পাইকারি বাজারে বেড়েছে শুকনা মরিচের দাম

সোমবার, ২০ জানুয়ারি ২০২০

কাগজ প্রতিবেদক : দেশে ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে বাড়তির দিকে রয়েছে শুকনা মরিচের দাম। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পণ্যটির দাম কেজিতে বেড়েছে ১৪০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতের বাজারেও শুকনা মরিচের দাম চড়া রয়েছে। এ কারণে দেশীয় ব্যবসায়ীরা পণ্যটির আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন। ফলে সরবরাহ স্বল্পতায় আমদানি করা শুকনা মরিচের দাম বেড়েছে। বাড়তি চাহিদার কারণে দাম বেড়েছে দেশে উৎপাদিত শুকনা মরিচেরও। গতকাল চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে ভারত থেকে আমদানি করা তুলনামূলক চিকন ও ঝাল শুকনা মরিচ কেজিপ্রতি ৩১৫-৩২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। দুই সপ্তাহ আগে এ মরিচ ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সেই হিসাবে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পণ্যটির দাম কেজিতে ১৪০ টাকা বেড়েছে। এ সময় ভারত থেকে আমদানি করা তুলনামূলক মোটা শুকনা মরিচের (ঝাল কম) দামও কেজিতে ৮০ টাকা বেড়েছে। দুই সপ্তাহ আগে পাইকারি বাজারে পণ্যটি কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। বর্তমানে তা ২৬৫-২৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, ভারতের বাজারে দুই-তিন মাস ধরে শুকনা মরিচের দাম ঊর্ধ্বমুখী। ফলে ভারত থেকে পণ্যটির আমদানি কমিয়েছেন দেশের ব্যবসায়ীরা। আমদানি কমায় দেশের পাইকারি বাজারে ভারতীয় শুকনা মরিচের সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ কারণে ক্রমেই চাঙ্গা হয়েছে পণ্যটির বাজার পরিস্থিতি।

এদিকে ভারতীয় শুকনা মরিচের সরবরাহ ঘাটতি ও মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে দেশে উৎপাদিত মরিচের দামেও। গত এক সপ্তাহে দেশে উৎপাদিত শুকনা মরিচের দামও মানভেদে কেজিপ্রতি ৪০-৬০ টাকা বেড়েছে। খাতুনগঞ্জের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে বাজারে কুমিল্লা অঞ্চলের প্রতি কেজি শুকনা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকায়। চলতি মাসের শুরুর দিকে বাজারে এটি ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। একই এলাকার তুলনামূলক কম ঝালের শুকনা মরিচ কেজিপ্রতি ২৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। সপ্তাহখানেক আগে পণ্যটি ১৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj