্মাণাধীন ১৩টি বাফার গোডাউনের মধ্যে পঞ্চগড় ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের কাজ এ বছরের এপ্রিল এবং শেরপুর, গাইবান্ধা, যশোর ও রাজবাড়ীর গোডাউনের কাজ এ বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ শেষ হবে। অবশিষ্ট গোডাউনগুলোর কাজ মার্চ ২০২১ সময়ে সমাপ্ত হবে।

সভায় আরো জানানো হয়, চামড়া শিল্পনগরীতে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বিদ্যমান ডাম্প ইয়ার্ড দুই বছর পর ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়বে। দীর্ঘ মেয়াদে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে সেখানে নতুন ডাম্প ইয়ার্ড নির্মাণের কাজ আগামী অর্থবছর হতে শুরু হবে। এ ছাড়া ১৪টি সরকারি চিনিকলের জন্য বর্জ্য শোধনাগার স্থাপনের কাজ শিগগিরই শুরু হবে বলে সভায় জানানো হয়।

অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj