ক্ষতিপূরণ

শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৯

শাহ্জাহান কিবরিয়া

জমীর আলীর ছোট সংসার। বৌ, মাঝবয়সী এক অসহায় বোন আর ৮ বছর বয়সী ছেলে সুন্দর আলী। ছেলের নাম জমীর আলী নিজেই রেখেছে। ছেলের জন্মের পর তার মুখ দেখে জমীর আলীর মুখ থেকে একটি মাত্র শব্দ বের হয়েছিল ‘সুন্দর’। সেই থেকেই তার নাম হয়, সুন্দর আলী। ছেলে দেখতে সুন্দর হলে কি হবে সে কথা বলতে পারে না। ছেলের কথা বলার অক্ষমতার কথা প্রথমে কেউ বুঝতে পারেনি। জন্মের পর সে শুধু একটি চিৎকার দিয়ে কেঁদে উঠেছিল। চিৎকারটা অনেকটা ‘মা’ শব্দের মতো হয়েছিল। শিশুকে কখনো মা ডাক শেখাতে হয় না। সে প্রথমে যে শব্দ উচ্চরণ করে পরবর্তীকালে তাই ‘মা’ হয়ে যায়।

দিন যায়, মাস যায়, বছর গড়িয়ে যায়। সুন্দর আলী কথা বলে না। আত্মীয়-স্বজনরা বলে, অনেক শিশু আছে যারা একটু দেরিতে কথা বলে। এসব শিশু পরবর্তীকালে খুব বুদ্ধিমান হয়। কম কথার মানুষকে বুদ্ধিমান বলা হয়।

চার বছর বয়স পার হওয়ার পরেও সুন্দর আলীকে কথা বলতে না দেখে মা-বাবা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়। পীর সাহেবের কাছ থেকে তাবিজ, পানি পড়া এনেও কোনো কাজ হয় না। জমীর আলী ছেলেকে কবিরাজ দেখায়। কবিরাজ ওষুধ দেয়। কোনো কাজ হয় না। ছেলে কথা বলে না। পশুর মতো কতগুলো অর্থহীন শব্দ উচ্চারণ করে। যা কারো বোধগম্য নয়। ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার সুন্দর আলীকে পরীক্ষা করে বলেন, ছেলে জন্মবধির। সে কানে শোনে না। কানে না শুনলে মানুষ কথা বলতে পারে না। কথা শুনেই মানুষ কথা বলতে শেখে। সুন্দর আলী বোবা। বোবারা কখনো কথা বলতে পারে না। জমীর আলীর মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। বৌ মরাকান্না শুরু করে দেয়। এতদিন আশা ছিল, দেরিতে হলেও ছেলে একদিন কথা বলবে। শেষ চেষ্টা করে সুন্দর আলীকে শহরের বড় ডাক্তারকে দেখানো হয়। ডাক্তার বললেন, ছেলের কানের পর্দা নষ্ট হয়ে গেছে। এটা মাতৃগর্ভেই হয়েছে। সে কখনো কথা বলতে পারবে না।

ডাক্তারের কথা শুনে স্বামী-স্ত্রী দুজনের আশা ভঙ্গ হয়। আশাহত মানুষ জীবনের উদ্যম হারিয়ে ফেলে, বেঁচে থাকার অর্থ খুঁজে পায় না। সুন্দর আলীকে নিয়ে তারা ভবিষ্যতের সুখস্বপ্ন রচনা করেছিলেন। ছেলে বড় হয়ে রোজগার করবে। তাকে বিয়ে দিয়ে ঘরে বৌ আনবে। নাতি-নাতনি নিয়ে জীবনের শেষ দিনগুলো কাটাবে। কিন্তু বোবা ছেলে তাদের সব স্বপ্ন ধূলিস্যাৎ করে দিয়েছে।

জমীর আলীর নিজস্ব কোনো জমি নেই। সে বর্গাচাষি। উপজেলা চেয়ারম্যান করীম বক্সের দুই একর জমি সে চাষ করে। ফসলের অর্ধেক সে পায়। তাতে তার সংসারের খরচ চলে যায়।

জমীর আলীর স্ত্রী- হনুফা বেগম প্রতিবেশীদের কাছ থেকে ধান এনে ঢেঁকিতে চাল করে। তাতে কিছুটা আয় হয়। ননদ ফিরোজা তাকে সাহায্য করে। ফিরোজার বিয়ে হয়েছিল তাদেরই গ্রামের আবদুল মতিনের সঙ্গে। সে পাটকলের শ্রমিক। যৌতুক দিতে না পারায় বাবার পীড়াপীড়িতে ফিরোজাকে তালাক দেয়। ফিরোজা এক কাপড়ে চলে এসে ভাইয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। কাজের অবসরে সে বারান্দায় বসে কাঁথা সেলাই করে। প্রতিবেশীদের বাড়ি থেকে পুরনো কাপড় এনে সেলাইয়ের কাজ করে। কাঁথা সেলাই করতে করতে ফিরোজা মাঝে মাঝে আনমনা হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে। সুখী জীবনের স্বপ্ন দেখে। স্বামী আবদুল মতিন খুব খারাপ ছিল না। তাকে খুব আদর করত। বাবার কাছে লুকিয়ে বৌয়ের জন্য স্নো, পাউডার, তেল নিয়ে আসত। শাশুড়িও তাকে ভালোবাসতো। কিন্তু শ্বশুর তাকে সহ্য করতে পারত না। অনেক চেষ্টা করেও সে শ্বশুরের মন জয় করতে পারেনি।

জমীর আলী বাবা-মা মরা ছোট বোনকে ফেলে দিতে পারে না। নিজের বাড়িতেই আশ্রয় দিয়েছে। বোনকে আবার বিয়ে দিতে চেয়েছিল। পাত্রপক্ষ যৌতুক ছাড়া বিয়ে করতে রাজি হয় না। যৌতুক দেয়ার ক্ষমতা জমীর আলীর নেই।

জমীর আলী জমি চাষ করতে যাওয়ার সময় ছেলে সুন্দর আলীকে সঙ্গে নিয়ে যায়। যতক্ষণ সে চাষ করে সুন্দর আলী একটা গাছের নিচে বসে থাকে। গাছে পাখি দেখলে সে অদ্ভুত ধরনের শব্দ করে পাখিদের সঙ্গে খেলা করে। তার তাড়া খেয়ে পাখিরা একটু দূরে সরে গিয়ে বসে পড়ে। একদিন একটি বেজি দেখতে পেয়ে সে চিৎকার করে কেঁদে উঠেছিল। তার চিৎকার শুনে জমির আলী ছুটে আসে। ছেলের সঙ্গে ইশারায় কথা বলে। পুকুরে গোসল করতে যাওয়ার সময় ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যায়। নিজ হাতে গোসল করায়। সাঁতার শেখাবার চেষ্টা করে। ছেলের সঙ্গে আপন মনে বকবক করে। তাকে নিজের জীবনের সুখ-দুঃখের কথা শোনায়। তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা শোনায়। ছেলে না শুনুক, না বুঝুক। তবু ছেলেকেই তো পিতার কথা শোনাতে হয়। ছেলের সঙ্গে কথা বলতে পারার মধ্যেও একটা সুখ আছে, আনন্দ আছে, তৃপ্তি আছে। পিতার বুক সন্তানের কাছেই তো হালকা করতে হয়। পিতা-পুত্রের চেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আর হয় না। পুত্রের মধ্যে পিতা নিজেকে দেখতে পায়… তার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ।

জমীর আলী ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়। তার মরে যাওয়ার পর ছেলেকে কে দেখবে। কে খেতে দেবে। কারো কাছে কিছু চাইবার ক্ষমতাও নেই। তার মনের কথা কেউ বুঝবে না। জমীর আলী নিজেও ছেলের মনের কথা বুঝতে পারে না। ছেলে হাউমাউ করে শব্দ করে চিৎকার করে কাঁদে। ছেলের কথা বুঝতে না পেরে সে ছেলেকে চড়-থাপ্পড় মারে। পরে অনুতপ্ত হয়। সে খোদার কাছে প্রার্থনা করে, খোদা মানুষকে কত ধন সম্পদ দেয়। সে সেসব কিছু চায় না। সে চায় তার ছেলে কথা বলুক। একবার তাকে আব্বা বলে ডাকুক। ছেলের মুখে আব্বা ডাক শোনার জন্য জমীর আলী সব সময় উৎকর্ণ হয়ে থাকে।

একদিন সকালে পান্তাভাত খেয়ে জমীর আলী লাঙল কাঁধে নিয়ে গরু আর সুন্দর আলীকে সঙ্গে নিয়ে জমি চাষ করতে যাচ্ছিল। পথে জমির মালিক চেয়ারম্যান করীম বক্সের সঙ্গে দেখা। জমীর আলী তাকে একটা সালাম দিয়ে রাস্তার এক পাশে সরে দাঁড়ায়। রাস্তার দুপাশের সমস্ত জমির মালিক করীম বক্স। তার বাবা এলাহী বক্স মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিল রাজাকারের কমান্ডার। মানুষের বিশেষ করে হিন্দুদের ঘরবাড়ি লুট করে জমিজমা দখল করে বিপুল ধন-সম্পত্তির মালিক হয়। স্বাধীনতার পর কয়েকটি হিন্দু পরিবার ফিরে এলে তাদের কিছু টাকাপয়সা দিয়ে বিদায় দেয়। অনেককে ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দিয়ে তাদের জমি বাড়িঘর নকল দলিল করে নিজের নামে নামজারি করে দখল করে। কেবল ফকিরপুর মৌজার তিন বিঘা জমি দখলে নিতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধের আগে রাম বাবু সে জমি ফরিদ আলীর কাছে বিক্রয় করে দিয়েছিলেন। এলাহী বক্স রাম বাবুর সব সম্পত্তি দখলে নিতে পারলেও এই তিন বিঘা জমি তার হাতছাড়া হয়ে যায়। সে অনেক টাকা দিয়ে ওই জমি কিনতে চেয়েছিল। কিন্তু ফরিদ আলী রাজি হয়নি। সোজা পথে কাজ হাসিল করতে না পেরে এলাহী বক্স বাঁকা পথ ধরে। মাস দুয়েক পর গুপ্তঘাতকের হাতে ফরিদ আলী খুন হওয়ার পর সে জমি এলাহী বক্সের দখলে আসে। সে ফরিদ আলীর বিধবা স্ত্রীকে সামান্য কিছু টাকা দিয়ে নিজের নামে জমি রেজিস্ট্রি করে নেয়। এখন দুপাশের সমস্ত জমির মালিক এলাহী বক্স।

এলাহী বক্সের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে সমস্ত সম্পত্তির মালিক হয় তার একমাত্র সন্তান করীম বক্স। এলাহী বক্স যখন বাড়িঘর লুট করত করীম বক্সও বাবার সঙ্গে যেত। তার বয়স তখন মাত্র ১০ বছর। তার নজর ছিল লুণ্ঠিত বাড়ির ছোট ছেলেমেয়েদের খেলনাগুলোর ওপর। সে খেলনাগুলো এনে ঘর ভরাতো। দুটি ৩ চাকার সাইকেলও পেয়েছিল।

করীম বক্স এখন পরিপূর্ণ যুবক। পিতার অপকর্মের কথা গ্রামবাসী ভুলে গেছে। কেউ পুরনো কথা তুললে সে বলে, আমার পিতা কোনো দোষ করেনি। জোর যার মুল্লুক তার। সেনাবাহিনীর লোক যদি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে হত্যা করে দেশের শাসনভার গ্রহণ করতে পারে, আমার বাবা কয়েকটা বাড়িঘর ও জমিজমা দখল করে কোনো অপরাধ করেনি।

করীম বক্স রাজনীতি করে। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে তখন সে দল করে। গত ২০ বছর যাবৎ সে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তাকে পরাজিত করার সাধ্য কারো নেই।

শুধু চেয়ারম্যানগিরি নয়, করীম বক্সের একটা গোপন ব্যবসা আছে। সে নারী পাচার করে। তার একটা দালাল চক্র আছে। তাদের মাধ্যমে সে বিদেশে নারী পাচার করে। নারী পাচার কোনো নতুন ব্যবসা নয়। যুগ যুগ ধরে সারা পৃথিবীতে এই ব্যবসা চলে আসছে। তখন বলা হতো, দাস ব্যবসা। আমাদের ধর্মেও দাস কেনা বেচার কথা বলা হয়েছে। করীম বক্স পুরুষ মানুষকে বিদেশে পাঠাবার নাম করে ব্যবসা করে না। ছেলেরা বহুত ঝামেলা করে। সে নারীর ব্যবসা করে। তাও সব নারী নয়। শুধু স্বামী পরিত্যক্ত নারীদের নিয়ে ব্যবসা করে। দালালের মাধ্যমে বিদেশিদের কাছে তাদের বিক্রি করে দেয়। প্রতি বিধবার জন্য এক লাখ টাকা করে পায়। স্বামী পরিত্যক্ত নারীদের বিক্রির সুবিধা এই যে, আমাদের দেশের বহু মেয়ে বিয়ের পর স্বামীর যৌতুকের দাবি মেটাতে ব্যর্থ হওয়ার পর তালাকপ্রাপ্ত হয়ে পিতা বা ভাইয়ের গলগ্রহ হয়ে থাকে। কর্মসংস্থানের লোভ দেখিয়ে তাদের পাচার করা সহজ। তাদের কোনো টাকাপয়সাও দিতে হয় না। পিতা বা ভাইয়েরা আগ্রহ সহকারে কন্যা বা বোনকে করীম বক্সের কাছে নিয়ে আসে। এরা আর কখনো দেশে ফিরে আসে না। অনেকে ফিরে আসে লাশ হয়ে। তাছাড়া করীম বক্সের মাদকের ব্যবসাও আছে। পিতার সম্পত্তির সঙ্গে উত্তরাধিকার সূত্রে পিতার সকল অপকর্মের গুণাবলীও (!) সে পেয়েছে। শয়তান একবার যদি কোনো পরিবারে ভর করতে পারে সহজে তাকে ছেড়ে যায় না। বংশানুক্রমিকভাবে শয়তান সেই পরিবারে তার আধিপত্য বিস্তার করে চলে। স্বাধীনতাবিরোধীদের সন্তানেরা কখনো দেশপ্রেমিক হয় না। পিতার কুকর্মের হাত থেকে করীম বক্সও রেহাই পায়নি।

করীম বক্স জমীর আলীকে বলে, কেমন আছো? জমীর আলী বিনয়ের সঙ্গে বলে ভালো, আপনি যেমন রাখছেন। করীম বক্স বলে, আমি রাখার কে? রাখে তো আল্লায়। ‘গণ্ডগোলের সময় (স্বাধীনতারবিরোধীরা মুক্তিযুদ্ধকে গণ্ডগোল বলে থাকে) তোর বাপেরে আমার বাপ কইছিল, কিছু হিন্দুর বাড়িঘর, জমিজমা দখল করতে। সে রাজি হইল না। সে বলে, আল্লাহ নাখোশ হইব। তোরে কইলাম তোর বোনরে দে, বিদেশে পাঠাইয়া দিই। তোদের কোনো টাকাপয়সা লাগবে না। তুই রাজি হইলি না। তোর বোন বিদেশ গিয়া তোর জন্য মাসে মাসে টাকা পাঠাইতে পারত। একটু থেমে করীম বক্স বলে, আসলে তোরা সুখে থাকতে চাস না। কথায় আছে না, ‘সুখে থাকলে ভূতে কিলায়’।

জমীর আলী কোনো কথা বলে না। অপরাধীর মতো মাথা নিচু করে থাকে। করীম বক্স বলে, তোর এই বোবা পোলারে লইয়া কী করবি? জমীর আলী করীম বক্সের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। করীম বক্স বলতে থাকে, তোর বোবা পোলা তোর জন্য একটা বিরাট বোঝা। কতদিন এই বোবা টানতে পারবি। তুই মরে গেলে তোর পোলারে কে দেখবে? আমি একটা বুদ্ধি দিই তোরে, পোলারে মাইরা ফ্যাল। বড় রাস্তায় নিয়া পোলারে চলন্ত গাড়ির নিচে ফালাইয়া দিবি। পোলা মারা গেলে গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করবি। ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাইবি। মামলার সব খরচ আমি দিমু। মামলায় জিতলে এক কোটি টাকা আমাকে দিবি। এক কোটি টাকা তুই পাইবি। বাকি জীবন সুখে কাটাইতে পারবি।

জমীর আলীর মুখ দিয়ে কোনো কথা সরলো না। তার সমস্ত শরীর শিউরে উঠল। সে ছেলেকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরল। জমীর আলী ভূতগ্রস্তের মতো বাড়ি এলো।

সারারাত জমীর আলী চোখের পাতা এক করতে পারল না। করীম বক্সের কথায় সুন্দর আলীর জন্য তার দুশ্চিন্তা আরো বেড়ে যায়। সে দিব্য চোখে দেখতে পায়, তার অবর্তমানে সুন্দর আলী রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার পরনে কাপড় নেই, পেটে ভাত নেই। তাকে সাহায্য করতে কেউ এগিয়ে আসছে না। যতই সে ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করে ততই তার অস্বস্তি বেড়ে যায়, মাথা গরম হয়ে ওঠে। ঘুমন্ত ছেলেকে কোলে নিয়ে উ™£ান্তের মতো অন্ধকার ঘরে পায়চারী করে। ধীরে ধীরে সে মানসিক ভারসাম্য হারাতে শুরু করে। শেষ রাতের দিকে জমীর আলী সুন্দর আলীকে নিয়ে বড় রাস্তার দিকে এগুতে থাকে।

পরদিন শোনা গেল, বড় রাস্তায় গাড়ি চাপায় সুন্দর আলী মারা গেছে। জমীর আলী ‘আমি সুন্দর আলীকে খুন করেছি, আমি সুন্দর আলীকে খুন করেছি,’ বলে রাস্তায় গড়াগড়ি খাচ্ছে। সবাই ভাবল, পাগলের প্রলাপ।

সাময়িকী'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj